• মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
Headline
স্কুল পর্যায়ে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণ: পাঠ্যপুস্তকে সীমাবদ্ধতা ও বাস্তবতার সংকট চালু হচ্ছে ‘ই-ঋণ’ সেবা: ব্যাংকে না গিয়ে ঘরে বসেই মিলবে ৫০ হাজার টাকা লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত, ঢাকার তীব্র নিন্দা দেশে হাম ও উপসর্গে আরও ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৯২ ‘মুসলিমদের অত্যাচার করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না’: মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় জিয়াউর রহমানই স্বাধীনতার ঘোষক, তবে তা বঙ্গবন্ধুর পক্ষে: বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী সিএনএনের বিশ্লেষণ: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ থেকে সামরিক দীক্ষা নিচ্ছে চীন, সতর্ক পর্যবেক্ষণে তাইওয়ান ইস্যু বিশ্বকাপ বয়কট ছিল আত্মঘাতী, ঘরোয়া ক্রিকেটের দুর্দশায় খেলোয়াড়রা রিকশা চালাচ্ছিল’: ভারতীয় গণমাধ্যমে অকপট তামিম সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের হাহাকার: কুকুরের কামড়ে ৭২ ঘণ্টায় ৩ জনের মৃত্যু পশুবাহী যানবাহনে চাঁদাবাজি রোধে পুলিশের হটলাইন, অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরা: চার মহাসড়কে চার ধরনের ভোগান্তির আশঙ্কা

সমকাল / ৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ এলেই নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার এক অদম্য আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয় রাজধানী ঢাকায় বসবাসরত লাখো মানুষের মনে। কর্মব্যস্ত শহুরে জীবন থেকে ছুটি নিয়ে পরিবার-পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সবাই ছুটতে শুরু করেন গ্রামের বাড়ির দিকে। কিন্তু এই আনন্দময় যাত্রার পথে প্রতি বছরই বাধা হয়ে দাঁড়ায় মহাসড়কগুলোর বেহাল দশা এবং যানজট। আসন্ন ঈদযাত্রায়ও এর ব্যতিক্রম হচ্ছে না। দেশের প্রধান চারটি মহাসড়কে এবারও অন্তত চার ধরনের বড়সড় ভোগান্তির মুখে পড়তে হবে ঘরমুখী যাত্রীদের। কোথাও সড়ক সরু হয়ে যাওয়ার কারণে ‘বটলনেক’ বা বোতলগলা পরিস্থিতি, কোথাও বৃষ্টির কারণে সৃষ্টি হওয়া খানাখন্দ, কোথাও সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে যাওয়া মহাসড়ক, আবার কোথাও বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকা অসমাপ্ত নির্মাণকাজ—এই চার মহাদুর্ভোগ যেন ওঁত পেতে আছে যাত্রীদের জন্য।

আগামী ২৮ মে (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার কথা রয়েছে। সে অনুযায়ী ২৪ মে অফিস শেষ করেই বাড়ির পথ ধরবেন চাকরিজীবীরা। হাতে সময় থাকবে মাত্র তিন দিন। এই অল্প সময়ে লাখ লাখ মানুষ যখন একসঙ্গে ঢাকা ছাড়তে শুরু করবেন, তখন মহাসড়কগুলোর ধারণক্ষমতা চরম পরীক্ষার মুখে পড়বে। সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যানজট নিরসনে শিল্পকারখানাগুলোতে ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়াসহ নানা উদ্যোগের কথা জানালেও, বাস্তব পরিস্থিতি বলছে ভিন্ন কথা। পূর্ব অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, ঈদুল ফিতরের তুলনায় কোরবানির ঈদে পশুবাহী ট্রাকের আধিক্য এবং পশুর হাটের কারণে যানজট বহুগুণ বেড়ে যায়। গত বছর ঢাকা থেকে রংপুর যেতে ১৩ থেকে ১৪ ঘণ্টা এবং চট্টগ্রাম বা ময়মনসিংহের পথে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে হয়েছিল যাত্রীদের। এবারও সেই একই শঙ্কা তাড়া করে ফিরছে ঘরমুখী মানুষদের।

আসন্ন ঈদযাত্রায় দেশের প্রধান চারটি মহাসড়কের কোথায় কী ধরনের ভোগান্তি অপেক্ষা করছে, তার একটি বিস্তারিত চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো:

