• বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন
Headline
বিশ্বকাপে যেতে না পারা বেনিন এবার মেসির শেষ প্রতিপক্ষ ত্রিশ বছর পূর্তিতে পিকাচুর ৩০ রূপ গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে, ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে : মাহ্দী আমিন হাসিনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্তের জাল বিস্তার করছে ভারত: রিজভী মক্কায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত আমির মাকসুদ কামাল-জাফর ইকবালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে আইসিটিতে অভিযোগ একনেকে ১২ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা চীনসহ এশিয়ার দেশগুলোতে স্বাস্থ্য সহযোগিতা জোরদারে ৪ অগ্রাধিকার তুলে ধরলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, মোট ১০৪৪ ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছেই, ২৪ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু

জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন দিগন্ত: স্থলভাগের বিস্তীর্ণ ব্লকে গ্যাস অনুসন্ধানে মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি শেভরনের মেগা প্রস্তাব

Reporter Name / ৪ Time View
Update : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বর্তমানে বাংলাদেশ এক অভূতপূর্ব ও তীব্র গ্যাস-সংকটের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে, যা দেশের সামগ্রিক শিল্পোৎপাদন ও বিদ্যুৎ খাতকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) আকাশচুম্বী মূল্য এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় অনাকাঙ্ক্ষিত বিঘ্ন দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে এক বিশাল চাপের সৃষ্টি করেছে। ঠিক এমন একটি শ্বাসরুদ্ধকর ও সংকটময় মুহূর্তে দেশের জ্বালানি খাতের জন্য একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর নিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন শেভরন। দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশে সুনামের সঙ্গে কাজ করা এই প্রতিষ্ঠানটি এবার দেশের স্থলভাগের একাধিক ব্লকে ব্যাপকভিত্তিক তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান এবং উন্নয়নের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। শুধু মৌখিক আলোচনাই নয়, ইতিমধ্যে তারা সরকারের উচ্চপর্যায়ে তাদের সুনির্দিষ্ট লিখিত প্রস্তাব বা আগ্রহপত্রও জমা দিয়েছে বলে বিশ্বস্ত ও দায়িত্বশীল সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।
শেভরনের এই আগ্রহ কতটা জোরালো, তা তাদের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক ও দাপ্তরিক তৎপরতা থেকেই স্পষ্টভাবে অনুধাবন করা যায়। সম্প্রতি শেভরনের বেস অ্যাসেটস ও উদীয়মান দেশবিষয়ক প্রেসিডেন্ট জাভিয়ার লা রোসার নেতৃত্বে একটি অত্যন্ত উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে একটি বিশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ করেছে। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ এই বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদলটি বাংলাদেশে তাদের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ পরিকল্পনা এবং নতুন করে আরও বেশ কিছু কূপ খননের বিষয়ে নিজেদের দৃঢ় আগ্রহের কথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণ এবং জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে শেভরনের এই নতুন বিনিয়োগ প্রস্তাবকে অত্যন্ত উষ্ণভাবে স্বাগত জানিয়েছেন। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে এমন ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার ফলে শেভরন দেশের স্থলভাগের একাধিক ব্লক ইজারা পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে গেল বলে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
