• বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ন
Headline
ভাতের চেয়ে তালিকার খরচ বেশি: দরিদ্র খুঁজতে ২ হাজার কোটি বিদ্যুৎ-সারে অগ্রাধিকার: গ্যাসসংকটে বন্ধের মুখে হাজারো শিল্পপ্রতিষ্ঠান ইউনিসেফের তথ্য: দেশের প্রতি দুজন মেয়ের একজনের আঠারো বছরের আগে বিয়ে হয় হাজার কোটি টাকার খনন জলে: ফের নাব্যতা সংকটে পায়রা বন্দর জেলা পর্যায়ে এনআইসিইউর অভাব, ঢাকায় এসেও শয্যার জন্য হাহাকার ইউরোপের রাজপথে অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ নীতিচাপ: ত্রিমুখী সংকটে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি খাত নীতি প্রণয়নে নির্ভুল ও হালনাগাদ তথ্যের অপরিহার্যতা মাথাব্যথার আধুনিক চিকিৎসা ডিভি লটারি ২০২৭: আবেদন শুরু হচ্ছে কবে? ১৩ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ লাখ ২৫ হাজার, আহত ১ লাখ ৭৬ হাজার

ব্যভিচার মামলায় নাসির তামিমার খালাস

Reporter Name / ১১২ Time View
Update : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে বিয়ে, ব্যভিচার ও মানহানির অভিযোগ থেকে সসম্মানে মুক্তি পেয়েছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি। বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে উল্লেখ করা হয়, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা দণ্ডবিধির অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে বাদীপক্ষ। রায় ঘোষণার সময় নাসির ও তামিমা উভয়েই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার প্রেক্ষাপট থেকে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে আদালতে এই মামলা দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়েছিল, ২০১১ সালে রাকিব ও তামিমার বিয়ে হয় এবং তাদের আট বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। পেশায় কেবিন ক্রু তামিমা তার সাথে আইনিভাবে বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান থাকা অবস্থাতেই ২০২১ সালের বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে (১৪ ফেব্রুয়ারি) ক্রিকেটার নাসিরকে বিয়ে করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই বিয়ের ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি রাকিবের নজরে আসে। নাসিরের বিরুদ্ধে তামিমাকে প্রলুব্ধ করার অভিযোগ এনে রাকিব দাবি করেন, এই অনৈতিক সম্পর্কের কারণে তিনি চরমভাবে সামাজিকভাবে মানহানি ও মানসিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন।

২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এই মামলার বিচারকাজ শুরু হয়েছিল। তবে নাসিরের শাশুড়ি সুমি আক্তারকে আদালত আগেই এই মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় আদালত মোট ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। গত ৬ মে উভয় পক্ষের চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছিল। বাদীপক্ষের আইনজীবী সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য সর্বোচ্চ সাজার দাবি জানালেও, আসামিপক্ষের আইনজীবী শুরু থেকেই প্রমাণের অভাব তুলে ধরে তাদের নির্দোষ দাবি করে আসছিলেন। চূড়ান্ত রায়ে আদালত অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস প্রদান করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category