• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন
Headline
বেসরকারি খাতে ঋণের খরা: কেবল পদক্ষেপে নয়, প্রয়োজন আস্থার সংকট দূরীকরণ ব্যথামুক্ত জীবন ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে চার্চ অব ইংল্যান্ডের ফরেন পলিসি এ্যাডভাইজারের সাক্ষাৎ কোটালীপাড়ার প্রবীণ শামসুল হকের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা, প্রযুক্তিসহ বহুমুখী সহযোগিতা বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় হবে: শিক্ষামন্ত্রী বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশ-চীনের আলোচনা অর্থনৈতিক ও অবকাঠামো সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের সমঝোতা স্মারক সই মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশকে এআই প্রয়োগ ও উদ্ভাবনে সক্ষম একটি দেশে পরিণত করতে হবে : রাষ্ট্রপতি

গ্রীষ্মে জ্বালানি সংকট এড়াতে ২০০ কোটি ডলার ঋণ নিচ্ছে সরকার

Reporter Name / ২১০ Time View
Update : শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬

আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে দেশে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং আমদানি ব্যয় মেটাতে ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার ঋণ নেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। শুক্রবার (২০ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

ঋণের সম্ভাব্য উৎস ও সময়সীমা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সরকার আগামী জুনের মধ্যেই বহুপাক্ষিক দাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে এই অর্থ সংগ্রহ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। প্রস্তাবিত এই ঋণের অর্থ মূলত দুটি উৎস থেকে পাওয়ার আশা করা হচ্ছে:

  • আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ): সংস্থাটির চলমান কর্মসূচি থেকে প্রায় ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন বা ১৩০ কোটি ডলার।

  • এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি): এই সংস্থা থেকে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন বা ৭০ কোটি ডলার।

উপদেষ্টার বক্তব্য ও বর্তমান অগ্রগতি অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানিয়েছেন, দাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে তুলনামূলক সহজ শর্তে ও কম সুদে এই ঋণ পাওয়ার বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। তিনি জানান, বিশেষ করে এডিবির সঙ্গে আলোচনায় ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে এবং আইএমএফ থেকেও অর্থ প্রাপ্তির জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের পর্যবেক্ষণ অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, সময়মতো এই ঋণ সহায়তা পাওয়া গেলে তা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এর ফলে একদিকে যেমন দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমবে এবং তা স্থিতিশীল থাকবে, অন্যদিকে গ্রীষ্মের চরম চাহিদার সময়ে জ্বালানি সরবরাহে সম্ভাব্য যেকোনো সংকট এড়ানোও সরকারের পক্ষে সহজ হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category