• মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
তরমুজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরা চরফ্যাশনে ৬ হাজার ৪৩৭ একর জমিতে মালয়েশিয়ায় দুই বাংলাদেশি পেলেন ‘সিআইপি’ মর্যাদা পাঁচ বছরে প্রায় ৯ লাখ ভারতীয় নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন তফসিলে সাময়িক স্বস্তি হলেও শঙ্কা কাটেনি ব্যবসায়ীদের প্রতিক্রিয়া ইনকিলাব মঞ্চের সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশের ডাক সুদানে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী হতাহতের ঘটনায় জাতিসংঘের নিন্দা রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি পুতিন-হাসিনা বৈঠকের কিচ্ছা: ভারতে বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচারের ধুম  সারা দেশে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ, ওসমান হাদি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সালাহ রেকর্ড গড়েই কি লিভারপুল অধ্যায় ‘শেষ’ করলেন?

মিলমালিকদের চিঠি চিনির দাম কেজিতে ২৫ টাকা বাড়াতে

Reporter Name / ৩৪৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২০ জুন, ২০২৩

ঈদুল আজহার আগেই চিনির দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা বাড়িয়ে খোলা চিনি ১৪০ এবং প্যাকেটজাত চিনির দাম ১৫০ টাকা করতে চায় বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন। ২২ জুন থেকে এই বাড়তি দাম কার্যকর করা হবে।অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এদিকে ১১ মে আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম বাড়ায় দেশের বাজারে প্রতি কেজি চিনির দাম ১৬ টাকা বাড়িয়ে খোলা চিনি ১২০ এবং প্যাকেটজাত চিনির দাম ১২৫ টাকা নির্ধারণ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। কিন্তু আমদানিকারক ও খুচরা ব্যবসায়ী কেউই মানেনি ওই দর। খোলা ও প্যাকেটজাত-উভয় চিনিই বাজারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর খুচরা বাজারে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি কেজি খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা, যা এক মাস ধরে একই দামে বিক্রি হচ্ছে।

এর আগে ৬ জুন খোলা চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা এবং প্যাকেট চিনির দাম ২৫ টাকা বাড়াতে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনে চিঠি দেয় সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন। ট্যারিফ কমিশনে পাঠানো চিঠিতে আমদানিকারকরা বলেন, বিশ্ববাজার থেকে প্রতি টন অপরিশোধিত চিনি ৬৪০ থেকে ৬৫০ ডলার দিয়ে কিনতে হচ্ছে। এসব চিনি প্রসেস করে বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে। আমদানি মূল্য, ডলারের বিনিময় হার, বর্ধিত ব্যাংক সুদ, জাহাজ বিলম্বিত জরিমানা এবং স্থানীয় পরিশোধনকারী মিলগুলোর উৎপাদন খরচ বিবেচনা করে দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, আমদানিকারকরা আবেদন করলেও এখনই দাম বাড়ানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে না। আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম এবং আনুষঙ্গিক খরচ পর্যালোচনা করা হবে। এরপর প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নয়াবাজারের মুদি দোকানদার আল আমিন বলেন, চিনির দাম ফের বাড়াতে মিলমালিকরা কারসাজি করছেন। কয়েকদিন ধরে সরবরাহ আবারও কমিয়ে দিয়েছেন। সরকার প্রতি কেজি খোলা চিনির দাম ১২৫ টাকা নির্ধারণ করলেও খুচরা বাজারে ১৪০ টাকা দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। কারণ, মিল পর্যায় থেকে সরকারের আদেশ না মেনে বেশি দামে চিনি বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে পাইকারি ও খুচরা বাজারে কেজিতে ২০ টাকা বেশি দামে চিনি বিক্রি করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category