• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন
Headline
মুক্তবুদ্ধির চর্চাকেন্দ্র নাকি মতাদর্শের কারাগার: উচ্চশিক্ষালয়ে ক্রমবর্ধমান দমনপীড়ন ও সংকটের স্বরূপ বাই দ্য রিভারস অব ব্যাবিলন – ২ ইসরায়েলে আরও একটি প্যাট্রিয়ট পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র সাত বছরে ছয় নির্বাচন, কেন থিতু হতে পারছে না ইসরায়েল? ৫৫ বছরে সবজির দাম স্থিতিশীল রাখতে উদ্যোগ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যখাতে আওয়ামী লীগ সরকার ব্যাপক লুটপাট করেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও উপ-নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই : ইসি সচিব ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমন ৭ দিনের রিমান্ডে আগামীতে স্কুল-মাদ্রাসায় একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী ঢাকা শহরে পদ্মা থেকে ১০০ কোটি লিটার পানি সরবরাহের নতুন প্রকল্প

বার্নলির মাঠে বর্ণবাদী আচরণের শিকার হলেন হামজা

Reporter Name / ২১২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৫

প্রিমিয়ার লিগে সরাসরি উন্নীত হওয়ার স্বপ্ন সোমবার রাতে শেষ হয়ে গেছে শেফিল্ড ইউনাইটেডের। তবে এই ম্যাচ শেষে ঘটে গেছে অপ্রীতিকর ঘটনা। টার্ফ মুরে বার্নলির সমর্থকরা বর্ণবাদী আচরণের শিকার বানিয়েছেন হামজা চৌধুরীকে।

জয়ের পর বার্নলি ভক্তরা মাঠে ঢুকে উদযাপন শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খেলায় পুরো ৯০ মিনিট খেলা বাংলাদেশি মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীর দিকে এগিয়ে যান একাধিক দর্শক। এক পর্যায়ে একজন সমর্থকের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এরপর তাকে ক্লাব কর্মকর্তারা ও নিরাপত্তাকর্মীরা টানাহেঁচড়া করে টানেলে নিয়ে যান।

হামজার অভিযোগ, বার্নলি ভক্তদের কাছ থেকে তিনি বর্ণবাদী গালিগালাজের শিকার হয়েছেন। স্কাই স্পোর্টসের ফুটেজে দেখা যায়, এক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে সরিয়ে দিচ্ছেন এবং পরে তাকে টানেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

ম্যাচ শেষে শেফিল্ড ইউনাইটেডের কোচ ক্রিস ওয়াইল্ডার বলেন, ‘আমরা রেফারিকে আগেই বলেছিলাম যে ম্যাচ শেষে আমাদের চারপাশে নিরাপত্তাকর্মী থাকবে। কিন্তু তারা যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেল। তারা সেখানে একেবারেই ছিলেন না।’

হামজা বা শেফিল্ডের অন্য খেলোয়াড়দেরকে কী বলেছিলেন মাঠে নেমে আসা বার্নলি সমর্থকরা? তা পরিষ্কার না জানলেও ওয়াইল্ডার জানালেন, তারা খুব প্রীতিকর কিছু বলতে আসেননি সেখানে। তিনি বলেন, ‘শেষদিকে খুব ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। লোকজন এসে যা খুশি বলছিল, করছিল। কেউ এসে হাত মেলানোর জন্য আসেনি, এটুকু বলতে পারি।’

ওয়াইল্ডার বলেন, ‘দর্শকদের আবেগ বোঝা যায়। কিন্তু আমাদের ক্লাব ও নিরাপত্তা কর্মীরা আমাদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে। রেফারিকেও বলেছি বিষয়টা। যখন ৪০-৫০ জন লোক তোমার দিকে ধেয়ে আসে, তখন মাঠ থেকে বেরিয়ে আসা সহজ নয়।’

শেফিল্ড ইউনাইটেড ইতিমধ্যেই এই মৌসুমে খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ার কারণে কয়েকবার জরিমানার মুখে পড়েছে। এখন দেখা হবে, রেফারি তার রিপোর্টে এই ঘটনাটি উল্লেখ করেন কিনা। করলে, ক্লাবটি ঘটনার জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার অভাবকে দায়ী করতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category