দেশের টেলিযোগাযোগ খাতকে দীর্ঘদিনের সেকেলে ও ধীরগতির প্রযুক্তির বেড়াজাল থেকে মুক্ত করে সর্বাধুনিক ডিজিটাল নেটওয়ার্কের মহাসড়কে যুক্ত করার এক যুগান্তকারী মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির এই বিশেষ রূপরেখার আওতায় আগামী দুই হাজার ঊনত্রিশ সালের মধ্যে সারা দেশে দ্বিতীয় প্রজন্মের অর্থাৎ টু-জি সেবা সম্পূর্ণরূপে গুটিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে টেলিকম খাতের এই আমূল রূপান্তরকে বিটিআরসি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘টু-জি সানসেট’ বা দ্বিতীয় প্রজন্মের প্রযুক্তির সূর্যাস্ত হিসেবে অভিহিত করেছে। তবে আধুনিকতার এই হাতছানির বিপরীতে দেশের বর্তমান আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট এক বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। কারণ প্রত্যন্ত অঞ্চল ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীসহ সারা দেশে এখনও অন্তত সাড়ে ছয় থেকে সাত কোটি গ্রাহক কথা বলা ও সাধারণ যোগাযোগের জন্য টু-জি বাটন হ্যান্ডসেটের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল। ফলে এই বিশাল সংখ্যক গ্রাহককে কীভাবে আধুনিক ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে এবং তাদের আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টি কীভাবে নিশ্চিত হবে, তা নিয়ে নানামুখী প্রশ্ন ও গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
বিটিআরসির নীতিগত সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে কেবল নেটওয়ার্ক বন্ধ করাই নয়, বরং বাজারে সাধারণ টু-জি বা বাটন মোবাইল ফোনের সরবরাহ চিরতরে বন্ধ করার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। কমিশনের অভ্যন্তরীণ কার্যপত্র ও উচ্চপর্যায়ের সূত্র অনুযায়ী, গত উনত্রিশে সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত বিটিআরসির নিয়মিত কমিশন সভায় ধাপে ধাপে টু-জি হ্যান্ডসেটের আমদানি, স্থানীয়ভাবে সংযোজন ও উৎপাদন এবং সামগ্রিক বাজারজাতকরণ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের পর দেশে আর কোনো নতুন টু-জি বাটন ফোন যেমন উৎপাদন করা যাবে না, তেমনি বিদেশ থেকেও এ ধরনের কোনো হ্যান্ডসেট বা যন্ত্রাংশ আমদানির সুযোগ থাকবে না। প্রাথমিকভাবে দুই হাজার ঊনত্রিশ সালের শেষ নাগাদ এই কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও বিটিআরসির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, বাস্তব পরিস্থিতি ও গ্রাহক রূপান্তরের গতি বিবেচনায় এই সময়সীমা প্রয়োজনে সর্বোচ্চ দুই হাজার একত্রিশ সালের একত্রিশে ডিসেম্বর পর্যন্ত পুনর্বিন্যাস বা পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
এই সুদূরপ্রসারী রূপরেখার বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ এমদাদ উল বারী জানান, দুই হাজার চব্বিশ সালে প্রণীত জাতীয় স্পেকট্রাম রোডম্যাপের আলোকেই মূলত আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ধীরগতির টু-জি প্রযুক্তি ও এই প্রযুক্তিভিত্তিক হ্যান্ডসেট বাজার থেকে প্রত্যাহারের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেই পথনকশাকে কার্যকর রূপ দিতে দেশে মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান, আমদানিকারক, প্রযুক্তি পণ্য ব্যবসায়ী এবং সব কটি মোবাইল অপারেটরের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা করে একটি সমন্বিত রোডম্যাপ প্রস্তুত করা হয়েছে। কোন কোন ধাপে হ্যান্ডসেটের আমদানি, সংযোজন এবং বাজারে বিপণন বন্ধ হবে, তার সুস্পষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে ইতিমধ্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে। সরকারের শীর্ষ পর্যায় ও মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত সবুজ সংকেত মিললেই দেশজুড়ে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়ে যাবে।
