• বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪০ অপরাহ্ন
Headline
এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যা, সেই মামা ওবায়দুর কারাগারে সাবেক ৭ এমপির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা, ৩ জনকে সম্পদ বিবরণীর নোটিশ মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক পোশাক খাতের সমস্যা সমাধানে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ট্রাম্পের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কুশল বিনিময় তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক: বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেলের সৌজন্য সাক্ষাৎ সমুদ্রের তলদেশে আটকা ১,৫০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ মবের শিকার হাজার শিক্ষক কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না

বিমানের বহরে যুক্ত হতে পারে ৫৪ উড়োজাহাজ: বোয়িং চুক্তির আগেই এয়ারবাসের জন্য ফ্রান্সের তাগিদ

Reporter Name / ৪ Time View
Update : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বাংলাদেশ বিমান এক ঐতিহাসিক চুক্তির দিকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে| মার্কিন উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও ১১টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার জন্য বাংলাদেশ সরকার চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে| নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বুধবার বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে এবং বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ২টা ১৫ মিনিটে এই বহুল প্রতীক্ষিত চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে| সরকারের একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও উচ্চপদস্থ সূত্র গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে যে, এই চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফরের আনুষ্ঠানিক সূচিতে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে| বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান রুমী আক্তার হোসেন এই বিশাল চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করবেন| এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীরের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে| চুক্তি স্বাক্ষরের পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে হোটেলে অবস্থান করছেন, সেই বিখ্যাত হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্কে বোয়িং গ্লোবাল-এর প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডন নেলসন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক বিশেষ সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা গেছে|

অন্যদিকে বাংলাদেশ যখন বোয়িংয়ের সঙ্গে এই বিশাল চুক্তির একেবারে দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে, ঠিক তখনই ইউরোপীয় উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের পক্ষে নিজেদের জোরালো অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে মাঠে নেমেছে ফ্রান্স| বাংলাদেশে নিযুক্ত ফরাসি রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে ঢাকায় ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর জন্য একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ এবং প্রতিযোগিতামূলক বাণিজ্য পরিবেশ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন| ঢাকায় ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এয়ারবাসের প্রস্তাবটিকে ইউরোপের সঙ্গে বাংলাদেশের বৃহত্তর ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সম্পর্কের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে তুলে ধরেন| ফরাসি রাষ্ট্রদূত অত্যন্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, এই দীর্ঘমেয়াদি ও পারস্পরিক আস্থাশীল অংশীদারত্বের কারণেই মূলত ইউরোপের কাছে এয়ারবাসের বিষয়টি এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ| তবে তিনি একই সঙ্গে এই বিষয়টিতেও জোর দেন যে, ফ্রান্স কখনোই বাংলাদেশকে ইউরোপ এবং অন্যান্য উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নেওয়ার জন্য কোনো ধরনের অন্যায্য চাপ প্রয়োগ করছে না| এমনকি বাংলাদেশ বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ নিয়ে তাদের চুক্তি বা কার্যক্রম সামনের দিকে এগিয়ে নিলেও তাতে ফ্রান্স বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো আপত্তি বা গভীর উদ্বেগ নেই| কারণ, ফ্রান্সের সরকার বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন কখনোই কোনো অযাচিত বা জবরদস্তিমূলক চাপের ওপর ভিত্তি করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নির্মাণের নীতিতে বিশ্বাস করে না|

