• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন
/ ফিচার
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য এখন আর কেবল একটি গৃহযুদ্ধকবলিত জনপদ নয়; এটি এখন বিশ্বশক্তির এক ভয়াবহ ‘প্রক্সি ওয়ার’ বা প্রচ্ছন্ন যুদ্ধের ময়দান। এই যুদ্ধের একদিকে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘বার্মা অ্যাক্ট’ ও read more
দীর্ঘ ১৭ বছরের দলীয়করণ এবং বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে প্রশাসনকে সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুনির্দিষ্ট নির্দেশে প্রশাসনে
মিয়ানমারের সামরিক জান্তা, পরাশক্তিগুলোর ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ এবং রাখাইন স্টেটের বর্তমান পরিস্থিতি—সব মিলিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই অঞ্চলে এক জটিল সমীকরণ তৈরি হয়েছে। একদিকে চীন ও রাশিয়ার সরাসরি মদদপুষ্ট মিয়ানমার সরকার, অন্যদিকে
মেধা, সততা ও দক্ষতাকে মাপকাঠি ধরে জনপ্রশাসনকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান বিএনপি সরকার। নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় ও মাঠ প্রশাসনে ব্যাপক রদবদল শুরু হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় জনপ্রশাসন
সরকারি ভাষ্যমতে দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই, অথচ সারা দেশের বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রতিদিন পেট্রল পাম্পগুলোর সামনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি এবং ক্রেতাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার চরম ভোগান্তি
চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে দেশে হামের উদ্বেগজনক বিস্তার ঘটেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় হামে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৭৫ গুণ। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি হাতে নিলেও,
টানা দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে অঙ্গসংগঠনের অনেক নেতাই এখন
ইতিহাসের চাকা ঘোরে, তবে সেই ঘোরার শব্দ সবসময় শোনা যায় না। ২০০৭ সালের ১/১১-এর রূপকথার নেপথ্য কাহিনিগুলো এখন ধীরে ধীরে প্রকাশিত হতে শুরু করেছে। ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস! যে মানুষটি