বিটিআরসি প্রধান আরও উল্লেখ করেন যে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে টু-জি প্রযুক্তির সমাপ্তি ঘটানো ছাড়া কোনো বিকল্প নেই এবং কমিশন এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সম্পূর্ণভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। তবে কঠোর নীতি প্রয়োগ করতে গিয়ে স্থানীয় উৎপাদক, ব্যবসায়ী কিংবা বিনিয়োগকারীরা যাতে বড় ধরনের আর্থিক লোকসান বা অচলাবস্থার মুখে না পড়েন, সে জন্য অত্যন্ত সতর্ক ও বাস্তবমুখী কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। কারিগরি সমীক্ষায় দেখা গেছে, সাধারণত একটি টু-জি ফিচার ফোনের গড় আয়ু বা কার্যকর মেয়াদ হয়ে থাকে দুই থেকে আড়াই বছর। এই স্বাভাবিক জীবনচক্রের বিষয়টি মাথায় রেখেই উৎপাদনের অনুমোদন বন্ধের সময়সীমা এমনভাবে ভাগ করা হয়েছে, যাতে ব্যবসায়ীদের বর্তমান মজুদ ও কাঁচামাল স্বাভাবিক নিয়মে বাজারে বিক্রি হয়ে শেষ হয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে সাধারণ গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষার বিষয়টিকেও সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। যেহেতু দেশে প্রায় সাত কোটি মানুষ বাটন ফোন ব্যবহার করছেন এবং এদের একটি বিরাট অংশই নিম্ন আয়ের দরিদ্র মানুষ ও শ্রমজীবী শ্রেণি, তাই তারা যাতে অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে আধুনিক স্মার্টফোন কিনতে পারেন, সে জন্য বিকল্প কৌশল নিয়ে কাজ করছে কমিশন। এই বিশাল প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ওপর যেন স্মার্টফোনের অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা চেপে না বসে, সেজন্য স্মার্টফোনের ওপর বিদ্যমান আমদানি ও স্থানীয় করের হার কমানোর অনুরোধ জানিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সাধারণ মানুষ যাতে নামমাত্র কিস্তিতে স্মার্টফোন কিনতে পারেন, সেজন্য অত্যন্ত কম সুদে বা সুদবিহীন ইএমআই ব্যবস্থা চালু করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
ধাপে ধাপে বাটন ফোনের বাজার গুটিয়ে নেওয়ার জন্য বিটিআরসি একটি সুনির্দিষ্ট সময়সূচি চূড়ান্ত করেছে। এই রূপরেখা অনুযায়ী, ওডিএম বা অরিজিনাল ডিজাইন ম্যানুফ্যাকচারারদের জন্য টু-জি হ্যান্ডসেট উৎপাদনের অনুমোদন দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে চলতি বছরের একত্রিশে ডিসেম্বর পর্যন্ত। এর পর থেকে এ ধরনের কোনো বৈশ্বিক বা স্থানীয় উৎপাদককে নতুন করে টু-জি হ্যান্ডসেটের নকশা বা উৎপাদনের কোনো বৈধ ছাড়পত্র দেওয়া হবে না। উল্লেখ্য, ওডিএম হলো এমন একটি বিশেষ শিল্প মডেল যেখানে একটি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নিজস্ব প্রযুক্তি ও গবেষণার মাধ্যমে একটি হ্যান্ডসেটের পূর্ণাঙ্গ নকশা ও উৎপাদন সম্পন্ন করে এবং পরবর্তীতে অন্য কোনো দেশীয় বা আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড সেই ফোনে নিজেদের লোগো বসিয়ে বাজারে বিক্রি করে থাকে।
পরবর্তী ধাপে পিসিবিএ বা প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড অ্যাসেম্বলির অনুমোদনের ক্ষেত্রেও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। বিটিআরসির রোডম্যাপ অনুযায়ী, টু-জি ডিভাইসের পিসিবিএ ছাড়পত্র দেওয়ার শেষ সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে দুই হাজার সাতাশ সালের একত্রিশে মার্চ পর্যন্ত। সাধারণত যেকোনো মুঠোফোন বাজারে ছাড়ার আগে তার প্রধান মাদারবোর্ডটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও যথাযথভাবে সচল কি না, তা কারিগরি পরীক্ষার মাধ্যমে সরকারি বা বৈশ্বিক সংস্থার সনদ নিতে হয়, যাকে পিসিবিএ অনুমোদন বলা হয়। এই তারিখের পর টু-জি ফোনের জন্য আর কোনো মাদারবোর্ডের অনুমোদন মিলবে না।
এরপর সরাসরি দেশীয় কারখানায় উৎপাদন ও বাজারে বিক্রির ওপর চূড়ান্ত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। রূপরেখা অনুযায়ী, আগামী বছরের ত্রিশে জুনের পর উৎপাদিত কোনো টু-জি মুঠোফোন হ্যান্ডসেট বাজারে বিক্রির অনুমোদন আর কোনো কোম্পানিকে দেওয়া হবে না। এর পাশাপাশি টু-জি নেটওয়ার্কের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত যন্ত্রপাতি ও বেতার তরঙ্গ ডিভাইসের আমদানি বন্ধ করার সময়সীমা ধরা হয়েছে আগামী বছরের ত্রিশে এপ্রিল। তবে এর মধ্যে আমদানি করা বিভিন্ন নেটওয়ার্ক যন্ত্রাংশ যাতে পুরোপুরি অকেজো হয়ে অপচয় না হয়, সেজন্য সেগুলোকে দুই হাজার আঠাশ সালের ত্রিশে জুনের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আধুনিক ফোর-জি প্রযুক্তিতে রূপান্তর বা আপগ্রেড করার সময় দেওয়া হয়েছে। আর একদম সাধারণ ভোক্তা বা গ্রাহক পর্যায়ে টু-জি ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে দুই হাজার ঊনত্রিশ সালের একত্রিশে ডিসেম্বর পর্যন্ত।
