• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
Headline
১০১ শিক্ষককে বিশেষ সম্মাননা পদক প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রিজন ভ্যান খুলে দেন এসআই প্রদীপ, প্রাইভেট কারে পালান পিচ্চি রাজা শুধু মালদ্বীপ নয়, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বঙ্গোপসাগরজুড়ে: নাশিদ সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কুমিল্লার যুবক নিহত ৪,৫৮৬ ইউনিয়নে মা-শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বাছাই করা হবে নতুন উপকারভোগী শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য শুধু জীবিকা নয়, ভালো নাগরিক হওয়া: নৌ মন্ত্রী সবার জন্য নিরাপদ ও টেকসই বাসস্থান নিশ্চিতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী টেকসই গণতন্ত্রের জন্য নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে: সিইসি গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী ফ্রান্সে ১৮ দিনে গ্রেপ্তার ৫ হাজার

রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার সিসিটিভি ফুটেজ মুছে ফেলার অভিযোগ

Reporter Name / ১ Time View
Update : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনার পর ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ মুছে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এই কাজে ক্যাম্পাস শাখা ছাত্রদল ও হল প্রাধ্যক্ষ ড. মাহবুবুর রহমান জড়িত বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

সাংবাদিকদের অভিযোগ, হামলার ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলের সামনের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হওয়ার কথা। কিন্তু পরে ওই ফুটেজ আর পাওয়া যায়নি। হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের পরিচয় ও ঘটনার প্রকৃত চিত্র আড়াল করতেই ফুটেজ মুছে ফেলা হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শহীদ জিয়াউর রহমান হল প্রাধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘সংস্কার কাজ চলমান থাকায় তখন সিসিটিভির সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। সে জন্য কোনো ফুটেজ নেই। ফুটেজ ডিলিট করার অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা।’

অপরদিকে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. আবদুল আলীম বলেন, ‘তথ্যগুলো সংরক্ষিত আছে। অভিযোগ যে কেউ করতে পারে। ডকুমেন্টসের কোনো অভাব নেই। তদন্ত কমিটি যেখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করার সেখান থেকে করছে।’

সিসিটিভি ফুটেজ মুছে ফেলার অভিযোগ বা হল প্রাধ্যক্ষের দাবি অনুযায়ী সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপ-উপাচার্য তা এড়িয়ে যান। গতকাল রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। এতে চার সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারকে নিয়ে ছাত্রদল নেতা এম আহসান হাবীবের একটি ফেসবুক পোস্টের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। আহসান হাবীবের অভিযোগ, ওই পোস্টের মন্তব্যে রাকসুর সহসাংস্কৃতিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম তাঁর মা ও বোনকে নিয়ে গালিগালাজ করেছেন। অন্যদিকে রাকিবুলের দাবি, তাঁকে মারধরের হুমকি দিয়ে অবস্থান জানাতে চেয়েছিলেন আহসান হাবীব। পরে দুজনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে পাল্টাপাল্টি পোস্ট করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই গতকাল রাতে হামলার ঘটনা ঘটে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category