• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন
Headline
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্বে আর কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি সওজের ৪০০ স্থাপনায় বসছে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল রুফটপ সোলারে অর্থায়নে ইডকল ও সরকারের মধ্যে ৫০০ কোটি টাকার ঋণচুক্তি জাল সনদ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চায় এপিইউবি ৩২৯ কোটি টাকা বরাদ্দ পেল ২৫৩ ইউনিয়ন পরিষদ বিএনপির মুখে হচ্ছে জুলাই সনদ আর অন্তরে আ. লীগ: হাসনাত ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলো গ্রামীণ কল্যাণ সেনাসদস্যদের ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পেনশন’ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন: সাভারে প্রধানমন্ত্রী অস্ত্র উঁচিয়ে ধরার ব্যাখ্যা দিলেন ইশরাক হোসেন পিস্তল হাতে অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক, আইনের ব্যত্যয় হলে ব্যবস্থা: ডিবিপ্রধান

আজ বন্ধু দিবস

Reporter Name / ৬৮ Time View
Update : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

আগস্টের প্রথম রোববার (২ আগস্ট) বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বন্ধু দিবস। দিনটি শুধু শুভেচ্ছা বিনিময় বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি পোস্ট করার নয়; অনেকের কাছে এটি পুরোনো বন্ধুত্বকে নতুন করে খুঁজে পাওয়ার উপলক্ষ।

যোগাযোগের অসংখ্য মাধ্যম থাকলেও সময়, ব্যস্ততা, কর্মজীবন, স্থান পরিবর্তন কিংবা ব্যক্তিগত দূরত্বের কারণে অনেক বন্ধুই হারিয়ে যায় জীবনের পথচলায়।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, শৈশব ও কৈশোরের বন্ধুত্ব মানুষের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দীর্ঘ সময় যোগাযোগ না থাকলেও প্রকৃত বন্ধুর সঙ্গে দেখা হলে আগের আন্তরিকতা ফিরে আসতে বেশি সময় লাগে না।

বন্ধু দিবসের ধারণার শুরু প্রায় এক শতাব্দী আগে। ১৯৩০ সালে মার্কিন প্রতিষ্ঠান হলমার্ক কার্ডসের প্রতিষ্ঠাতা জয়েস হল বন্ধুদের সম্মান জানাতে একটি বিশেষ দিন পালনের ধারণা দেন। ১৯৫৮ সালে প্যারাগুয়ের চিকিৎসক ড. রামোন আর্তেমিও ব্রাচো ওয়ার্ল্ড ফ্রেন্ডশিপ ক্রুসেড প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১১ সালে জাতিসংঘ ৩০ জুলাইকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। তবে বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অনেক দেশে দীর্ঘদিন ধরেই আগস্টের প্রথম রোববার বন্ধু দিবস হিসেবে উদযাপিত হচ্ছে।

সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, বন্ধুত্ব শুধু আবেগের বিষয় নয়; এটি মানুষের মানসিক সুস্থতা, আত্মবিশ্বাস ও সামাজিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করে। বন্ধুদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বিষণ্নতা কমাতে এবং মানসিক চাপ মোকাবিলায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

বন্ধু দিবসে চাইলে পুরোনো কোনো বন্ধুর সঙ্গে আবার যোগাযোগ শুরু করা যেতে পারে। এজন্য স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই গ্রুপে খোঁজ নিন। পারস্পরিক পরিচিত বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। পুরোনো ফোন নম্বর, ই-মেইল বা ডায়েরি ঘেঁটে দেখুন। অহংকার না করে একটি ছোট বার্তা পাঠান, ‘কেমন আছিস? অনেক দিন কথা হয়নি’। একটি আন্তরিক বার্তাই হয়তো বহু বছরের দূরত্ব ঘুচিয়ে দিতে পারে।

জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পর্কগুলোর একটি হলো বন্ধুত্ব। সময়ের ব্যবধানে যোগাযোগ কমে যেতে পারে, কিন্তু আন্তরিক সম্পর্ক হারিয়ে যায় না। বন্ধু দিবসে একটি ফোনকল, একটি বার্তা কিংবা ছোট্ট শুভেচ্ছা হয়তো বহুদিনের নীরবতা ভেঙে ফিরিয়ে আনতে পারে পুরোনো বন্ধুত্বের উষ্ণতা। কারণ, সত্যিকারের বন্ধু কখনোই পুরোপুরি হারিয়ে যায় না; সে থেকে যায় স্মৃতিতে, অপেক্ষায় থাকে শুধু একটি খোঁজ নেয়ার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category