• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ন
Headline
মুক্তবুদ্ধির চর্চাকেন্দ্র নাকি মতাদর্শের কারাগার: উচ্চশিক্ষালয়ে ক্রমবর্ধমান দমনপীড়ন ও সংকটের স্বরূপ বাই দ্য রিভারস অব ব্যাবিলন – ২ ইসরায়েলে আরও একটি প্যাট্রিয়ট পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র সাত বছরে ছয় নির্বাচন, কেন থিতু হতে পারছে না ইসরায়েল? ৫৫ বছরে সবজির দাম স্থিতিশীল রাখতে উদ্যোগ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যখাতে আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাপক লুটপাট করেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই : ইসি সচিব ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমন ৭ দিনের রিমান্ডে আগামীতে স্কুল-মাদ্রাসায় একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী ঢাকা শহরে পদ্মা থেকে ১০০ কোটি লিটার পানি সরবরাহের নতুন প্রকল্প

বন্যায় এ পর্যন্ত ৫৬ জন মারা গেছেন: ত্রাণমন্ত্রী

Reporter Name / ৭৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের আটটি জেলা বন্যাকবলিত হয়েছে। এসব জেলায় ৫৯টি উপজেলার ৩৬৮টি ইউনিয়ন ও ১২টি পৌরসভার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো মূল্যায়ন করে যতটুকু পেয়েছি, সেটা হচ্ছে— ৬ লাখ ৯৪১টি পরিবার। এপর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৫৬ জনের। তার বেশিরভাগ মারা গেছেন পাহাড়ি ধসের কারণে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সচিবালয়ে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।

ত্রাণমন্ত্রী জানান, এক কোটি ৭৫ লাখ টাকা আমরা তাৎক্ষণিক বরাদ্দ দিয়েছি। ৩ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, শুকনা খাবার দেওয়া হয়েছে এবং এর বাইরে প্রধানমন্ত্রী তার ত্রাণভাণ্ডার থেকে প্রত্যেক জেলায় ২০ লাখ টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ দিয়েছেন এবং এই কার্যক্রমগুলো, যেগুলো আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে— সেগুলোতে আমাদের তৈরি খাবার দেওয়া হচ্ছে, শুকনা খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। উদ্ধার কাজের জন্য সেনাবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ডকে আমরা নিয়োজিত করেছি। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে জরুরি ভিত্তিতে স্পিডবোট এবং রাবার বোট আমরা পাঠিয়েছি, তাদের উদ্ধার কাজ পরিচালনা করার জন্য।

মন্ত্রী বলেন, আমার মনে হয়, আজকের যে গুরুপূরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেখানে সরকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের জন্য।

মন্ত্রী জানান, রাস্তাঘাট যেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সড়ক জনপদ সেটা মেরামত করবে অল্প সময়ের মধ্যে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যেসব সড়ক সেটা তারা মেরামত করবে। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে যদি কাঁচা সড়ক থেকে থাকে, সেগুলোকে দ্রুত মেরামত করববো এবং খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে জরুরি ভিত্তিতে এসব জায়গাগুলোতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি থাকবে। আমার মনে হয়, এ অবস্থা চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রামের আশেপাশে যেটি এ বছরের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। সে কারণে সরকার সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে একাধিকবার বৈঠক করেছেন কর্মকর্তাদের সঙ্গে, বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে এবং জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে। ওনার নির্দেশনায় আমি বুধবার থেকে ব্যাপকভাবে ওই এলাকাগুলো সফর করবো। আজকে আমি চট্টগ্রাম যাচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category