• সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৯ অপরাহ্ন
/ ফিচার
যেকোনো দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি, সার্বিক স্বাস্থ্য এবং উন্নয়নের প্রকৃত চিত্র পরিমাপ করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানদণ্ড হলো মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি। একটি দেশের অর্থনীতি কতটা শক্তিশালী read more
বাংলাদেশের অর্থনীতি গত কয়েক দশকে কৃষিভিত্তিক কাঠামো থেকে শিল্পভিত্তিক কাঠামোতে রূপান্তরিত হয়েছে এবং বিশ্ববাজারে নিজেদের একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। দেশের মোট রফতানি আয়ের প্রায় পুরোটাই এখন উৎপাদিত
দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিকে গতিশীল করতে এবং শিল্প খাতে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা দূর করার জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলোকে পুনরায় উৎপাদনে ফিরিয়ে আনার কোনো বিকল্প নেই। বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
মরণব্যাধি ক্যান্সারের নাম শুনলেই মানুষের মনে যে মৃত্যুভয় আর আতঙ্কের সৃষ্টি হয়, তার চেয়েও বহুগুণ বেশি ভয়ংকর হয়ে উঠেছে এই রোগের চিকিৎসা পাওয়ার বাস্তব সংগ্রাম। দেশের সাধারণ, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত
দেশের জ্বালানি খাতে বর্তমানে এক ভয়াবহ এবং অনাকাঙ্ক্ষিত অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে, যার মূল শিকার হচ্ছেন প্রান্তিক থেকে শুরু করে শহুরে মধ্যবিত্ত সাধারণ ভোক্তারা। পাইপলাইনের গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণে দেশের বিপুল
বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে ঢেলে সাজানো, দুধ ও মাংসের উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের জীবনমান উন্নয়নের এক বিশাল স্বপ্ন দেখিয়ে শুরু হয়েছিল একটি মেগা প্রকল্প। প্রকল্পটির গালভরা নাম ছিল
‘বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে’—এই প্রাচীন প্রবাদটি যেন বাংলাদেশের বর্তমান বিচার ব্যবস্থার সবচেয়ে নিখুঁত ও বাস্তব প্রতিচ্ছবি। দেশের সাধারণ ও অসহায় মানুষ যখন দিনের পর দিন, বছরের পর বছর এমনকি
দীর্ঘদিন ধরে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশের বৈদেশিক শ্রমবাজার এখন এক গভীর ও বহুমুখী সংকটের আবর্তে নিমজ্জিত। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের ভয়াবহতা, কূটনৈতিক ব্যর্থতা, বন্ধ হয়ে থাকা বড় বাজারগুলো উন্মুক্ত করতে না পারা