রবিবার জাপানের কাওয়াসাকি জুকো স্টেডিয়ামে এই ঐতিহাসিক ম্যাচ দিয়েই এশিয়ান গেমসের মঞ্চে প্রথমবারের মতো পদার্পণ করে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। তবে অভিষেকের দিনটি স্মরণে রাখার মতো কিছু ছিল না, উল্টো চীনের আক্রমণাত্মক খেলার সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। ম্যাচের প্রতি কোয়ার্টারেই গোল উৎসবে মেতে ওঠে স্বাগতিক চীন।
খেলার ৪ মিনিট থেকে শুরু করে ৫৭ মিনিট পর্যন্ত কেবল বল জালে জড়ানোর দৃশ্যই দেখেছে বাংলাদেশ। ম্যাচের শুরু থেকেই একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে খেলে চীন। দলটির হয়ে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করেন ঝোং জিয়াছি (৪, ১৩ ও ২৯ মিনিট)। এ ছাড়া জোড়া গোল করেন চেন ইয়াং (১২ ও ১৮ মিনিট), জোউ মেইরং (৩৮ ও ৫১ মিনিট) এবং চেন ই (৪১ ও ৫৭ মিনিট)।
পুরো ম্যাচে চীন একের পর এক আক্রমণ সাজালেও বাংলাদেশ কোনো প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেনি। এমনকি একটি সান্ত্বনাসূচক গোল পরিশোধ করার সুযোগও তৈরি করতে পারেনি টাইগ্রেসরা। খেলার শেষ দিকে (৬০ মিনিটে) উল্টো হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন বাংলাদেশের কণা আক্তার।
১২ দলের এই টুর্নামেন্টে ‘পুল এ’-তে থাকা বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল সোমবার, শক্তিশালী মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে।
উল্লেখ্য, এবারের এশিয়ান গেমস নারী হকি শুধু পদকের লড়াই নয়, এটি ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকের টিকিট পাওয়ারও মঞ্চ। গোল্ড মেডেলজয়ী দল সরাসরি অলিম্পিকে খেলার ছাড়পত্র পাবে, আর দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম স্থানে শেষ করা দলগুলো খেলার সুযোগ পাবে এফআইএইচ অলিম্পিক বাছাই টুর্নামেন্টে।