• বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১১ অপরাহ্ন
Headline
শিগগিরই আসছে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জেট ফুয়েলের দাম বাড়লো লিটারে ১৭ টাকা কৃত্রিম সংকট নিরসনে নতুন সার ডিলার নীতিমালা প্রণয়ন: অ্যাটর্নি জেনারেল গুলশান বারিধারার লেকই যদি ঠিক করতে না পারি সারা দেশ কিভাবে করব: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী অর্থপাচার করে বাংলাদেশে বিনিয়োগ, সুইস নাগরিকের তথ্য চাইল ইউএই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে শিশুদের সুনাগরিক হওয়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর একনেকে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন মতপার্থক্য ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি পোস্টাল ভোটিংয়ে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবে নেপাল খাতা মূল্যায়নে চরম খামখেয়ালি: শাস্তির খড়্গ আট হাজার শিক্ষকের ওপর

গুলশান বারিধারার লেকই যদি ঠিক করতে না পারি সারা দেশ কিভাবে করব: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

Reporter Name / ২ Time View
Update : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, গুলশান-বারিধারার লেকই যদি আমরা ঠিক করতে না পারি, সারা দেশ কিভাবে ঠিক করব?

বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর বনানীর একটি অভিজাত হোটেলে ‘স্মার্ট সিটি কনক্লেভ ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দেশের একটি অর্থনীতিবিষয়ক দৈনিক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

মন্ত্রী বলেন, আরবান ডেভেলপমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইউডিডি)-এর মাধ্যমে আমরা প্রথমবারের মতো প্রায় ১০ বছর মেয়াদি একটি পরিকল্পনা নিয়েছি। এ পরিকল্পনার আওতায় প্রথমে মেট্রোপলিটন সিটিগুলো নিয়ে কাজ করছি। এরপর আমাদের লার্জ সিটিগুলো থেকে শুরু করে একদম উপজেলা পর্যায়েও যেন প্রকৃত অর্থে একটি মাস্টার প্ল্যান করা যায়, তা নিয়ে কাজ করব। আমরা জোনিং করব—কোথায় কী হওয়া উচিত। সেই মাস্টার প্ল্যান ছাড়া কিন্তু আসলে কাজ করাটা অনেকটা চোখ বন্ধ করে একটা লক্ষ্য করে চারটা তীর ছোড়ার মতো। আমরা প্রিসাইজলি কাজ করতে চাচ্ছি। তার জন্যই ইউডিডিকে আমরা শক্তিশালী করছি।

তিনি বলেন, আপনার যখন এনাফ ডাটা থাকবে, তখন পরিকল্পনাটাও সঠিকভাবে করা যায়। লাস্ট যে শুমারি হয়েছে, সেটা অনেক দিন হয়ে গেছে। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের আরেকটা সঠিক শুমারি করা উচিত, যেটার ভিত্তিতে আমরা যেন প্ল্যানিংটা করতে পারি। এর মধ্যে আমরা বেশ কিছু কাজ হাতে নিয়েছি। বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরি অথরিটি আগে যেটা আমাদের চেয়ারম্যান বলে গেলেন, শুধু একজন আর্কিটেক্টের ইয়েতেই একটা প্ল্যান পাস হতো। এখন আমরা সেই চেষ্টা করছি, যেন আর্কিটেকচার, স্ট্রাকচারাল, ইলেকট্রিক্যাল প্ল্যানিং—সবকিছু মিলিয়ে আপনি প্ল্যানটা দিবেন এবং সেটা পাস হওয়ার পরে, আমরা অনুমোদন দেয়ার পরে যে বিল্ডিংটা হবে, সেটার যে অকুপেন্সি সার্টিফিকেট, সেটা পেতে হলে ওই যারা যে ডিজাইনটা করেছেন, তাদেরকে সার্টিফাই করে দেয়া হবে—যে হ্যাঁ, বিল্ডিংটা প্রপারলি তৈরি হয়েছে।

বাস্তবতা তুলে ধরে জাকারিয়া তাহের বলেন, যদি ঢাকা শহরের কথা বলি, আমাদের রাজউক এবং আমাদের গৃহায়ন বা পূর্ত মন্ত্রণালয় আন্ডারে, ধানমন্ডিসহ যে জায়গাগুলো আছে, সেগুলোতে রাজউক প্ল্যান পাশ দিচ্ছে। এর মধ্যেই এনাফ প্ল্যান ছাড়া বিল্ডিং আছে। আমরা এখন আইডেন্টিফাই করছি। দুঃখজনক হলেও শুধু গুলশান, বনানীর লেক ও হাতিরঝিল লেক নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ছয় বার আমাদের সঙ্গে মিটিং করেছেন। কিভাবে আমরা পরিবেশটাকে ঠিক করতে পারি?

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, গুলশান-বনানীতে ৪ হাজার ৩০০ বাড়িঘর আছে, এর মধ্যে বোধহয় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশে প্ল্যানিংয়ের সময় যে সেফটি ট্যাংক থাকার কথা ছিল, সোকওয়েল থাকার কথা ছিল, তারা করেনি। আমাদের নামী-দামি ডেভেলপাররা বিল্ডিং করে আসছে, সুয়ারেজটা দিয়ে দিয়েছেন স্ট্রং অর্ডারের সঙ্গে। আমরা চেষ্টা করছি সবাইকে সচেতন করতে। এ নিয়ে আমরা গুলশান, বনানী, বারিধারা সোসাইটির সঙ্গে তিন থেকে চার বার মিটিং করছি।

তিনি বলেন, আমরা সবাই কিছু না, শুধু যদি গুলশান-বারিধারা যেটা আমাদের ডিস্টিংগুইশড এরিয়া, এখানে লেকটা, পাড়টা যদি আমরা ঠিক না করতে পারি, সারা বাংলাদেশ কিভাবে ঠিক করব?

সরকারের চেষ্টা আছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের বলতে পারি, আমাদের চেষ্টা আছে। প্রধানমন্ত্রী দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। দেশের ভালোর জন্য আপনাদের যেকোনো আইডিয়া আমরা গ্রহণ করতে রাজি। আমাদের সহায়তা করুন। কোনো সাজেশন দিলে যদি আমরা মনে করি, এটা দরকার, তাহলে অবশ্যই তা এডাপ্ট করব। বেশ কয়েকটি কাজ হচ্ছে।

তিনি বলেন, গত সাত মাসের মধ্যে রাজউকের মতো আমরা নতুন আরো ছয়টি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি করেছি। এর মধ্যে রয়েছে ময়মনসিংহ, সিলেট, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, রংপুর ও বরিশাল। এর আগে আরো চারটি ছিল। পর্যায়ক্রমে আগামীতে বগুড়া নিয়েও কাজ করছি। ডেভেলপমেন্ট অথরিটি না থাকলে দেখা যায়, সিটি করপোরেশনই প্ল্যান দিচ্ছে, তারাই কাজ করছে। সেখানে চেক অ্যান্ড ব্যালান্স থাকে না। আমরা সবাইকে একটি সামগ্রিক আইনি কাঠামোর মধ্যে আনার চেষ্টা করছি।

গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, যারা এরই মধ্যে প্ল্যান ছাড়া বিল্ডিং করছেন বা প্ল্যান নিয়ে সেটার ব্যত্যয় ঘটিয়েছেন, তাদের জন্য একটি বিধিমালা তৈরি হচ্ছে। এটা নিয়ে কাজ চলছে। মাসখানেকের মধ্যে হয়তো ক্যাবিনেটে উঠবে। এটি পাস হলে আইন আরো শক্তিশালী হবে। এতে সুপারভিশন বাড়বে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category