• বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন
Headline
দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে সরকার: ৩ মাস বিশেষ সহায়তার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর সয়াবিনের বাজারে ফের আগুন: বোতল ও খোলা তেল লিটারে বাড়ল ৪ টাকা প্লাবনের পদধ্বনি: বিপৎসীমা ছাড়াল ৪ নদী, ৫ জেলায় অকাল বন্যার শঙ্কা চেতনা বিক্রির পণ্য নয়: সংসদে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ সম্বোধনের প্রস্তাব শামা ওবায়েদের ‘জুলাই থেকেই বিনামূল্যে ড্রেস ও ব্যাগ পাবে শিক্ষার্থীরা’: শিক্ষামন্ত্রী সংসদের আঙিনায় নারীরা: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ৪৯, আটকে আছে একটির ভাগ্য শঙ্কামুক্ত মির্জা আব্বাস: শিগগিরই ফিরছেন চেনা রাজনৈতিক আঙিনায় খন্দকার মোশাররফের ১০৫ হিসাব অবরুদ্ধ কিউই বধের পুরস্কার: র‍্যাংকিংয়ে টাইগারদের বিশাল উল্লম্ফন প্রার্থনা করি যাতে বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক ঠিক না হয়: আসামের মুখ্যমন্ত্রী

দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে সরকার: ৩ মাস বিশেষ সহায়তার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

সংসদ প্রতিবেদক | ঢাকা / ২ Time View
Update : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

প্রবল বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যায় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য বড় ধরনের বিশেষ সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আগামী তিন মাস নিয়মিত সরকারি সহায়তা প্রদান করা হবে। বিশেষ করে ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসনকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিনে সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই জরুরি পদক্ষেপের কথা জানান।

আগাম সতর্কতা ও ত্বরিত পদক্ষেপ

প্রধানমন্ত্রী সংসদে জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস পাওয়ার তিন দিন আগেই তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও প্রবল বর্ষণে যাদের ফসলহানি ঘটেছে, তাদের পুনর্বাসনে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, “বৃষ্টির কারণে যেসব কৃষকের ফসল নষ্ট হয়েছে, তাদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করে আগামী তিন মাস প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

সরাসরি নজরদারি ও তালিকা প্রণয়ন

সংসদ অধিবেশন শুরুর আগেই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে এই সংকট মোকাবিলার কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করেছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কোনো কৃষক যেন সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেদিকে সরকার কঠোর নজরদারি রাখছে।”

ইতিমধ্যেই প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে এই কার্যক্রম সবচেয়ে বেশি জোরদার করা হবে। সঠিক তালিকা প্রণয়ন শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

পুনর্বাসনের অঙ্গীকার

সংসদ নেতা তার বক্তব্যে পুনর্বাসন কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, সরকার কেবল ত্রাণ নয়, বরং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা যাতে পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে। স্থানীয় কৃষি বিভাগকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন তারা কৃষকদের আগামী মৌসুমে বীজ, সার ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে সহায়তা করে।

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণা ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি বয়ে আনবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর ও নিম্নাঞ্চলের মানুষ, যারা ধান ও রবিশস্য নিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন, এই বিশেষ সহায়তা তাদের জীবনযাত্রা সচল রাখতে বড় ভূমিকা রাখবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category