পেট্রোবাংলা এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) একাধিক উচ্চপদস্থ ও নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শেভরন মূলত দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে গ্যাস অনুসন্ধানে আগ্রহী। তারা সুনির্দিষ্টভাবে স্থলভাগের ১১ নম্বর ব্লক এবং ১২ নম্বর ব্লকের অন্তর্ভুক্ত প্রায় ৬ হাজার ৬০০ বর্গকিলোমিটার সুবিশাল এলাকায় তেল ও গ্যাস উন্নয়নের জন্য সরকারের কাছে লিখিত প্রস্তাব দিয়েছে। উল্লেখ্য, এই ১১ নম্বর ব্লকটি মূলত সুনামগঞ্জ, শেরপুর এবং ময়মনসিংহ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ে গঠিত। অন্যদিকে ১২ নম্বর ব্লকটির অবস্থান বৃহত্তর হবিগঞ্জ জেলায়। নতুন করে শেভরন যেসব এলাকার জন্য প্রস্তাব দিয়েছে, তার মধ্যে রশিদপুর, ছাতক এবং সুনেত্রের মতো বেশ কয়েকটি প্রমাণিত ও সম্ভাবনাময় গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে, যা এই প্রস্তাবের যৌক্তিকতা ও গুরুত্বকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
শেভরনের এই প্রস্তাবটি ঠিক এমন এক সময়ে এসেছে, যখন দেশীয় গ্যাসের সরবরাহ প্রায় তলানিতে ঠেকেছে। দেশে বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু এর বিপরীতে সরবরাহ অনেক কম। পেট্রোবাংলার দেওয়া সর্বশেষ দাপ্তরিক তথ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই মাস পর গতকাল মঙ্গলবার দেশে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। গ্যাস সরবরাহের এই করুণ দশার পেছনে বেশ কয়েকটি অনাকাঙ্ক্ষিত কারণ রয়েছে। গত ২১ জুলাই সাগরে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর সেটি দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া গত আগস্ট মাসে পরিকল্পনা বা শিডিউলে থাকা এলএনজির ১০টি কার্গোর মধ্যে চারটি কার্গো কম আসায় একপর্যায়ে দেশের সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ উদ্বেগজনকভাবে ১ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে গিয়েছিল। বর্তমানে যে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে, তার মধ্যে প্রায় ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুটই আসছে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকে অত্যন্ত চড়া দামে কেনা এলএনজি থেকে।
এলএনজি আমদানির এই বিপুল আর্থিক বোঝা দেশের অর্থনীতির জন্য আক্ষরিক অর্থেই এক অশনিসংকেত। সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, সম্প্রতি আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে এলএনজির দাম প্রতি এমএমবিটিইউ ২৮ মার্কিন ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। এই চড়া দামে আমদানি করা এলএনজি থেকে উৎপাদিত প্রতি ইউনিট গ্যাসের দাম পড়ছে প্রায় ৭৫ থেকে ৮০ টাকার মতো। এর বিপরীতে আমাদের দেশীয় কূপ থেকে উৎপাদিত প্রতি ইউনিট গ্যাসের দাম মাত্র ৫ থেকে ৬ টাকা। এই বিশাল আর্থিক ব্যবধান থেকেই আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানের অপরিহার্যতা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়। তীব্র এই গ্যাস-সংকটের কারণে বর্তমানে দেশের ছোট-বড় অসংখ্য শিল্পকারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা শেষ পর্যন্ত রপ্তানি আয় ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পাশাপাশি, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় দেশব্যাপী বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে এবং জনজীবনে লোডশেডিংয়ের মাত্রাও চরম অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে।
বাংলাদেশের গ্যাস উৎপাদন খাতে শেভরনের বর্তমান অবদান কোনোভাবেই অস্বীকার করার মতো নয়। শেভরন বাংলাদেশ বর্তমানে দেশের তিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্লক থেকে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে গ্যাস উত্তোলন করে আসছে। এগুলো হলো ১২ নম্বর ব্লকের বিখ্যাত বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র, ১৩ নম্বর ব্লকের জালালাবাদ গ্যাসক্ষেত্র এবং ১৪ নম্বর ব্লকের মৌলভীবাজার গ্যাসক্ষেত্র। এই তিনটি সুবিশাল গ্যাসক্ষেত্রের অধীনে থাকা মোট ৩৮টি অত্যন্ত সক্রিয় কূপ থেকে কোম্পানিটি প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৮৭০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে নিরবচ্ছিন্নভাবে সরবরাহ করছে। যেখানে দেশের সবকটি গ্যাসক্ষেত্র মিলিয়ে মোট গ্যাস উৎপাদনের পরিমাণ দিনে ১ হাজার ৬২০ মিলিয়ন ঘনফুট, সেখানে অর্ধেকেরও বেশি গ্যাস একাই জোগান দিচ্ছে এই মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানিটি।
