• বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
Headline
‘দ্য রিং’ খ্যাত মার্কিন অভিনেত্রী ডেভেই চেজ আর নেই অতীত সাগরে ডুবসাঁতার- হাতে তিনটি স্বর্ণপদ্ম আধুনিক যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর উন্নয়ন পরিকল্পনা চলছে: সেনাপ্রধান আদালতের সমন উপেক্ষা: সময় টিভির সাবেক এমডি আহমেদ জোবায়ের কারাগারে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন না করে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভারসাম্য রক্ষার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সাগর-রুনি হত্যা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল ১২৭ বার ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোকসানে দেশের ব্যাংক খাত পুশইনে বিএসএফের নতুন কৌশল ও রুট পঞ্চগড়ে সেনানিবাস স্থাপনের দাবি তুললেন সারজিস আলম মাতারবাড়ী সংযোগ সড়ক প্রকল্পে সাড়ে৪শ কোটি টাকার হরিলুট

আবারও দেশের মূল্যস্ফীতি বেড়েছে

Reporter Name / ২৯১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

আবারও দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে, যা অক্টোবর মাসে ছিল ৮ দশমিক ১৭ শতাংশ। খাদ্য মূল্যস্ফীতিও বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ, যা তার আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ০৮ শতাংশ।
তবে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে হয়েছে ৯ দশমিক ০৮ শতাংশ, যা অক্টোবর মাসে ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ।
রোববার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কঞ্জুমার প্রাইস ইনডেক্স প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, কয়েক মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ওঠানামার মধ্যে আছে। তবে মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের ঘরেই ঘোরাফেরা করছে।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, তিন বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছিল ১০ দশমিক ০৩ শতাংশ।
বিবিএস বলছে, গত নভেম্বর মাসে জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম। দুই-তিন বছর ধরে অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সুদের হার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়। এনবিআরও তেল, আলু, পেঁয়াজ, ডিমসহ বেশ কিছু নিত্যপণ্যে শুল্ককর কমিয়ে দেয়। বাজারে নিত্যপণ্যের আমদানি প্রবাহ ঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু এসব কার্যক্রমের তেমন প্রভাব পড়ছে না মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে।
বিবিএসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নভেম্বর মাসে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ, যা অক্টোবর মাসে ছিল ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ। এই মাসে গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ২৭ শতাংশ, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এছাড়া খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে হয়েছে ৯ দশমিক ২৪ শতাংশ, যা অক্টোবর মাসে ছিল ৯ দশমিক ৪১ শতাংশ।
এদিকে শহরে নভেম্বর মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ, যা অক্টোবর মাসে ছিল ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৬১ শতাংশ, যা তার আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এছাড়া খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে হয়েছে ৮ দশমিক ৯১ শতাংশ, যা অক্টোবর মাসে ছিল ৮ দশমিক ৯২ শতাংশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category