• শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন
Headline
আলোকিত মানুষ নাকি সিআইএ’র গোপন এজেন্ডা: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র নিয়ে বিতর্কের নেপথ্যে কী? মার্কিন চুক্তির গোপন বেড়াজালে বাংলাদেশ লোডশেডিং ও দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন: জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী বিএনপি সরকারের জন্য চরম রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরীক্ষা এনসিপির পালে নতুন হাওয়া: নাগরিক পার্টিতে নাম লেখালেন ইসহাক, রনি ও কাফি বিচার বিভাগের সংস্কার ও রাজনৈতিক ঐক্য নিয়ে আইনমন্ত্রীর কড়া বার্তা শিক্ষিকাকে জুতাপেটা ও বিএনপি নেতার বহিষ্কার: ভাইরাল ভিডিওর নেপথ্যের আসল ঘটনা কী? প্রেমের টানে সুদূর চীন থেকে কুষ্টিয়ায়: অনলাইনে পরিচয়, অতঃপর পরিণয় হামে ২৪ ঘণ্টায় ৭ শিশুর মৃত্যু, সন্দেহভাজন আক্রান্ত ১২১৫ তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক, কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণেই কৃত্রিম সংকট: মির্জা ফখরুল গণভোটের রায় ও ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে ১১ দলের প্যাকেজ কর্মসূচি

মিলমালিকদের চিঠি চিনির দাম কেজিতে ২৫ টাকা বাড়াতে

Reporter Name / ৩৯৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২০ জুন, ২০২৩

ঈদুল আজহার আগেই চিনির দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা বাড়িয়ে খোলা চিনি ১৪০ এবং প্যাকেটজাত চিনির দাম ১৫০ টাকা করতে চায় বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন। ২২ জুন থেকে এই বাড়তি দাম কার্যকর করা হবে।অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এদিকে ১১ মে আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম বাড়ায় দেশের বাজারে প্রতি কেজি চিনির দাম ১৬ টাকা বাড়িয়ে খোলা চিনি ১২০ এবং প্যাকেটজাত চিনির দাম ১২৫ টাকা নির্ধারণ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। কিন্তু আমদানিকারক ও খুচরা ব্যবসায়ী কেউই মানেনি ওই দর। খোলা ও প্যাকেটজাত-উভয় চিনিই বাজারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর খুচরা বাজারে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি কেজি খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা, যা এক মাস ধরে একই দামে বিক্রি হচ্ছে।

এর আগে ৬ জুন খোলা চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা এবং প্যাকেট চিনির দাম ২৫ টাকা বাড়াতে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনে চিঠি দেয় সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন। ট্যারিফ কমিশনে পাঠানো চিঠিতে আমদানিকারকরা বলেন, বিশ্ববাজার থেকে প্রতি টন অপরিশোধিত চিনি ৬৪০ থেকে ৬৫০ ডলার দিয়ে কিনতে হচ্ছে। এসব চিনি প্রসেস করে বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে। আমদানি মূল্য, ডলারের বিনিময় হার, বর্ধিত ব্যাংক সুদ, জাহাজ বিলম্বিত জরিমানা এবং স্থানীয় পরিশোধনকারী মিলগুলোর উৎপাদন খরচ বিবেচনা করে দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, আমদানিকারকরা আবেদন করলেও এখনই দাম বাড়ানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে না। আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম এবং আনুষঙ্গিক খরচ পর্যালোচনা করা হবে। এরপর প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নয়াবাজারের মুদি দোকানদার আল আমিন বলেন, চিনির দাম ফের বাড়াতে মিলমালিকরা কারসাজি করছেন। কয়েকদিন ধরে সরবরাহ আবারও কমিয়ে দিয়েছেন। সরকার প্রতি কেজি খোলা চিনির দাম ১২৫ টাকা নির্ধারণ করলেও খুচরা বাজারে ১৪০ টাকা দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। কারণ, মিল পর্যায় থেকে সরকারের আদেশ না মেনে বেশি দামে চিনি বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে পাইকারি ও খুচরা বাজারে কেজিতে ২০ টাকা বেশি দামে চিনি বিক্রি করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category