• সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
Headline
মধ্যবয়সী নারীর সংকট: ভিন্ন ভাবনা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ঐতিহাসিক চুক্তি: সমঝোতার মূল শর্তাবলি ও মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ শূন্যরেখায় ৩ দিন আটকে থাকার পর ১২ জনকে ফেরত নিল বিএসএফ অনলাইন প্রতারণা মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেফতার দেখাল আদালত স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে বিএনপির তিন মানদণ্ড, জোটবদ্ধ ভোটের চিন্তা বেনজীরের বিরুদ্ধে ৩টি গ্রেফতারি পরোয়ানা, দেশে ফিরলেই রিমান্ড চাইবে ট্রাইব্যুনাল ইসলামী ব্যাংককে আরও ২৫০০ কোটি টাকা বিশেষ ধার দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক, পর্ষদ বাতিল আদ-দ্বীন মেডিক্যালের শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আশ্বাস দেড় বছরে নতুন রোহিঙ্গা এসেছে এক লাখ ৫২ হাজার দিল্লির ঘটনায় ভারতীয় দূতকে তলব করল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আদ-দ্বীন মেডিক্যালের শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আশ্বাস

Reporter Name / ৩ Time View
Update : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

রাজধানীর আদ-দ্বীন উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের পর সেখানে অধ্যয়নরত শত শত শিক্ষার্থীর ক্লিনিক্যাল শিক্ষা ও প্র্যাকটিক্যাল প্রশিক্ষণ নিয়ে তৈরি হওয়া গভীর উদ্বেগের মধ্যে আজ কথা বলেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ দুটি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। সরকার কেবল হাসপাতালের লাইসেন্স স্থগিত বা বন্ধ করেছে, মেডিক্যাল কলেজ বন্ধ করেনি। তাই শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

সোমবার (১৫ জুন) সকালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা দেন।

কলেজ আলাদা সত্তা, প্র্যাকটিক্যালের বিকল্প ভাবা হচ্ছে

শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনের ক্ষতি হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “মেডিক্যাল কলেজ সম্পূর্ণ সেপারেট এনটিটি (আলাদা সত্তা)। আমরা কলেজকে বন্ধ করিনি, হাসপাতাল বন্ধ করেছি। তবে এটি ঠিক যে শিক্ষার্থীদের প্র্যাকটিক্যাল বা ক্লিনিক্যাল শিক্ষার জন্য একটি সচল হাসপাতালের প্রয়োজন রয়েছে। আদ-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধ হলেও দেশের অন্য যেকোনো চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান বা সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল শিক্ষার্থীদের সেই প্র্যাকটিক্যাল শেখার সুযোগ করে দিতে পারে।”

আদ-দ্বীন মেডিক্যালের ছাত্রীদের অন্য কোনো হাসপাতালের সাথে যুক্ত করে ক্লিনিক্যাল শিক্ষা চলমান রাখা হবে কি না—জানতে চাইলে মন্ত্রী আরও বলেন, “শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ ও বিশেষ প্রশিক্ষণের জন্য অন্য বিকল্প হাসপাতালের ব্যবস্থা খুব সহজেই করা যেতে পারে। আদ-দ্বীনের আশপাশে আরও অনেক মানসম্মত হাসপাতাল রয়েছে, শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়েই তাদের নিয়মিত ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করতে পারবেন।”

সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিয়ে এড়িয়ে গেলেন মন্ত্রী

তবে আদ-দ্বীন মেডিক্যালের ছাত্রীদের জন্য সরকার নিজ দায়িত্বে নির্দিষ্ট কোনো হাসপাতালের সাথে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর বা বিশেষ কোনো ব্যবস্থা করবে কি না—সাংবাদিকদের এমন সুনির্দিষ্ট প্রশ্নের সরাসরি জবাব দিতে অস্বীকৃতি জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি কিছুটা এড়িয়ে গিয়ে বলেন, “আমরা শুধু হাসপাতালটির লাইসেন্স বন্ধ করেছি। এই মুহূর্তে এর বাইরে অন্য কোনো বিষয়ে আমি অতিরিক্ত কথা বলতে রাজি নই, সরি।”

স্বাস্থ্যসেবায় অনিয়ম করলে কঠোর শাস্তি

মেডিক্যাল কলেজের হাসপাতাল শাখার লাইসেন্স বাতিলের কারণ স্পষ্ট করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সাধারণ মানুষের সঠিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। স্বাস্থ্য খাতের বাণিজ্যিকীকরণ এবং সেবার নামে কেউ অনিয়ম বা রোগীদের সাথে প্রতারণা করলে তার বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি অনুসরণ করা হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আমরা দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করতে চাই। সেখানে আমি বা আপনি, কিংবা যেকোনো প্রভাবশালী ব্যক্তিই হোক না কেন—যে-ই চিকিৎসার নামে খারাপ কিছু বা অনিয়ম করবে, তার আইনানুযায়ী কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category