• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন

পড়াশোনায় স্মার্টফোন ব্যবহার মাত্র ১৮.৩৩ শতাংশ: ৫৬% শিশুর স্ক্রিন টাইম অভিভাবকের নজরদারির বাইরে

Reporter Name / ৫ Time View
Update : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বর্তমান সময়ে শিশুদের হাতে স্মার্টফোন তুলে দেওয়া যেন এক অলিখিত ও সর্বজনীন নিয়মে পরিণত হয়েছে| একসময় যে খোলা মাঠে শিশুদের কোলাহল আর আনন্দময় দৌড়ঝাঁপ ছিল, আজ তাদের শৈশব চারকোনা স্ক্রিনের সেই মায়াবী নীল আলোয় সম্পূর্ণ বন্দি হয়ে পড়েছে| অনেক বাবা-মা নিজেদের সন্তানকে শান্ত রাখতে বা খাওয়ানোর সুবিধার্থে খুব ছোটবেলা থেকেই তাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন এই ডিজিটাল ডিভাইস| কিন্তু একটু একটু করে গড়ে ওঠা এই নির্দোষ অভ্যাসই যে শিশুদের জন্য এক ভয়ংকর ডিজিটাল মাদকে পরিণত হচ্ছে, তা সমাজ ও পরিবারের অনেকেই উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হচ্ছেন| সাম্প্রতিক এক অত্যন্ত উদ্বেগজনক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দেশের স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের মাত্র ১৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ তাদের স্মার্টফোনটি প্রকৃত পড়াশোনার কাজে ব্যবহার করে| বাকি বিশাল অংশের শিক্ষার্থীরা মূলত বিনোদন, গেমস এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ক্রলিং করেই তাদের মহামূল্যবান সময় নষ্ট করছে| অভিভাবকের চোখের আড়ালে থাকা এই স্মার্টফোন আসক্তি আজ শুধু শিশুর পড়াশোনাই ধ্বংস করছে না, বরং তাদের শারীরিক বৃদ্ধি, মানসিক বিকাশ এবং সামাজিক মূল্যবোধকেও চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে|
স্মার্টফোন কীভাবে একটি শিশুর স্বাভাবিক ও আনন্দময় জীবনকে সম্পূর্ণ পাল্টে দেয়, তার এক জ্বলন্ত উদাহরণ হলো মুন্সীগঞ্জের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাহিম ইসলামের (ছদ্মনাম) ঘটনা| প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময় ফাহিম সব সময় ক্লাসের প্রথম সারির একজন মেধাবী ছাত্র ছিল এবং পড়াশোনায় তার ছিল প্রবল আগ্রহ| কিন্তু ষষ্ঠ শ্রেণিতে ওঠার পর তাকে পড়াশোনার সুবিধার্থে একটি স্মার্টফোন কিনে দেওয়া হয়, আর এরপর থেকেই তার জীবনে এক আমূল নেতিবাচক পরিবর্তন আসতে শুরু করে| ফাহিম এখন দিনের একটা বিশাল ও গুরুত্বপূর্ণ সময় স্মার্টফোনে গেমস খেলে পার করে দেয়, যার ফলে তার একাডেমিক ফলাফল চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে| পরিবারের সদস্যরা যখনই তাকে অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন, তখনই সে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং অত্যন্ত বিরূপ ও উগ্র আচরণ করে| ফাহিমের মায়ের আক্ষেপ, পড়াশোনার জন্য দেওয়া ফোনটি এখন ফাহিমকে বাইরের জগৎ, খেলাধুলা এমনকি সমবয়সী বন্ধুদের সাথে মেলামেশা থেকেও সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে| সে এখন একা একা অন্ধকার ঘরে শুধু স্মার্টফোন নিয়ে থাকতেই সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে, যা তার মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির এক স্পষ্ট ইঙ্গিত|
ফাহিমের এই করুণ অবস্থা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি দেশের লাখ লাখ শিশু-কিশোরের বর্তমান ভয়ংকর বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি| ‘সুপারভাইজড অ্যান্ড আনসুপারভাইজড স্ক্রিন টাইম অ্যান্ড ইটস অ্যাসোসিয়েশন উইথ ফিজিক্যাল, মেন্টাল অ্যান্ড সোশ্যাল হেলথ অব স্কুল-গোয়িং চিলড্রেন ইন ঢাকা, বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক বিস্তৃত গবেষণায় এই ভয়াল চিত্র সুস্পষ্টভাবে উঠে এসেছে| ২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ছয়টি স্কুলের ৪২০ জন শিক্ষার্থীর ওপর নিবিড়ভাবে পরিচালিত এই গবেষণায় দেখা যায়, শিশুরা প্রতিদিন গড়ে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা স্মার্টফোনের স্ক্রিনে সময় কাটাচ্ছে| এর ফলে ২৮ দশমিক ৩ শতাংশ শিশুর মধ্যে নানাবিধ মারাত্মক আচরণগত সমস্যা দেখা দিয়েছে এবং ৩১ শতাংশ শিশু অন্তত একটি মানসিক সমস্যায় ভুগছে| চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, স্মার্টফোনের রঙিন পর্দার বিনোদন শিশুদের মস্তিষ্কে ডোপামিন নামক রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে, যা নেশাজাতীয় দ্রব্যের মতোই এক তীব্র আনন্দের অনুভূতি ও ভয়ংকর আসক্তি তৈরি করে| এই তীব্র আসক্তির কারণেই ৬৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থী জানিয়েছে যে পড়াশোনায় তাদের মনোযোগ মারাত্মকভাবে কমে গেছে এবং ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের পরীক্ষার ফলাফল আগের চেয়ে খারাপ হওয়ার কথা অকপটে স্বীকার করেছে|
অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে শিশুদের মহামূল্যবান শারীরিক স্বাস্থ্যও আজ চরম হুমকির মুখে এসে দাঁড়িয়েছে| ওই গবেষণার প্রাপ্ত তথ্যমতে, মোবাইল ব্যবহারকারী স্কুলপড়ুয়া শিশুদের ৯৩ দশমিক ১ শতাংশ ঝাপসা দৃষ্টির সমস্যায়, ৮০ শতাংশ মাথাব্যথায়, ৩৫ দশমিক ৭ শতাংশ অন্যান্য চোখের জটিলতায় এবং ৪৫ দশমিক ৭ শতাংশ ঘাড় ব্যথায় প্রতিনিয়ত ভুগছে| এর পাশাপাশি প্রায় ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী তীব্র অনিদ্রা বা ঘুমের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার কথা উল্লেখ করেছে| জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভিট্রও-রেটিনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. জাকিয়া সুলতানা নিলা জানিয়েছেন যে, সারাদিন মোবাইলের স্ক্রিনে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকার কারণে শিশুদের প্রধানত দৃষ্টিস্বল্পতা এবং চোখ শুষ্ক হয়ে যাওয়ার মতো জটিল রোগ দেখা দিচ্ছে| চোখ শুকিয়ে গেলে বারবার চোখ পিটপিট করতে হয় এবং চোখে এক ধরনের অস্বস্তিকর খচখচ অনুভূতি তৈরি হয়| অন্যদিকে ইনসাফ বারাকাহ কিডনি ও জেনারেল হাসপাতালের স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্ট কৌশিক আহাম্মেদ কবির সতর্ক করে বলেছেন যে, যেসব শিশু খুব ছোটবেলা থেকে স্ক্রিনে আসক্ত, তাদের সঠিক সময়ে কথা বলা এবং পারস্পরিক যোগাযোগ দক্ষতা মারাত্নকভাবে ব্যাহত হচ্ছে| ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রিনে ব্যস্ত থাকার কারণে শিশুদের সামাজিকীকরণ, বাস্তব খেলাধুলায় অংশগ্রহণ এবং অন্যের সাথে কথা বলার স্বাভাবিক অনুশীলন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যা তাদের শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ও খিটখিটে মেজাজের অধিকারী করে তুলছে|
সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয় হলো, স্মার্টফোনের এই অবাধ ও অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার শিশু-কিশোরদের সাইবার অপরাধ এবং কিশোর গ্যাংয়ের মতো ভয়ংকর অপরাধ জগতের সাথে সরাসরি যুক্ত করছে| গবেষণার তথ্য বলছে, দেশের প্রায় ৫৬ শতাংশ শিশু-কিশোরই তাদের অভিভাবকদের সম্পূর্ণ নজরদারির বাইরে থেকে ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন ব্যবহার করে| সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভয়ংকর সব কিশোর গ্যাং গড়ে উঠেছে| এর সবচেয়ে মর্মান্তিক ও ভয়াল দৃষ্টান্ত হলো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ১৩ বছর বয়সী একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের হৃদয়বিদারক ঘটনা| গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে ছবি তোলার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছিল কিশোর অপ্রতিম| পরদিন লালমাই পাহাড়ের পাদদেশ থেকে তার ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ| চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে জানা যায়, আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই টিকটককেন্দ্রিক এক কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে| ওই ঘাতকদের বয়স ছিল মাত্র ১৫ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সূত্রেই তাদের সাথে অপ্রতিমের প্রাথমিক পরিচয় হয়েছিল|
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বশেষ ও হালনাগাদ হিসাব অনুযায়ী, কিশোর অপরাধের এই ভয়াল থাবা এখন আর দেশের কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ নেই| বর্তমানে ঢাকাসহ সারা দেশে ৩৮৬টি দুর্ধর্ষ কিশোর গ্যাং অত্যন্ত সক্রিয় রয়েছে, যাদের মোট সদস্য সংখ্যা অন্তত ৪ হাজার ২৫০ জন| এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গ্যাং রয়েছে খোদ রাজধানী ঢাকা মহানগরে, যেখানে ১৫৯টি গ্যাংয়ের সাথে ১ হাজার ৮১২ জন কিশোর সরাসরি জড়িত| এছাড়া বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ৯৮টি, সিলেটে ১৫টি, রাজশাহী ও গাজীপুরে ১৩টি করে এবং খুলনায় ৭টি গ্যাংয়ের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে| ঢাকার বাইরের অন্যান্য জেলাগুলোতেও আরও ২২৭টি গ্যাং দাপিয়ে বেড়াচ্ছে| এই গ্যাংগুলোর বিপথগামী সদস্যরা টিকটক বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া হিরোইজম দেখাতে গিয়ে ছিনতাই, সশস্ত্র হামলা, মাদক সেবন ও ব্যবসাসহ নানাবিধ চরম সহিংস অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে| ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম সোহাগের মতে, শিশুরা মোবাইল স্ক্রিনে যা দেখে, বাস্তব জীবনে তারা ঠিক তা-ই অন্ধভাবে অনুকরণ করতে চায়| রিলস বা ভিডিওতে দেখা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে তারা একপর্যায়ে স্বাভাবিক বলে মনে করতে শুরু করে এবং সামাজিক নীতি-নৈতিকতার গণ্ডি পেরিয়ে চরম সহিংসতার দিকে ধাবিত হয়|
শিশুদের এই সর্বনাশা ডিজিটাল আসক্তির পেছনে আমাদের ত্রুটিপূর্ণ নগর পরিকল্পনা এবং বিকল্প সুস্থ বিনোদনের চরম অভাবকে সরাসরি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবিদ ও বিশ্লেষকরা| ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. আদিল মুহাম্মদ খান অত্যন্ত আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন যে, আমাদের বর্তমান নগর অবকাঠামোতে শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত ও নিরাপদ খেলার মাঠ নেই| এমনকি অনেক স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাতেও খোলা জায়গার চরম সংকট রয়েছে| আমাদের এই ভ্রান্ত ও অপরিকল্পিত নগরনীতি শিশুদের ক্রমশ মাঠবিমুখ করে মূলত একটি সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন ও মানসিকভাবে বিকলাঙ্গ প্রজন্ম তৈরি করছে| এই গভীর সংকট অনুধাবন করে বিশ্বের অনেক উন্নত দেশই এখন কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে| ইউনেস্কোর তথ্যমতে, বর্তমানে বিশ্বের অন্তত ১১৪টি দেশ তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর সম্পূর্ণ আইনি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, যা বিশ্বের মোট দেশের প্রায় ৫৮ শতাংশ| অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলো শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বয়সসীমা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করার যুগান্তকারী নীতি গ্রহণ করেছে বা করার চূড়ান্ত প্রক্রিয়ায় রয়েছে|
বাংলাদেশের শিশু-কিশোরদের শারীরিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় এখনই এ ধরনের কঠোর, সময়োপযোগী ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই| ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. এ কে এম রেজাউল করিম মনে করেন, বর্তমান ডিজিটাল যুগে প্রযুক্তিকে শিক্ষাব্যবস্থা থেকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়তো কোনো দীর্ঘমেয়াদি বা বাস্তবসম্মত সমাধান নয়, তবে এর ইতিবাচক ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার নিশ্চিত করা একান্ত জরুরি| এর জন্য রাষ্ট্রযন্ত্রের পক্ষ থেকে ইন্টারনেটে অনিয়ন্ত্রিত ও ক্ষতিকর কনটেন্টের প্রচার বন্ধে নীতিমালা তৈরি করার পাশাপাশি বয়সভিত্তিক কনটেন্ট ফিল্টারিং বা নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে| পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সম্মিলিতভাবে শিশুদের জন্য খেলার মাঠ ও বিকল্প সুস্থ বিনোদনের পর্যাপ্ত সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে| বাবা-মায়েদের অবশ্যই সন্তানদের স্ক্রিন টাইমের ওপর কড়া নজরদারি রাখতে হবে এবং তাদের সাথে প্রতিদিন গুণগত সময় কাটাতে হবে| একটি শিশুর সুস্থ, স্বাভাবিক ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হলে তাকে স্মার্টফোনের এই মায়াবী কিন্তু ধ্বংসাত্মক নীল আলো থেকে বের করে এনে মুক্ত পৃথিবীর সবুজ আলোয় ফিরিয়ে আনার এখনই সবচেয়ে উপযুক্ত সময়|
তথ্যসূত্র: আজকের পত্রিকা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category