১. ঢাকা-উত্তরবঙ্গ মহাসড়ক: ‘বটলনেক’ পরিস্থিতি ও ফ্লাইওভারের নিচে অবৈধ দখল

দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২২টি জেলার মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম এই মহাসড়কটি। এই পথে যাত্রীদের প্রধান শত্রু হলো ‘বটলনেক’ বা বোতলগলা পরিস্থিতি। বিশেষ করে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ মহাসড়কের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় প্রতি বছরই ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়। এখানে ফ্লাইওভার থাকলেও নিচ দিয়ে যাতায়াতকারী যানবাহনের অত্যাধিক চাপ এবং যাত্রী ওঠানামার কারণে সড়ক এতটাই সরু হয়ে যায় যে, গত রোজার ঈদে এই মোড় পার হতেই ৭-৮ ঘণ্টা সময় লেগেছিল যাত্রীদের। এছাড়া কোনাবাড়ী ও মৌচাক এলাকায় ফ্লাইওভারের নিচে শত শত অবৈধ দোকানপাট ও বাজার গড়ে ওঠায় মহাসড়কটি কার্যত একটি সরু গলিতে পরিণত হয়েছে।

টাঙ্গাইল অংশে এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্তের গোলচত্বর পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার মহাসড়কে কোনো রোড ডিভাইডার বা বিভাজক নেই। দুই লেনের এই সরু রাস্তায় ঈদযাত্রায় যখন গাড়ির চাপ বহুগুণ বেড়ে যায়, তখন বেপরোয়া ওভারটেকিংয়ের কারণে ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটে এবং যানজট স্থায়ী রূপ নেয়। এলেঙ্গায় ফ্লাইওভার নির্মাণকাজের কারণে দুই পাশের রাস্তা অত্যন্ত সরু হয়ে গেছে। অন্যদিকে, যমুনা সেতুতে স্বাভাবিক দিনে ২০ হাজার গাড়ি পারাপার হলেও ঈদের সময় তা ৬০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। টোল প্লাজায় এই বিপুল সংখ্যক গাড়ির চাপ সামলাতে গিয়ে মাঝে মাঝেই টোল আদায় বন্ধ রাখতে হয়। লক্কড়ঝক্কড় ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি বিকল হয়ে পড়া এই পথের আরেকটি বড় সমস্যা। তবে এতসব হতাশার মধ্যে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুলে ‘সাসেক-২’ প্রকল্পের আওতায় ‘ক্লোভারলিভ ইন্টারচেঞ্জ’-এর একটি র‍্যাম্প খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তে কিছুটা স্বস্তির আশা দেখছেন উত্তরবঙ্গের যাত্রীরা।

২. ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক: বৃষ্টির খানাখন্দ, অবৈধ পার্কিং ও পশুর হাটের রাজত্ব

দেশের অর্থনীতির লাইফলাইন খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এবার যাত্রীদের মূল ভোগান্তির কারণ হতে পারে সড়কের বেহাল দশা। সম্প্রতি টানা কয়েক দিনের বৃষ্টির কারণে কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত প্রায় ১৪ কিলোমিটার অংশে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এই ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে যানবাহনের স্বাভাবিক গতি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। মেঘনা সেতুর টোল প্লাজায় ঈদের সময় দৈনিক অর্ধলাখ যানবাহন পারাপার হয়, যার কারণে টোল আদায়ের ধীরগতি দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি করে।

এর বাইরে অবৈধ পার্কিং এবং বাস স্টপেজগুলো যানজটের অন্যতম বড় কারণ। কাঁচপুর, মদনপুর এবং মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা এবং সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত রিকশার দাপট মহাসড়ককে স্থবির করে দেয়। মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশে মালবাহী ট্রাকের অবৈধ পার্কিং এবং হাইওয়ের ওপর বাজার বসার কারণে যানজটের শঙ্কা প্রবল। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের শিমরাইলে টাইগার রিরোলিং মিলের পরিত্যক্ত মাঠে মহাসড়ক দখল করে প্রতি বছর বিশাল পশুর হাট বসে। প্রশাসন কয়েকবার উচ্ছেদ অভিযান চালালেও রাজনৈতিক ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের মদদে তা আবারও ফিরে আসে। উল্টো পথে তিন চাকার যান চলাচল এই মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও যানজট আরও বাড়িয়ে দেয়।

৩. ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক: সামান্য বৃষ্টিতেই ভয়াবহ জলাবদ্ধতা

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কটির গাজীপুর অংশের যাত্রীদের জন্য সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম জলাবদ্ধতা। মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হলেই এই মহাসড়কের তারগাছ, গাছা, বোর্ডবাজারসহ বিশাল একটি অংশ পানিতে তলিয়ে যায়। বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের অধীনে বড় বড় পানি নিষ্কাশন নালা বা ড্রেন নির্মাণ করা হলেও, সেগুলো আবর্জনা ও পলিথিনে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে আছে। ফলে বৃষ্টির পানি সরতে না পেরে মহাসড়কটি নদীতে পরিণত হয়।

