• শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
Headline
আলিয়ঁসে আজ শুরু হলো যৌথ চিত্রপ্রদর্শনী ‘ত্রিবন্ধন’ পুশ-ইন ইস্যুতে বাংলাদেশ-ভারত আলোচনা চলছে: ভারতীয় হাইকমিশনার দিল্লিতে যৌথ সংবাদ সম্মেলন ছাড়াই শেষ বিজিবি-বিএসএফ বৈঠক আকাশচুম্বী টিকিটের দাম: বিশ্বকাপের ফাঁকা গ্যালারি নিয়ে উদ্বেগ শ্রমিকের হাহাকারে মালিকদের বিপুল ভাগ্য ট্রাম্পের যুদ্ধ থামানোর সিদ্ধান্তে হতবাক নেতানিয়াহু, জানতেন না কিছুই! ট্রাম্পের নতুন মধ্যপ্রাচ্য শান্তি পরিকল্পনা ও সমঝোতার নেপথ্য কথা ইরানের সঙ্গে কাতারের গোপন আঁতাত! ফাঁস করল ওয়াশিংটন পোস্ট ছুটির দিনের বিকেলে রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি, ভোগান্তিতে পথচারী সম্মিলিত পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের আশ্বস্ত করলেন গভর্নর

সংসদ হবে জাতীয় সমস্যার সমাধানের মূল কেন্দ্রবিন্দু: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সংসদ প্রতিবেদক / ৯২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

দেড় দশকের দুঃশাসন ও ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটিয়ে যাত্রা শুরু হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, জাতীয় সংসদ হবে দেশের সব যুক্তি-তর্ক ও জাতীয় সমস্যা সমাধানের মূল কেন্দ্রবিন্দু।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে, তিনি বর্তমান পরিস্থিতির নজিরবিহীন প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে প্রবীণ রাজনীতিবিদ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে সভার সভাপতি হিসেবে প্রস্তাব করেন।

শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও গণতন্ত্রের মুক্তি

বক্তৃতার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের গভীর কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদের নির্মমতার শিকার অসংখ্য মানুষের কান্না আর হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা একটি দায়বদ্ধ সংসদ পেয়েছি। যারা গুম, খুন এবং আয়নাঘরের মতো বর্বর নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাদের সাহসিকতাতেই আজ দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে।”

খালেদা জিয়া ও জিয়াউর রহমানের দর্শন

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রদূত হিসেবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, দেশনেত্রী সংসদীয় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন, কিন্তু বিগত শাসনামলে সেই সংসদকে প্রহসনে পরিণত করা হয়েছিল। তিনি আপসহীনভাবে লড়াই করেছেন। পাশাপাশি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দর্শন উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, “ব্যক্তি বা দলের চেয়ে জনগণের স্বার্থই বড়—এটাই আমাদের মূল দর্শন।”

জাতীয় ঐক্য ও আগামীর বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, তিনি দলীয়ভাবে নির্বাচিত হলেও সংসদে সমগ্র দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। তিনি বলেন, “আমাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু একটি সার্বভৌম, নিরাপদ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রশ্নে আমাদের মধ্যে কোনো বিরোধ থাকতে পারে না।” প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তিনি সব সংসদ সদস্যের সহযোগিতা কামনা করেন।

অস্বাভাবিক পরিস্থিতির ব্যাখ্যা

বর্তমান সংসদের বিশেষ পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের জনবিরোধী কর্মকাণ্ডের ফলে সৃষ্ট জনরোষে সাবেক স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারদের কাউকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি—তারা হয় কারাগারে, নয়তো পলাতক। এই সংকটকালে ১৯৭৩ সালের নজির অনুসরণ করে প্রবীণ সদস্যের সভাপতিত্বে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলে তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category