• মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন

ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বিত মেগা প্রকল্প চলছে: সংসদে মির্জা ফখরুল

Reporter Name / ০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

“রাজধানীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সমন্বিতভাবে একাধিক স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে,” বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা জানান।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) পদক্ষেপ তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, “রাজধানীর জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ১০৮টি জলাবদ্ধতাপ্রবণ হটস্পট চিহ্নিত করে সেগুলোর স্থায়ী সমাধানে কাজ করছে। একই সঙ্গে ১০টি অঞ্চলে ২১টি কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) গঠন করা হয়েছে। এসব দল নিয়মিত ড্রেনেজ লাইন পরিষ্কার করছে।” খাল দখলমুক্ত করার বিষয়ে তিনি জানান, “অবৈধ দখল রোধ করতে ২৯টি খাল ও একটি রেগুলেটিং পন্ডের সীমানা নির্ধারণ এবং খালের পাশে ১ হাজার ১৮১টি সীমানা পিলার স্থাপন করা হয়েছে।”

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে কমলাপুর টিটিপাড়া, ধোলাইখাল ও হাতিরঝিল—এই তিনটি আউটলেটের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন করা হয়, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। এ সমস্যা সমাধানে দ্রুত আরও দুটি নতুন আউটলেট নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যার প্রস্তাব ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।”

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে মেগা প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মেট্রো ঢাকা রেজিলেন্স প্রকল্পের আওতায় গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত একটি নতুন বৃহৎ নর্দমা নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, ডিএসসিসি এলাকায় চিহ্নিত ৩৩টি হটস্পটের জলাবদ্ধতা দূর করতে ২২টি খাল পরিষ্কার ও পুনঃখনন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।”

অধিবেশনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন মন্ত্রী। কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন প্রথমবারের মতো আইটি-সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থার আওতায় ভোটার নিবন্ধন পদ্ধতি চালু করেছে। সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রবাসীকে ভোটাধিকারের আওতায় আনতে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনেও এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।”

“রাজধানীর জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নির্মাণ এবং খাল পুনরুদ্ধার কার্যক্রম সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে,” বলে মন্ত্রী তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category