• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন
Headline
বিশ্বকাপে যেতে না পারা বেনিন এবার মেসির শেষ প্রতিপক্ষ ত্রিশ বছর পূর্তিতে পিকাচুর ৩০ রূপ গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে, ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে : মাহ্দী আমিন হাসিনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্তের জাল বিস্তার করছে ভারত: রিজভী মক্কায় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: জামায়াত আমির মাকসুদ কামাল-জাফর ইকবালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে আইসিটিতে অভিযোগ একনেকে ১২ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা চীনসহ এশিয়ার দেশগুলোতে স্বাস্থ্য সহযোগিতা জোরদারে ৪ অগ্রাধিকার তুলে ধরলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, মোট ১০৪৪ ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছেই, ২৪ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে, সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত: জাহেদ

Reporter Name / ৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। জাহেদ উর রহমান বলেন, নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের যে সময়সূচি ঘোষণা করেছে, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে তা পরিবর্তন, পিছিয়ে দেওয়া কিংবা এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত বা নির্ধারিত সময়সীমা নেই। নির্বাচন কমিশন তাদের মতো করে একটি তারিখ ঘোষণা করেছে। সরকারের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যকেই এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান হিসেবে গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে কোনো ‘গ্যাপ’ তৈরি হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, বিষয়টিকে সংঘাত বা দূরত্ব হিসেবে দেখার কারণ নেই। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তারিখ সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে পরিবর্তিত হতে পারে।

তিনি জানান, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও সংসদ নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন সরাসরি সাংবিধানিক দায়িত্বপ্রাপ্ত। তবে অন্যান্য নির্বাচন আইন অনুযায়ী সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে আয়োজন করতে হয়। স্থানীয় সরকার নির্বাচনও সেই কাঠামোর আওতাভুক্ত।

জাহেদ উর রহমান বলেন, সংসদ নির্বাচনের বিষয়টি আলাদা। সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর্যায়ে নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী নিজস্ব এখতিয়ারে নির্বাচন আয়োজন করবে। কিন্তু স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে তিনি কখনো বলেননি যে এটি নির্বাচন কমিশনের একক বা এক্সক্লুসিভ এখতিয়ার। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তারিখেই নির্বাচন হবে—এমনটি যেমন এখনই বলা যাচ্ছে না, তেমনি হবে না—এমনটিও বলা যাচ্ছে না।

তার ভাষ্য, সরকার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করবে। সরকারের বিবেচনা, প্রস্তুতি ও অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করে নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে, পরে কিংবা আগেও হতে পারে।

সরকার এখন কী করবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার সিদ্ধান্ত নেবে কবে নাগাদ স্থানীয় সরকার নির্বাচন করবে। এরপর নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন হবে, এ বিষয়ে কোনো সংশয় নেই।

দলীয় প্রতীক থাকছে না

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয়ভাবে অংশগ্রহণের বিষয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, এবারের নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দল সরাসরি অংশগ্রহণ করবে না; ব্যক্তিরাই প্রার্থী হবেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে স্থানীয় সরকারের কিছু নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের ব্যবস্থা ছিল। সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং উপজেলা বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের সুযোগ ছিল। তবে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না।

ফলে কোনো প্রার্থী কোন দলের—এটি সরাসরি নির্বাচনের বিষয় হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জাহেদ উর রহমান বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ থাকবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের সমর্থিত প্রার্থী দিতে পারে। এরই মধ্যে একটি নতুন দল তাদের সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। ক্ষমতাসীন দলের ক্ষেত্রেও শুধু একজন প্রার্থী থাকবেন এমন নয়; একই দলের একাধিক ব্যক্তি প্রার্থী হতে পারেন। পাশাপাশি অন্যান্য দলের সমর্থিত প্রার্থীরাও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, অতীতে দলীয় প্রতীক চালু হওয়ার কারণে স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ধরন নিয়ে যে সমালোচনা তৈরি হয়েছিল, এবার সেই পরিস্থিতি থাকবে না। একই দলের একাধিক ব্যক্তি এবং বিভিন্ন মতের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category