• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন
Headline
লবণের রাজত্বে বিপন্ন জীবন: তৃষ্ণার্ত উপকূলে এক কলস পানির যুদ্ধ অলিগলি পেরিয়ে মূল সড়কে রাজত্ব: অনিয়ন্ত্রিত যন্ত্রযানের কবলে বিপন্ন জননিরাপত্তা ও অর্থনীতি পাম্পে হাহাকার, অথচ উপচে পড়ছে ডিপো: দেশীয় প্রতিষ্ঠানের অকটেন নিচ্ছে না সরকার মাঠে অরক্ষিত কৃষক: বজ্রপাত রোধের কোটি টাকার প্রকল্পগুলো গেল কোথায়? বাবার হাজার কোটি টাকায় মোহ নেই, লন্ডনে সাধারণ চাকরি করেন অক্ষয়-পুত্র প্রধানমন্ত্রী ও জাইমা রহমানকে বাফুফেতে আমন্ত্রণ জানালেন অধিনায়ক আফিদা হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে কাল থেকে সারা দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু আ. লীগকেও পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত: রাশেদ খান জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে আইএমএফের শর্তের কোনো সম্পর্ক নেই: অর্থমন্ত্রী সংসদে সরকারি দলের এমপিদের অঙ্গভঙ্গি: তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জামায়াত আমিরের

ইরান ইস্যুতে পারমাণবিক দেশগুলোকে সন্দেহ যুক্তরাষ্ট্রের

Reporter Name / ৩১ Time View
Update : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬

চলমান যুদ্ধে ইরানের অপ্রত্যাশিত সামরিক প্রতিরোধ ও কৌশলগত সক্ষমতা দেখে যুক্তরাষ্ট্র সন্দেহ করছে যে, পাকিস্তান, রাশিয়া, চীন বা উত্তর কোরিয়ার মতো পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলো তেহরানকে গোপনে সহায়তা দিচ্ছে। মার্কিন রাজনীতি ও গোয়েন্দা মহলে এই শঙ্কা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে যে, আন্তর্জাতিক চরম নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও বিদেশি শক্তির মদত ছাড়া ইরানের পক্ষে দীর্ঘ সময় ধরে এমন লড়াই চালিয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব।

সম্প্রতি মার্কিন রাজনীতিক তুলসী গ্যাবার্ড মন্তব্য করেছেন যে, ইরান সম্ভবত প্রতিবেশী পাকিস্তানের কাছ থেকে সহায়তা পাচ্ছে। এর আগে মার্কিন প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায় থেকে রাশিয়া, চীন এবং উত্তর কোরিয়ার দিকেও অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছিল। মূলত যুদ্ধে ইরানের উন্নত ড্রোন, নিখুঁত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দেখেই এসব দেশের সম্পৃক্ততার সন্দেহ করা হচ্ছে।

পারমাণবিক শক্তিধর এই দেশগুলোকে সন্দেহ করার পেছনে বেশ কিছু ভূ-রাজনৈতিক ও কৌশলগত কারণ রয়েছে। প্রথমত, বছরের পর বছর ধরে কঠোর অর্থনৈতিক ও সামরিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে থাকা একটি দেশের পক্ষে নিজস্ব প্রযুক্তি ও রসদ দিয়ে পরাশক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া বেশ কঠিন। যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা, এই দেশগুলো বিশ্বমঞ্চে নিজেদের কৌশলগত স্বার্থ হাসিল করতে এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রভাব ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে ইরানকে অস্ত্র, প্রযুক্তি অথবা গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সাহায্য করছে।

এছাড়া, এই দেশগুলোর সাথে ইরানের পূর্বের সম্পর্কও মার্কিন সন্দেহের একটি বড় কারণ। রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে ইরানের সাম্প্রতিককালের সামরিক ও কৌশলগত চুক্তিগুলো এই সন্দেহকে আরও ঘনীভূত করেছে। অন্যদিকে, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আগে থেকেই ইরানের অস্ত্র ও প্রযুক্তি বিনিময়ের ইতিহাস রয়েছে। আর পাকিস্তানের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সীমান্ত থাকায় এবং আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণের কারণে সেখান দিয়ে লজিস্টিক সহায়তার পথ খোলা থাকতে পারে বলে মার্কিন বিশ্লেষকরা মনে করছেন। সব মিলিয়ে মার্কিন প্রশাসন মনে করছে, একটি সম্মিলিত পশ্চিমা-বিরোধী বলয় ইরানকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category