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বর্তমানে ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকেও ১০টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে অত্যন্ত নিবিড়ভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে| এই ১০টি উড়োজাহাজের মধ্যে রয়েছে চারটি এ৩৫০-৯০০ এবং ছয়টি এ৩২১নিও মডেলের অত্যাধুনিক বিমান| আলোচনা সংশ্লিষ্ট একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে যে, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই এয়ারবাসের সঙ্গে এই মেগা চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে পারে| এই বিশাল মাপের চুক্তির বিষয়ে ফরাসি রাষ্ট্রদূত সেরে-শার্লে বলেন, এ ধরনের বৃহৎ আকারের বাণিজ্যিক আলোচনা সম্পন্ন হতে বেশ কিছুটা সময় লাগাটাই স্বাভাবিক এবং যৌক্তিক| এই ধরনের চুক্তি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সম্পন্ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া বা চুক্তির স্বচ্ছতা নিয়ে কেউ কোনো ধরনের প্রশ্ন বা বিতর্কের অবতারণা করতে না পারে| তিনি আরও নিশ্চিত করেছেন যে, এয়ারবাসের সঙ্গে বাংলাদেশ বিমানের এই দরকষাকষি ও আলোচনা এখনো অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে চলমান রয়েছে এবং তা সফলতার দিকেই এগোচ্ছে| রাষ্ট্রদূত বারবার এই বিষয়টি জোর দিয়ে বলেছেন যে, এটি সম্পূর্ণভাবে বিমান এবং এয়ারবাসের মধ্যে একটি ব্যবসায়িক ও বাণিজ্যিক লেনদেন মাত্র, এখানে বাংলাদেশ ও ফ্রান্স বা অন্য কোনো ইউরোপীয় সরকারের মধ্যকার কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ নেই| তার মতে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সম্পূর্ণ প্রযুক্তিগত ও কারিগরি দিক বিবেচনা করেই এয়ারবাসকে বেছে নিয়েছে, এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক অভিসন্ধি নেই| বিশ্বের বড় বড় এয়ারলাইন্সগুলোর মতো একাধিক প্রস্তুতকারকের উড়োজাহাজ ব্যবহার করাটা বিমানের জন্যও লাভজনক, কারণ এতে করে কোনো একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির ওপর তাদের একক নির্ভরতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকবে না|

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনা এবং সম্ভাব্য শুল্ক হুমকির মতো ভূরাজনৈতিক চাপ মোকাবিলার অংশ হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স গত এপ্রিল মাসে তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় উড়োজাহাজ ক্রয়ের ফরমায়েশটি দিয়েছিল| ওই সময় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩৭শ কোটি ডলার ব্যয়ে ১৪টি অত্যাধুনিক বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার জন্য একটি বিশাল চুক্তি সম্পন্ন হয়| এই বহুল আলোচিত চুক্তির আওতায় আটটি ৭৮৭-১০, দুটি ৭৮৭-৯ এবং চারটি ৭৩টি ম্যাক্স-৮ মডেলের উড়োজাহাজ কেনার কথা চূড়ান্ত হয়| চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে এই উড়োজাহাজগুলো বাংলাদেশ বিমানের বহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে| তবে নিউইয়র্কে যে নতুন ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হতে যাচ্ছে, তার নির্দিষ্ট মডেল, চূড়ান্ত মূল্য, অর্থায়নের রূপরেখা এবং সরবরাহের সময়সূচি সম্পর্কে এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি| এই বিষয়ে জানতে বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি|

এয়ারবাসের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমানের বহরে প্রথমবারের মতো ইউরোপীয় উড়োজাহাজ যুক্ত করার এই জোরালো প্রচেষ্টাটি ইউরোপীয় দেশগুলোর সরাসরি ও শক্তিশালী সমর্থন লাভ করেছে| গত বছর ২০২৩ সালে তৎকালীন সরকার প্রথম ইউরোপীয় প্রস্তুতকারকের কাছ থেকে উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনার কথা প্রকাশ্যে জানিয়েছিল এবং সেই অনুযায়ী এয়ারবাস বাংলাদেশ বিমানের কাছে তাদের একটি বিস্তারিত ও আকর্ষণীয় প্রস্তাব জমা দিয়েছিল| ওই বছরের ৩ মে বিমানের পরিচালনা পর্ষদ এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে যে, যেকোনো নতুন উড়োজাহাজ ক্রয়ের আগে অবশ্যই এর কারিগরি সক্ষমতা এবং আর্থিক লাভজনকতার বিষয়টি অত্যন্ত গভীরভাবে মূল্যায়ন করতে হবে| এই চুলচেরা বিশ্লেষণের জন্য তখন দুটি পৃথক কারিগরি ও আর্থিক কমিটিও গঠন করা হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়ে প্রস্তাবটি আরও নিবিড় মূল্যায়ন ও ধারাবাহিক আলোচনার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়| গত বছর থেকেই ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতরা সম্মিলিতভাবে বিমানের জন্য এয়ারবাসের পক্ষে ব্যাপক ও দৃশ্যমান প্রচারণা চালিয়ে আসছেন| চলতি মাসের শুরুর দিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারও ইউরোপীয় প্রস্তুতকারকদের জন্য বাংলাদেশে একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা সমান বাণিজ্যিক সুযোগের জোর দাবি জানিয়েছিলেন|

