• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন
Headline
লবণের রাজত্বে বিপন্ন জীবন: তৃষ্ণার্ত উপকূলে এক কলস পানির যুদ্ধ অলিগলি পেরিয়ে মূল সড়কে রাজত্ব: অনিয়ন্ত্রিত যন্ত্রযানের কবলে বিপন্ন জননিরাপত্তা ও অর্থনীতি পাম্পে হাহাকার, অথচ উপচে পড়ছে ডিপো: দেশীয় প্রতিষ্ঠানের অকটেন নিচ্ছে না সরকার মাঠে অরক্ষিত কৃষক: বজ্রপাত রোধের কোটি টাকার প্রকল্পগুলো গেল কোথায়? বাবার হাজার কোটি টাকায় মোহ নেই, লন্ডনে সাধারণ চাকরি করেন অক্ষয়-পুত্র প্রধানমন্ত্রী ও জাইমা রহমানকে বাফুফেতে আমন্ত্রণ জানালেন অধিনায়ক আফিদা হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে কাল থেকে সারা দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু আ. লীগকেও পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত: রাশেদ খান জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে আইএমএফের শর্তের কোনো সম্পর্ক নেই: অর্থমন্ত্রী সংসদে সরকারি দলের এমপিদের অঙ্গভঙ্গি: তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জামায়াত আমিরের

হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের আল্টিমেটাম, ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারি

Reporter Name / ৫২ Time View
Update : রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬

কৌশলগতভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুলে দেওয়ার জন্য ইরানকে কড়া চরমপত্র দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার রাতে ট্রাম্পের এই হুমকির পরপরই পাল্টা যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। দুই পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা এখন চরমে। এক পক্ষ হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে চাপ প্রয়োগ করছে, আর অন্য পক্ষ তাদের অবকাঠামোতে কোনো আঘাত হলে পুরো অঞ্চলকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করার হুমকি দিচ্ছে।

ট্রাম্পের হুমকির প্রতিক্রিয়ায় ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যদি তাদের বিদ্যুৎ বা জ্বালানি অবকাঠামোতে কোনো আঘাত হানা হয়, তবে গোটা মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে তার ভয়াবহ প্রভাব পড়বে। ইরানের সেনাবাহিনীর খাতাম আল-আনবিয়ার সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফাগারি স্পষ্ট করে বলেছেন, মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে তারা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র সংশ্লিষ্ট পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্ট এবং তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাবে।

অন্যদিকে, সম্প্রতি নিহত হওয়া নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান আলি লারিজানির উদ্ধৃতি দিয়ে ইরানের ফার্স নিউজ জানিয়েছে, তেহরান যদি আক্রান্ত হয় তবে আধা ঘণ্টার মধ্যে পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করা হবে। অর্থাৎ, পাল্টাপাল্টি হামলায় এই অঞ্চলের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করে দেওয়ার প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়েছে ইরান।

এই পাল্টাপাল্টি হুমকি কেবল যুদ্ধের ঝুঁকিই বাড়াচ্ছে না, বরং গোটা বিশ্বের জ্বালানি ও পানি নিরাপত্তার ওপর বড় ধরণের সংকটের কালো ছায়া ফেলছে। লজিস্টিক ও কৌশলগত কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকা মানেই বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়া, যা ইতোমধ্যে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category