টু-জি নেটওয়ার্ক বন্ধ করার পেছনে মূল কারিগরি ও অর্থনৈতিক যুক্তি তুলে ধরে বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আধুনিক যুগে একটি দেশকে এগিয়ে নিতে দ্রুতগতির ইন্টারনেটের কোনো বিকল্প নেই। টু-জি হলো একটি অত্যন্ত পুরোনো ও কম ক্ষমতাসম্পন্ন প্রযুক্তি, যা বিপুল পরিমাণ বেতার তরঙ্গ বা স্পেকট্রাম দখল করে রাখে কিন্তু গ্রাহকদের কেবল ভয়েস কল ছাড়া ভালো মানের ইন্টারনেট সেবা দিতে পারে না। টু-জি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে সেই মূল্যবান তরঙ্গ অবমুক্ত হবে এবং সেই একই তরঙ্গে ফোর-জি কিংবা ফাইভ-জি সেবা চালু করা সম্ভব হবে। আধুনিক প্রযুক্তিগুলো একই পরিমাণ স্পেকট্রাম ব্যবহার করে বহুগুণ বেশি ভয়েস কল এবং বিপুল পরিমাণ উচ্চগতির ডেটা সরবরাহ করতে সক্ষম। ফলে দেশের প্রতিটি প্রান্তে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড মানের মোবাইল ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এর ফলে মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের নেটওয়ার্ক পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে, যার ইতিবাচক প্রভাবে ভবিষ্যতে গ্রাহকদের জন্য ডেটা ও ভয়েস কলের খরচ আরও সাশ্রয়ী হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
তবে সরকারের এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা নিয়ে টেলিকম শিল্প ও হ্যান্ডসেট উৎপাদন খাতের উদ্যোক্তাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া এবং গভীর শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাকারিয়া শহীদ এ বিষয়ে তাঁর পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে জানান, উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পুরোনো প্রযুক্তি থেকে আধুনিক নেটওয়ার্কে স্থানান্তরের মূল উদ্দেশ্যটি নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। কিন্তু বিটিআরসি যে কঠোর সময়সীমা নির্ধারণ করেছে, তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনেক বড় ধরনের ব্যবহারিক ও অর্থনৈতিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। মাত্র কয়েক বছরের স্বল্প সময়ের মধ্যে সাড়ে ছয় কোটিরও বেশি গ্রাহককে পুরোপুরি নতুন প্রযুক্তিতে স্থানান্তর করা কোনো সাধারণ বিষয় নয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশ যেভাবে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল ও প্রণোদনার মাধ্যমে টু-জি থেকে উত্তরণ ঘটিয়েছে, বাংলাদেশেও সেই আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাকে গভীরভাবে মূল্যায়ন করা উচিত।
ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে হলে শুধু সরকারি নির্দেশ বা বাটন ফোনের সরবরাহ জোর করে বন্ধ করলেই সমাধান আসবে না, বরং মোবাইল ফোন অপারেটরদেরও বড় ধরনের বিনিয়োগ ও দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। হ্যান্ডসেটের জোগান বন্ধ করে দিলে বাজারে এক ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি হতে পারে। কারণ বাংলাদেশের বর্তমান স্থানীয় বাজারে সাধারণ মানুষ মাত্র আটশ থেকে এক হাজার টাকার মধ্যেই একটি কার্যকর বাটন হ্যান্ডসেট কিনতে পারেন। কিন্তু বর্তমান প্রযুক্তি ও কর কাঠামোর বাস্তবতায় কোনোভাবেই একটি স্মার্টফোন তিন থেকে চার হাজার টাকার নিচে তৈরি বা বিক্রি করা সম্ভব নয়। ফলে স্বল্প আয়ের দিনমজুর, প্রান্তিক কৃষক, বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পক্ষে এত বেশি অর্থ দিয়ে স্মার্টফোন কেনা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে ডিজিটাল সেবা থেকে বঞ্চিত না করে কীভাবে তাদের হাতে ন্যূনতম মূল্যে স্মার্ট ডিভাইস পৌঁছে দেওয়া যাবে, সেটাই এখন নীতি নির্ধারকদের সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হিসেবে দেখা দিয়েছে।
তথ্যসূত্র: দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড