• বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
Headline
ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশ একক ভ্যাট হার চালুর লক্ষ্য আসামে দুই দিনে ১,১০০ মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ; গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো বাড়িঘর ও ১০ মসজিদ নতুন অধ্যাদেশে সৌরবিদ্যুৎ চুরির দায়ে সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ডের বিধান ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযানে আপত্তি নেই, তবে অস্ত্র হাতে নেওয়া ঠিক হয়নি: জামায়াত আমির রাজনীতিবিদদের রাজনীতি হতে হবে জনকল্যাণমুখী : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বেইজিংয়ে ‘বাংলাদেশ ডে’ অনুষ্ঠিত: চীনা ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর আহ্বান টোকিওতে ২৭ অক্টোবর তারেক-তাকাইচি বৈঠক বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি ও সহিংসতা হ্রাস পেয়েছে: যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিবেদন অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সচেতনতা ও স্ক্রিনিং কার্যক্রমের আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

সংরক্ষিত নারী আসন: বিএনপি বনাম জামায়াত—প্রার্থী বাছাইয়ের ভিন্ন কৌশল

Reporter Name / ২০৯ Time View
Update : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে নারী নেতৃত্ব নির্বাচনে দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি আদর্শিক ও কৌশলগত অবস্থান নিয়েছে। যেখানে বিএনপি ‘নতুন নেতৃত্ব’ বিকাশে জোর দিচ্ছে, সেখানে জামায়াতে ইসলামী ‘যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার’ সমন্বয়ে তাদের তালিকা সাজাচ্ছে।

১. বাছাইয়ের মূল নীতি: সংস্কার বনাম যোগ্যতা

  • বিএনপি: দলটি কঠোরভাবে ‘এক পরিবার এক প্রার্থী’ নীতি অনুসরণ করছে। এর ফলে প্রভাবশালী ও পরিচিত অনেক মুখ বাদ পড়ছেন, যা তৃণমূলের ত্যাগী কর্মীদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি করেছে।

  • জামায়াত: জামায়াতের ক্ষেত্রে মূল মানদণ্ড হলো ‘ধার্মিকতা, সৃজনশীলতা ও পেশাগত যোগ্যতা’। তারা বিশেষ করে চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রাধান্য দিচ্ছে।

২. শীর্ষ নেতাদের পরিবারের অংশগ্রহণ

  • বিএনপি: কেন্দ্রীয় নেতাদের স্ত্রীদের (যেমন: আফরোজা আব্বাস, হাসিনা আহমেদ) বাদ পড়ার সম্ভাবনা বেশি, যদি না তাদের বিগত দিনের ত্যাগকে বিশেষ বিবেচনা করা হয়।

  • জামায়াত: এখানে শীর্ষ নেতাদের স্ত্রীদের (যেমন: আমিনা বেগম, হাবিবা রহমান) অগ্রাধিকার পাওয়ার প্রবল গুঞ্জন রয়েছে, বিশেষ করে যাদের পূর্ববর্তী সংসদীয় অভিজ্ঞতা রয়েছে।

৩. পেশাজীবী ও তারকা প্রার্থীদের মূল্যায়ন

  • বিএনপি: আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় থাকা নেত্রীদের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অঙ্গনের তারকাদের (বেবী নাজনীন, কনকচাঁপা) উচ্চকক্ষে বা সংরক্ষিত আসনে মূল্যায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

  • জামায়াত: তারা পুরোপুরি পেশাজীবী নির্ভর একটি তালিকা তৈরি করেছে, যেখানে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক বা আইনজীবীদের মতো প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন।


এক নজরে দুই দলের সমীকরণ

সংরক্ষিত আসন কৌশল: তুলনামূলক চিত্র

বৈশিষ্ট্য বিএনপি (BNP) জামায়াতে ইসলামী
সম্ভাব্য আসন সংখ্যা ৩৫ থেকে ৩৭টি ১০ থেকে ১১টি
প্রধান কৌশল এক পরিবার এক প্রার্থী। যোগ্যতা ও সৃজনশীলতা।
আলোচিত প্রার্থী বিলকিস জাহান শিরিন, ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। আমিনা বেগম, নূরুন্নিসা সিদ্দীকা।
জোটের সমঝোতা স্বতন্ত্রদের সমন্বয় হতে পারে। এনসিপিকে আসন দেওয়া হতে পারে।

দুই দলের এই ভিন্ন কৌশল প্রমাণ করে যে, বিএনপি নতুন নেতৃত্ব তৈরিতে ঝুঁকি নিতে চায়, আর জামায়াত তাদের পরিচিত ও বিশ্বস্ত কাঠামোর ওপরই আস্থা রাখতে পছন্দ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category