অনেক রোগী এসে বলে ঘাড় নিচু করে বেশি সময় পড়তে পারি না বা
অন্যান্য কাজও ঠিকমত করতে পারি না, ঘাড় ব্যথা শুরু হয়ে যায়। রোগী
দীর্ঘদিন যাবত এ সমস্যায় ভুগছে কিন্তু ব্যথা কমছে না। চলুন আমরা জেনে
নেই কেন ব্যথা হয়।
এটা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। যেমন— ঘাড়ের পেশীতে টান পড়া,
ঘাড়ের ভঙ্গি খারাপ হওয়া, ঘাড় বাঁকা করে বসে থাকা। পড়তে বসলে
মানুষের ঘাড় অবশ্যই নিচের দিকে থাকে। এ দীর্ঘসময় নিচের দিকে থাকার
কারণে ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে। এছাড়াও ঘাড় ব্যথার অনেক কারণ রয়েছে।
সে কারণগুলো বের করতে হবে, কেন এবং কোন স্ট্রাকচারের অসুস্থতার জন্য
ঘাড় ব্যথা হচ্ছে। যেমন: ঘাড়ের কোন মাংস অসুস্থ বা কোন টেনডন অসুস্থ।
এছাড়াও রয়েছে নার্ভ রুট, নার্ভ ট্রাঙ্ক, ডুরামেটার, লিগামেন্ট, ডিস্ক ইত্যাদি।
আমাদের চেম্বারে এধরনের সমস্যা নিয়ে রোগী আসলে প্রথমে আমরা
ঘাড়ের অ্যাসেসমেন্ট করি। সমস্ত স্ট্রাকচারের আলাদা আলাদা ফিজিক্যাল
পরীক্ষা আছে। ওই পরীক্ষার মাধ্যেমে বের করতে হবে কোন স্ট্রাকচার
অসুস্থ। সে অনুযায়ী চিকিৎসা করতে হয়।
ঘরে বসে আপনি কী করবেন:
১. ব্যথার স্থানে মায়োফেসিয়াল করুন।
২. সেঁক দিন।
৩. স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ করুন।
৪. প্রতিদিন সকাল বিকাল এক্সারসাইজ করুন।
৫. দীর্ঘসময় এক ভঙ্গিমায় থাকবেন না, পোশ্চার কিছু সময় পর পর চেঞ্জ করুন।
৬. বাচ্চারা পিঠে বেশি ভারি ব্যাগ বহন করবে না।
৭. প্রতিদিন গায়ে সূর্যের আলো লাগাতে হবে।