• বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ন
Headline
সচিবালয়ে বিএনপির কোনো বৈঠক হয়নি: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় মামলা নিষ্পত্তিতে এগিয়ে থাকা জেলাগুলোকে পুরস্কৃত করা হবে: আইনমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি পদে ইসিতে জমা ৩ মনোনয়নপত্র এলএনজি টার্মিনাল মেরামতে সিস্টেম বন্ধ থাকবে ৭২ ঘণ্টা: জ্বালানিমন্ত্রী অটোরিকশার কারণে বিদ্যুতের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর ভারত ও জাপান সফর এখনও চূড়ান্ত নয়: শামা ওবায়েদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে অ্যানি, স্থানীয় সরকারে সালাহউদ্দিন কৃত্রিম সংকটে সারের বাজার: আমন মৌসুমে চরম ভোগান্তিতে কৃষক অর্থবছর জুলাই-জুন থেকে এপ্রিল-মার্চে পরিবর্তনের পরিকল্পনা

ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে রোজ সকালে যা খাবেন

Reporter Name / ১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬

ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে প্রতিদিন সকালের নাশতায় ফাইবার, প্রোটিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার রাখা উচিত। আর ওটস, টকদই কিংবা গ্রিক ইয়োগার্ট, চিয়া বীজসহ নানা ধরনের বেরি ও ফল, ডিম, বাদাম এবং গ্রিন টি। কারণ এসব খাবারে বাড়তি নজর দেওয়া উচিত। বিশেষ করে দিনের শুরুতে যা খাওয়া হয়, তা সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এ সমস্যায় ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে খাবারের প্রতি অতিরিক্ত চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। আর সে কারণে ফাইবার ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার বেছে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক সৌরভ শেঠি।

ফ্যাটি লিভারের সমস্যা সমাধানে যেসব খাবার সকালের নাশতায় খাওয়া উচিত—

চিয়া বীজে ফাইবার ও ওমেগা-৩ ফ্যাট থাকে। এর সঙ্গে বেরি ও বাদাম যোগ করলে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট পাওয়া যায়। আগের রাতে তৈরি করে রাখলে এটি দ্রুত সকালের নাশতা হিসেবে খেতে পারেন।

দ্বিতীয়ত চিনি ছাড়া প্লেন গ্রিক দইয়ের সঙ্গে ব্লুবেরি ও বাদাম খেতে পারেন। এতে প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের পাশাপাশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। অন্ত্র ও লিভারের স্বাস্থ্যের জন্য এ ধরনের খাবার ভীষণ উপকারী হতে পারে।

ডা. শেঠি ইনস্ট্যান্ট ফ্লেভারযুক্ত ওটসের পরিবর্তে রোলড বা স্টিল-কাট ওটস বেছে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। ওটসে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এবং এর সঙ্গে প্রোটিন ও বেরি যোগ করলে নাশতাটা আরও বেশি পুষ্টিকর সমৃদ্ধ হয়।

আর মুগ ডাল দিয়ে তৈরি প্যানকেকে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন ও ফাইবার রয়েছে। এটি গ্লুটেনমুক্ত একটি নাশতা হিসেবে খাওয়া যায়। পুষ্টিগুণ বাড়াতে এর সঙ্গে দই বা পুদিনা চাটনি রাখা যেতে পারে। তবে রান্নায় সরিষা বা অ্যাভোকাডো তেল ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এ ছাড়া হোল গ্রেন বা স্প্রাউটেড ব্রেডের সঙ্গে অ্যাভোকাডো স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও ফাইবারের ভালো সমন্বয় তৈরি করে। এটি রক্তে শর্করার ভারসাম্য ও লিভারের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে।

টোফুর সঙ্গে পেঁয়াজসহ নানা শাকসবজি দিয়ে তৈরি করা যায় এ নাশতা। এতে তুলনামূলক কম ক্যালোরিতে প্রোটিন পাওয়া যায়। ডা. শেঠি প্রদাহবিরোধী উপাদানের জন্য এতে হলুদ ও গোলমরিচ যোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন।

ফ্যাটি লিভারের সমস্যা সমাধানে শুধু একটি খাবারের ওপর নির্ভর না করে সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা গুরুত্বপূর্ণ। সকালের নাশতায় অতিরিক্ত চিনি, মিষ্টিজাতীয় খাবার এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবারের পরিবর্তে ফাইবার ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার বেছে নিন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category