বাংলাদেশের সীমান্ত যেন এক দীর্ঘশ্বাসের নাম। কাঁটাতারের এপারে দাঁড়িয়ে স্বজন হারানোর কান্না, আর ওপারে বিএসএফের (ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী) বুলেটের নির্মম আস্ফালন—যুগ যুগ ধরে এটাই ছিল বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের সবচেয়ে পরিচিত ও read more
বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য খাতে নীরবে, নিভৃতে এবং প্রায় লোকচক্ষুর অন্তরালে এক নতুন বিপর্যয়ের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। একসময় আমাদের সমাজে একটি বদ্ধমূল ধারণা ছিল যে, প্রাণঘাতী এইচআইভি বা এইডস মূলত বিদেশফেরত প্রবাসী
রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুম এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো গুরুতর অপরাধগুলো দমনে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন আইনি কাঠামোর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের। বিশেষ করে একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের
মহামারি করোনা ভাইরাসের চরম সংকটের সময় দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে এবং জরুরি স্বাস্থ্য অবকাঠামো গড়ে তুলতে ছয় হাজার কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে একটি মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছিল সরকার। এই প্রকল্পের
রেমিট্যান্স প্রবাহে ধীরগতি, রাজস্ব আদায়ের বিশাল ঘাটতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বমুখী চাপে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি বর্তমানে এক কঠিন সময় পার করছে। নিত্যপণ্যের চড়া দাম সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায়
সম্প্রতি এক আলোচনায় বাংলাদেশে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছেন বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী। গত বছরের (২০২৫) ১৫ অক্টোবর সেনাবাহিনীর একটি ফার্নিচার মেলা পরিদর্শনে গিয়ে
দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে সংঘাতের মেঘ জমতে শুরু করেছে। ঠিক পঞ্চাশ বছর আগে, ১৯৭৬ সালের ১৬ মে, ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশকে মরুভূমি হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে লাখো মানুষ নিয়ে
দেশের ব্যাংক খাতে সংঘটিত সীমাহীন লুটপাট ও আর্থিক অনিয়মের জেরে বর্তমানে কারাগারে বন্দি রয়েছেন সাবেক চার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একাধিক মামলায় তাদের কারাবাসের ঘটনায়