• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ন
Headline
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্বে আর কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি সওজের ৪০০ স্থাপনায় বসছে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল রুফটপ সোলারে অর্থায়নে ইডকল ও সরকারের মধ্যে ৫০০ কোটি টাকার ঋণচুক্তি জাল সনদ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চায় এপিইউবি ৩২৯ কোটি টাকা বরাদ্দ পেল ২৫৩ ইউনিয়ন পরিষদ বিএনপির মুখে হচ্ছে জুলাই সনদ আর অন্তরে আ. লীগ: হাসনাত ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলো গ্রামীণ কল্যাণ সেনাসদস্যদের ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পেনশন’ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন: সাভারে প্রধানমন্ত্রী অস্ত্র উঁচিয়ে ধরার ব্যাখ্যা দিলেন ইশরাক হোসেন পিস্তল হাতে অভিযানে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক, আইনের ব্যত্যয় হলে ব্যবস্থা: ডিবিপ্রধান

বর্ষার সময় যেসব কারণে রোগ-বালা হয়

Reporter Name / ৪৫৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ জুন, ২০২৩

খোসপাঁচড়া, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, প্যারনাইকিয়া, স্ক্যাবিজ জাতীয় কিছু ছত্রাক অসুখ এ সময়ে হয়ে থাকে। ভিজে শরীর ভালোভাবে না মুছে, ভিজে কাপড় ভালোভাবে না শুকিয়ে গায়ে দেওয়া, রোদ না থাকায় স্যাঁতসেঁতে ইত্যাদি কারণে বর্ষাকালে ত্বকের বেশকিছু অসুখ হয়। তাই, বর্ষার এ অসুখ থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখতে হলে সব সময় তোয়ালে, ব্রাশ, চিরুনি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও শুকনো রাখতে হবে।

বৃষ্টির পানি শরীর এবং মাথা থেকে ভালোভাবে মুছতে হবে, বিশেষ করে হাত ও পায়ের আঙুল ভালোভাবে ধুয়ে মুছতে হবে। রাস্তার নোংরা ও বন্যার পানি এড়িয়ে চলতে হবে। একান্তই যদি চলাচল করতে হয়, তবে বাড়িতে ফিরে অবশ্যই ডেটল ও সাবান দিয়ে পা ও স্যান্ডেল ভালোভাবে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। তারপরও যদি এ রোগগুলো দেখা দেয়, তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। বাড়ির জলাবদ্ধ জায়গাগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে, যাতে বৃষ্টির পানি জমতে না পারে।

* টাইফয়েড জ্বর

পানিবাহিত রোগের মধ্যে একটি হলো টাইফয়েড। ব্যাকটেরিয়া যুক্ত পানি বা খাবার এ রোগের জন্য দায়ী। হাত ধুয়ে খাবার গ্রহণ করতে হবে। যথাসম্ভব রাস্তার খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

* ভাইরাস জ্বর

সারা বছর লেগে থাকলেও বর্ষায় এ জ্বরের প্রকোপ বেড়ে যায়। তিন থেকে সাত দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয় এ জ্বর, সেই সঙ্গে সর্দি-কাশি, হাত-পা ম্যাজ-ম্যাজ করা, দুর্বলতা, খাবারে অরুচি ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়।

* জণ্ডিস

এ রোগের প্রধান উৎস দূষিত পানি। হেপাটাইটিস বা জণ্ডিসের ফলে রোগীর প্রস্রাব হলুদ হয়ে যায়। রোগী দুর্বল, বমি ভাব, খাবারের প্রতি অনীহা বোধ করে। লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্রম কমতে থাকে।

* ছত্রাক সংক্রমণ

ঘাম বা পানিতে বেশিক্ষণ ভেজা থাকলে পায়ের আঙুলের ফাঁকে, কুঁচকিতে, মাথায় ও চুলে ছত্রাক সংক্রমিত হয়। ছত্রাক সংক্রমণে ছত্রাকনাশক ক্রিম এবং চুলে বিশেষ শ্যাম্পু ব্যবহার করা যেতে পারে।

* কৃমি সংক্রমণ

বর্ষাকালেই কৃমির প্রাদুর্ভাব বেশি হয়। এ সময় পানি আর কাদামাটিতে মিশে থাকে এ পরজীবী জীবাণু। তাই অন্য যে কোনো ঋতুর তুলনায় বর্ষায় খুব সহজেই কৃমির সংক্রমণ ঘটে। এ সময়ে সবার কৃমির ওষুধ সেবন করা উচিত।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category