স্থলভাগের নতুন ব্লকগুলো ইজারা দেওয়ার ক্ষেত্রে উৎপাদন ও বণ্টন চুক্তি বা পিএসসি কীভাবে সম্পাদিত হবে কিংবা উৎপাদিত গ্যাসের অংশীদারত্ব ও দাম কীভাবে নির্ধারণ করা হবে, সে বিষয়টি নিয়ে এখনো এক ধরনের প্রশাসনিক ধোঁয়াশা বিরাজ করছে। পেট্রোবাংলা ও বাপেক্সের কর্মকর্তারা এ বিষয়ে এখনো স্পষ্ট করে কিছু জানাতে পারেননি। তবে বাপেক্সের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, শেভরন রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি বাপেক্সকে সঙ্গে রেখেই স্থলভাগের কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় কূপ উন্নয়নের কাজ করার একটি চমৎকার প্রস্তাব দিয়েছে। যদিও জ্বালানি বিভাগ থেকে সরাসরি কোনো দাপ্তরিক নির্দেশ বা লিখিত প্রস্তাব না আসায় কেউই শতভাগ নিশ্চিত করে প্রকাশ্যে কিছু বলতে পারছেন না। এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব জিয়াউল হকের সঙ্গে সাংবাদিকরা যোগাযোগের একাধিক চেষ্টা করলেও তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমনকি বাপেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী ফজলুল হকও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে সরাসরি অপারগতা প্রকাশ করেছেন।
শেভরনকে ঠিক কোন আইনি প্রক্রিয়ায় এবং কয়টি ব্লক ইজারা দেওয়া হবে, আর সেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাপেক্স কতটা সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকবে—এসব নিয়ে দেশের জ্বালানি অধিকারকর্মী ও বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি স্বয়ং বাপেক্সের সাধারণ কর্মকর্তাদের মধ্যেও এক ধরনের চাপা উদ্বেগ ও গভীর কৌতূহল রয়েছে। বাণিজ্যিক চুক্তির গোপনীয়তার স্বার্থে শেভরনও এ বিষয়ে খুব বেশি মুখ খুলছে না। শেভরন বাংলাদেশের মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন কর্মকর্তা শেখ জাহিদুর রহমান গণমাধ্যমকে কেবল এতটুকুই জানিয়েছেন যে, জ্বালানি খাতে আরও অবদান রাখার জন্য শেভরন সরকারের সঙ্গে তাদের গঠনমূলক আলোচনা অব্যাহত রেখেছে। একই সঙ্গে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, কোম্পানি তার ব্যবসায়িক কৌশলের অংশ হিসেবে কখনোই বাণিজ্যিক বিষয়গুলো প্রকাশ্যে আনে না। তবে দেশের শীর্ষস্থানীয় জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম তামিম পুরো উদ্যোগটিকে অত্যন্ত ইতিবাচক ও সময়োপযোগী হিসেবে দেখছেন। তিনি জানান, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক টানাপোড়েন ও জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে স্থলভাগের গ্যাস অনুসন্ধান শুধু প্রয়োজনই নয়, বরং টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম তামিমের মতে, শেভরন যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সঙ্গে অত্যন্ত সফলভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একটি বিশ্বস্ত বহুজাতিক কোম্পানি, তাই স্থলভাগে গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য তাদের সঙ্গে যদি পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে একটি যৌক্তিক ও লাভজনক দাম ঠিক করা যায়, তবে তা দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত মঙ্গলজনক হবে। এর পেছনে সবচেয়ে বড় যুক্তি হলো মহামূল্যবান সময়ের সাশ্রয়। বর্তমানে নতুন করে পিএসসি বা উৎপাদন বণ্টন চুক্তির অধীনে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করলে সেই আইনি ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতেই কমপক্ষে এক বছর সময় পার হয়ে যাবে। এরপর নতুন কোনো অনভিজ্ঞ কোম্পানি কাজ পেলেও তাদের সরঞ্জাম এনে কাজ শুরু করে স্থির হতে আরও এক বছর সময় লেগে যাবে। কিন্তু শেভরনের ক্ষেত্রে এই দীর্ঘসূত্রতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব। দাম নির্ধারণের প্রক্রিয়ার বিষয়ে ম তামিম বলেন, এটি সম্পূর্ণভাবে মন্ত্রিসভার নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তের ব্যাপার। তবে তিনি জানিয়েছেন, স্থলভাগের জন্য যে নতুন পিএসসি প্রস্তুত করা হচ্ছে, সেখানে গ্যাসের দাম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের ৮ শতাংশ নির্ধারণের একটি প্রস্তাব রাখা হয়েছে। যদি এই নীতি অনুসরণ করা হয়, তবে বুঝতে হবে যে শেভরনের সঙ্গেও চুক্তির ক্ষেত্রে দামটা ৮ শতাংশের আশপাশেই হবে, এর চেয়ে কম হওয়ার কোনো বাস্তবসম্মত সম্ভাবনা নেই। সব মিলিয়ে, শেভরনের এই নতুন মেগা বিনিয়োগ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে তা বাংলাদেশের গ্যাস-সংকট মোচনে এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা যায়।
তথ্যসূত্র: আজকের পত্রিকা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category