• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
Headline
বেসরকারি খাতে ঋণের খরা: কেবল পদক্ষেপে নয়, প্রয়োজন আস্থার সংকট দূরীকরণ ব্যথামুক্ত জীবন ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চার্চ অব ইংল্যান্ডের ফরেন পলিসি এ্যাডভাইজারের সাক্ষাৎ কোটালীপাড়ার প্রবীণ শামসুল হকের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা, প্রযুক্তিসহ বহুমুখী সহযোগিতা বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় হবে: শিক্ষামন্ত্রী বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশ-চীনের আলোচনা অর্থনৈতিক ও অবকাঠামো সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের সমঝোতা স্মারক সই মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশকে এআই প্রয়োগ ও উদ্ভাবনে সক্ষম একটি দেশে পরিণত করতে হবে : রাষ্ট্রপতি

সিটি গ্রুপকে ৩ হাজার কোটি টাকার ঋণ দিতে আইন শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক

Reporter Name / ১০ Time View
Update : বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

ঋণখেলাপি সিটি গ্রুপের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ৩ হাজার কোটি টাকার চলতি মূলধন ঋণ দিতে ব্যাংক কোম্পানি আইনের একটি ধারার প্রয়োগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। সিটি ব্যাংক পিএলসির নেতৃত্বে গঠিতব্য ব্যাংকগুলোর সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এ ঋণ দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ২৭কক (৩) ধারার বিধান কার্যকর হবে না।

তবে ঋণ বিতরণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে চারটি শর্ত দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সিটি গ্রুপের ঋণখেলাপি পাঁচ প্রতিষ্ঠান—সিটি সিড ক্রাশিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সিটি সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড, সিটি ডাল মিলস লিমিটেড ও শম্পা ফ্লাওয়ার মিলস লিমিটেডের অনুকূলে ৩ হাজার কোটি টাকার চলতি মূলধন ঋণ সুবিধা দেওয়া হবে। এ জন্য ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ১২১ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ২৭কক (৩) ধারার বিধান থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

তবে এ ঋণের দায় সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক নেবে না। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত ঋণের বিপরীতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো দায় সৃষ্টি হবে না। ভবিষ্যতে সিটি ব্যাংক পিএলসি কিংবা সিন্ডিকেটভুক্ত অন্য কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এ ঋণের জন্য সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আর্থিক সহায়তা দাবি করতে পারবে না।

ঋণের বিপরীতে জামানত হিসেবে সিটি গ্রুপকে তাদের অন্য কোনো ঋণ বা দায়ের বিপরীতে বন্ধক রাখা হয়নি, এমন দায়মুক্ত সম্পত্তি রেজিস্টার্ড মর্টগেজ দিতে হবে। এ সম্পত্তির মাধ্যমে ঋণের বিপরীতে যুক্তিসংগত জামানত নিশ্চিত করতে হবে। ঋণের অর্থে কেনা পণ্য বিক্রির পর পাওয়া অর্থও নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা রাখতে হবে। সেখান থেকে আনুপাতিক হারে সিন্ডিকেটেড ঋণ প্রদানকারী ব্যাংকগুলোর পাওনা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়মিত পরিশোধ করতে হবে।

এ ছাড়া ঋণের অর্থে আমদানি করা কাঁচামাল ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলো ঋণদাতা ব্যাংকগুলোর সিকিউরিটি এজেন্টের প্রতিনিধি হিসেবে কিনবে। পরে জিম্মাদার হিসেবে এসব কাঁচামাল প্রক্রিয়াজাত করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের ফলে সিটি গ্রুপের পাঁচটি ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠান নতুন করে ৩ হাজার কোটি টাকার চলতি মূলধন ঋণ পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। তবে ঋণের অর্থের নিরাপত্তা, জামানত এবং পরিশোধ নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দিষ্ট শর্ত আরোপ করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category