এর পাশাপাশি টঙ্গী থেকে শুরু করে জয়দেবপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত যত্রতত্র পার্কিং এবং সড়কের ওপর অবৈধ বাজারের কারণে মহাসড়কের অনেক অংশ সংকুচিত হয়ে গেছে। টঙ্গী স্টেশন রোড, চেরাগ আলী, ভোগড়া বাইপাস এবং কোনাবাড়ীসহ অন্তত ১৫টি পয়েন্ট যানজটের হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বাঘের বাজার, গড়গড়িয়া মাস্টার বাড়ি এবং জৈনাবাজারেও গাড়ির চাপ বাড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তবে এই মহাসড়কে একটি আশার দিক হলো, গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে সরকার ও মালিকপক্ষের সমন্বয়ে ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ঘরমুখী পোশাক শ্রমিকদের যাত্রা কিছুটা হলেও স্বস্তিদায়ক হতে পারে।

৪. ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক: অসমাপ্ত চার লেন প্রকল্পের খোঁড়াখুঁড়ি ও নৈরাজ্য

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যাত্রীদের ভোগান্তির প্রধান কারণ অসমাপ্ত সম্প্রসারণ কাজ। চার লেনে উন্নীতকরণের এই মেগা প্রকল্পের কারণে মহাসড়কের বিশাল অংশ জুড়ে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। রূপগঞ্জের ভুলতা-গাউছিয়া, কাঞ্চন সেতু, রূপসী, বরাবো ও তারাবো এলাকায় প্রতিদিনই যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ভুলতা-গাউছিয়া এলাকার বিখ্যাত পাইকারি বাজারের কারণে এখানে প্রতিদিন প্রচুর ক্রেতা ও যানবাহনের সমাগম ঘটে, যা ঈদের আগে কয়েক গুণ বেড়ে যায়। আশপাশের কলকারখানার পণ্যবাহী গাড়ির অবৈধ পার্কিং এবং অটোরিকশা-সিএনজির অনিয়ন্ত্রিত চলাচলের কারণে পুরো সড়কে এক চরম নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

নরসিংদী অংশেও মহাসড়কের সম্প্রসারণ কাজ চলমান থাকায় মাধবদী, শেখেরচর, পাঁচদোনা, ভেলানগর, ইটাখোলা ও মরজাল এলাকায় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এসব স্থানে মহাসড়কের পাশেই বাস স্টপেজ এবং কাঁচাবাজার বসেছে। অন্যদিকে, আশুগঞ্জ-আখাউড়া স্থলবন্দর সড়কের নির্মাণকাজ চলার কারণে আশুগঞ্জ থেকে সরাইল বিশ্বরোড পর্যন্ত প্রায় ১১ কিলোমিটার অংশে দীর্ঘ যানজট লেগেই থাকছে। হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে তার প্রয়োগ খুব একটা চোখে পড়ে না।

প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি এবং বাস্তবতা

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) এবং হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতি বছরই ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। এবারও বলা হয়েছে যে, ঈদের আগেই মহাসড়কের খানাখন্দ মেরামত করা হবে, বিকল যানবাহন সরাতে রেকার প্রস্তুত থাকবে এবং মহাসড়কের ওপর কোনোভাবেই পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না। গত বছর কোরবানির ঈদে সারা দেশের মহাসড়কের পাশে ২০০টির বেশি পশুর হাট বসেছিল, যা ঈদযাত্রাকে নরকযন্ত্রণায় পরিণত করেছিল। এবার সরকার কঠোর অবস্থানে থাকলেও স্থানীয় প্রভাবশালীদের কারণে শেষ পর্যন্ত মহাসড়ক পশুর হাটের দখলমুক্ত রাখা যাবে কি না, তা নিয়ে খোদ সংশ্লিষ্ট মহলেই সংশয় রয়েছে। এছাড়া ফিটনেসবিহীন লক্কড়ঝক্কড় যান চলাচল বন্ধ করা এবং উল্টো পথে গাড়ি চালানো রোধ করতে হাইওয়ে পুলিশকে আরও কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে।

ঈদের আনন্দ আপনজনদের সাথে ভাগ করে নিতে ঘরমুখী মানুষের এই স্রোত কোনো বাধাই মানবে না। কিন্তু চার মহাসড়কের এই চার ধরনের সমস্যা যদি দ্রুততম সময়ে সমাধান বা নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, তবে এই যাত্রা চরম দুর্ভোগে পরিণত হবে। সরকারের সড়ক মেরামতকারী সংস্থাগুলো, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সমন্বিত ও আন্তরিক উদ্যোগ ছাড়া এই বিশাল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা অসম্ভব। একই সাথে যাত্রীদেরও সচেতন হতে হবে, উল্টো পথে গাড়ি চলাচলে চালককে বাধা দিতে হবে এবং হাতে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে যাত্রা শুরু করতে হবে। তবেই হয়তো মহাসড়কের এই মহাদুর্ভোগ কিছুটা হলেও প্রশমিত হবে এবং মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে।

তথ্যসূত্র: সমকাল


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category