• রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
Headline
বাবার হাজার কোটি টাকায় মোহ নেই, লন্ডনে সাধারণ চাকরি করেন অক্ষয়-পুত্র প্রধানমন্ত্রী ও জাইমা রহমানকে বাফুফেতে আমন্ত্রণ জানালেন অধিনায়ক আফিদা হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে কাল থেকে সারা দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু আ. লীগকেও পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত: রাশেদ খান জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে আইএমএফের শর্তের কোনো সম্পর্ক নেই: অর্থমন্ত্রী সংসদে সরকারি দলের এমপিদের অঙ্গভঙ্গি: তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জামায়াত আমিরের ‘সরকার জ্বালানি সংকট নিয়ে মিথ্যাচার করছে’: সংসদে রুমিন ফারহানা কিউবার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একজোট মেক্সিকো, স্পেন ও ব্রাজিল ইসরায়েলের অকুণ্ঠ প্রশংসায় ট্রাম্প, ঘনাচ্ছে নতুন বিতর্ক ‘ইরানকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করার ট্রাম্প কে?’: পেজেশকিয়ান

সুরের কারিগর মাহবুবা রহমান আর নেই

Reporter Name / ২৭ Time View
Update : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬

বাংলাদেশের সংগীত ভুবনে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি করে না-ফেরার দেশে চলে গেলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী মাহবুবা রহমান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় দীর্ঘকাল ভুগে অবশেষে সুরের মায়া কাটিয়ে চিরবিদায় নিলেন এই গুণী শিল্পী। তাঁর প্রয়াণে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মাহবুবা রহমানের সুরের যাত্রা শুরু হয়েছিল দেশভাগের সন্ধিক্ষণে, ১৯৪৭ সালে তৎকালীন ‘অল ইন্ডিয়া রেডিও’-র ঢাকা কেন্দ্র থেকে। পাঁচের দশক থেকে সাতের দশক পর্যন্ত রেডিও এবং চলচ্চিত্রের রুপালি পর্দায় তাঁর কণ্ঠের জাদু শ্রোতাদের মোহাবিষ্ট করে রেখেছিল। বিশেষ করে পল্লীগীতি ও আধুনিক গানে তাঁর অসামান্য দখল তাঁকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। সংগীতে তাঁর এই অনবদ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক’-এ ভূষিত করে।

এদেশের চলচ্চিত্র সংগীতের ইতিহাসে মাহবুবা রহমানের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এ সমর দাসের সুরে তাঁর গাওয়া ‘মনের বনে দোলা লাগে’ গানটি আজও সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে দোলা দেয়। এছাড়া জহির রায়হানের কালজয়ী চলচ্চিত্র ‘কখনো আসেনি’-তে খান আতাউর রহমানের সুরে তাঁর গাওয়া ‘নিরালা রাতের প্রথম প্রহরে’ কিংবা ‘তোমাকে ভালোবেসে অবশেষে কী পেলাম’ গানগুলো তাঁকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছিল। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’, ‘সাত ভাই চম্পা’, ‘আসিয়া’ এবং ‘জাগো হুয়া সাভেরা’র মতো অসংখ্য নন্দিত চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করেছেন।

ব্যক্তিজীবনে তিনি ১৯৫৮ সালে বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার ও সংগীতজ্ঞ খান আতাউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের সুযোগ্য সন্তান রুমানা ইসলামও বর্তমানে দেশের একজন প্রতিষ্ঠিত কণ্ঠশিল্পী। মাহবুবা রহমানের মৃত্যুতে একটি সোনালী অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। তাঁর গাওয়া কালজয়ী গানগুলো আগামী প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে বেঁচে থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category