• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ন
Headline
এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যা, সেই মামা ওবায়দুর কারাগারে সাবেক ৭ এমপির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা, ৩ জনকে সম্পদ বিবরণীর নোটিশ মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক পোশাক খাতের সমস্যা সমাধানে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ট্রাম্পের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কুশল বিনিময় তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক: বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেলের সৌজন্য সাক্ষাৎ সমুদ্রের তলদেশে আটকা ১,৫০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ মবের শিকার হাজার শিক্ষক কর্মস্থলে ফিরতে পারছেন না

কম দামের স্মার্টফোন আর পাওয়া যাবে না!

Reporter Name / ২২৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৪

অনেকেই সস্তায় বা সাশ্রয়ী দামে স্মার্টফোন খোঁজেন। তাদের জন্য দুঃসংবাদ। বাজারে আর মিলবে না এন্ট্রি লেভেলের স্মার্টফোন। আমাদের সমাজে একটা ধারণা তৈরি করার চেষ্টা চলছে যে, দামী স্মার্টফোন ব্যবহার করলে বেশি ‘ভ্যালু’ পাওয়া যায়। আর তাতেই বাড়ছে বিপদ।

স্মার্টফোন ব্র্যান্ড এবং রিটেইলাররা এখন বাজেট স্মার্টফোনের বদলে প্রিমিয়াম স্মার্টফোনের দিকে ঝুঁকেছেন। সস্তার ফোন ধীরে ধীরে গায়েব হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া ইএমআই এবং অন্যান্য আর্থিক বিকল্প থাকায় এন্ট্রি লেভেল স্মার্টফোনের চাহিদাও একধাক্কায় অনেকটা কমে গিয়েছে।

এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, তাহলে কী সস্তা স্মার্টফোনের গুরুত্ব কমে যাচ্ছে? বাজেট স্মার্টফোনের দিন ফুরোতে চলেছে? না কি কোম্পানিগুলো সস্তা ফোন আর প্রোমোট করতে আগ্রহী নয়। সাধারণত ৭-৮ হাজার টাকা দামের ফোনকে সস্তা বলে ধরা হয়। ১০ হাজার টাকার কমে বিক্রি হওয়া সমস্ত স্মার্টফোনই বাজেট ক্যাটেগরিতে আসে।

সাইবার মিডিয়া রিসার্চের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের রিপোর্ট অনুযায়ী, যে সব স্মার্টফোনের দাম ৭ হাজার টাকার কম, সেগুলোর চাহিদা ২৬ শতাংশ হারে কমেছে। উল্টোদিকে ৫জি স্মার্টফোনের শিপমেন্ট বেড়েছে। বিশেষ করে ১০ হাজার থেকে ১৩ হাজার টাকার মধ্যে থাকা স্মার্টফোনের চাহিদা বেড়েছে ২০০ শতাংশের বেশি। ভাবা যায়!

সাইবার মিডিয়া রিসার্চের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে যে সব স্মার্টফোনের দাম ৭ হাজার টাকার কম, সেগুলোর চাহিদা ২৬ শতাংশ হারে কমেছে। উল্টোদিকে ৫জি স্মার্টফোনের বাজার বেড়েছে।

স্মার্টফোনের চাহিদা কমার কারণ
কোভিডের সময় লকডাউন এবং চিপের ঘাটতির কারণে উৎপাদন থমকে যায়। এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে দামে। পাশাপাশি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলও ধাক্কা খেয়েছে। মুদ্রাস্ফীতির কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। ফলে কোম্পানিগুলোর সামনে দাম বাড়ানো ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না। ফলে সস্তা স্মার্টফোনের চাহিদা কমেছে, বাজারে মিলছেও কম।

দামি জিনিস মানেই ভালো জিনিস, এমন ধারণা অনেকেরই রয়েছে। সস্তা স্মার্টফোন বললে তাই অনেকেই তাই ভাবেন, জিনিসটা খুব ভালো হবে না। এটা সবচেয়ে বড় সমস্যা।

২০১০ সালের শুরুর দিকের কথা। স্মার্টফোনের বাজার তখনও ভাল করে গড়ে ওঠেনি। ব্র্যান্ডগুলো সবে ভারতে পা রাখছে, সেই সময় সস্তা ফোনের চাহিদা ছিল। এখন দামি স্মার্টফোনের চাহিদা বাড়ায় সস্তা স্মার্টফোনের পরিসর ক্রমশ কমছে। তাছাড়া এতে লাভও কম। ফলে প্রিমিয়াম ফোনের দিকেই এখন কোম্পানিগুলোর মনোযোগ বেশি।

আইফোনের অনেক দাম। কিন্তু ব্র্যান্ড আর ইমেজের জোরে রমরমিয়ে বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য কোম্পানিগুলোও এখন এই স্ট্র্যাটেজি নিচ্ছে। কিন্তু এই সেগমেন্টটিকে তো বিলুপ্ত হতে দেওয়া যায় না। সস্তা স্মার্টফোন তাই নতুন আঙ্গিকে বাজারজাত করা উচিত। বিষয়টা অন্তত ভেবে দেখুক কোম্পানিগুলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category