ডিকাব আয়োজিত মতবিনিময় সভায় ফরাসি রাষ্ট্রদূত সেরে-শার্লে বাংলাদেশ ও ইউরোপের মধ্যকার বিশাল বাণিজ্যিক সম্পর্কের পরিসংখ্যানও অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন| তিনি জানান, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক বা আরএমজি খাতের মোট রপ্তানির ৪৮ শতাংশেরও বেশি সরাসরি যায় ইউরোপের বিশাল বাজারে| এছাড়া বাংলাদেশ এবং ফ্রান্সের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ইতিমধ্যে সাড়ে ৪ বিলিয়ন বা ৪৫০ কোটি ইউরো ছাড়িয়ে গেছে| তবে তিনি এই বিষয়টিও স্মরণ করিয়ে দেন যে, এই বিশাল বাণিজ্য সম্পর্কটি মূলত বাংলাদেশের অনুকূলে রয়েছে এবং এটি প্রধানত তৈরি পোশাক শিল্পের ওপরই মাত্রাতিরিক্তভাবে নির্ভরশীল হয়ে আছে| তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের মধ্যকার এই অর্থনৈতিক সহযোগিতা আগামী দিনে শুধু তৈরি পোশাক খাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা সম্প্রসারিত হয়ে ফার্মাসিউটিক্যালস বা ওষুধ শিল্প এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির মতো সম্ভাবনাময় খাতগুলোতেও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়বে| রাষ্ট্রদূত ইউরোপের সঙ্গে বাংলাদেশের আরও গভীর বাণিজ্যিক সম্পৃক্ততার ওপর জোর দিয়ে বলেন যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইতিমধ্যে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট (এফটিএ) স্বাক্ষর করলেও, দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে এখনো এ ধরনের কোনো চুক্তি সম্পন্ন হয়নি|

বাংলাদেশ বিমানের বর্তমান বহরে সব মিলিয়ে মোট ১৯টি নিজস্ব ও ভাড়ায় চালিত উড়োজাহাজ সচল রয়েছে| যদি নিউইয়র্কে বোয়িংয়ের সঙ্গে নতুন ১১টি উড়োজাহাজ ক্রয়ের চুক্তিটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়, পাশাপাশি গত এপ্রিলে ফরমায়েশ দেওয়া ১৪টি বোয়িং যথাসময়ে দেশে এসে পৌঁছায় এবং অক্টোবরে ইউরোপীয় এয়ারবাসের সঙ্গে প্রস্তাবিত ১০টি উড়োজাহাজ ক্রয়ের মেগা চুক্তিটিও শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখে, তবে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই জাতীয় পতাকাবাহী এই সংস্থাটির বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা বিস্ময়করভাবে ৫৪টিতে গিয়ে দাঁড়াবে| এটি বাংলাদেশ বিমানের সক্ষমতা এবং আকাশপথে যোগাযোগের পরিধিকে যেমন এক অভাবনীয় উচ্চতায় নিয়ে যাবে, ঠিক তেমনি বিশ্বের দুই শীর্ষ উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারক পরাশক্তি—যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং এবং ইউরোপের এয়ারবাসকে নিজেদের বহরে যুক্ত করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বৈশ্বিক বাণিজ্যিক কূটনীতিতেও একটি অত্যন্ত সুদৃঢ় ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে|

তথ্যসূত্র:দ্য ডেইলি স্টার


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category