• সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন
Headline
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহায়তা চান খাদ্যমন্ত্রী সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতি ও সফট পাওয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী প্রলয়ংকরী যুদ্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের, ঝুঁকিতে উপসাগরীয় দেশগুলো দুর্নীতি মামলায় আনিসুল হকসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ ইলিয়াস আলী গুমের মামলায় উইং কমান্ডার সাইফুর রহমান ট্রাইব্যুনালে রুমির হাতে ‘চড় খাওয়া’ সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর বিএনপি জাতির সঙ্গে ধাপ্পাবাজি করেছে: শফিকুর রহমান জামায়াতের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা ফুটপাত দখলমুক্ত করার পাশাপাশি পুর্নবাসন করা হবে: রাসিক প্রশাসক মেট্রোরেল স্টেশনগুলোতে আধুনিক নিরাপত্তা সরঞ্জাম স্থাপনের সিদ্ধান্ত

১৫ হাজার কোটির পৈতৃক সম্পত্তি হারাচ্ছেন সাইফ আলি খান

Reporter Name / ৪১১ Time View
Update : শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫

মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট ভোপালে নবাব পরিবারের সম্পত্তি নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সাইফ আলি খানের আপিল খারিজ করে দিয়েছে। ২০১৪ সালে রাজ্য সরকার অভিনেতার পৈতৃক সম্পত্তিগুলিকে ‘শত্রু সম্পত্তি’ হিসাবে চিহ্নিত করেছিল। এর অর্থ এই সম্পত্তিগুলি এখন বিদেশী সম্পত্তি হিসাবে বিবেচিত হবে এবং সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। গত ২৫ বছর ধরে সইফ এই মামলা লড়ছিলেন। শুক্রবার তাঁর আবেদন খারিজ করেছে হাই কোর্ট।

২০১৪ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকার ঘোষণা করেছিল যে ভোপালের শেষ নবাবের সম্পত্তি ১৯৬৮ সালের ‘শত্রু সম্পত্তি আইন’-এর অধীনে অধিগ্রহণ করা হবে। ২০১৫ সালে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে আবেদন করেন সইফ। রাজ্য সরকারে সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দেয় হাই কোর্ট। ২০২৪ সালে ১৩ ডিসেম্বর সেই নির্দেশ তুলে নেয় হাই কোর্ট। এদিন সইফের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত।

ভোপালের কোহেফিজা থেকে চিকলোড় পর্যন্ত বিস্তৃত সইফের সম্পত্তি। যেটির আনুমানিক বাজার দর ১৫ হাজার কোটি টাকা। ভোপালের শেষ নবাব ছিলেন হামিদুল্লাহ খান। সইফ তাঁরই প্রপৌত্র। হামিদুল্লাহর কন্যা আবিদা সুলতান ১৯৫০ সাল থেকে পাকাপাকি ভাবে পাকিস্তানে বসবাস শুরু করেন। এর পর থেকে পতৌদিদেরই ছিল ভোপালের ওই সম্পত্তি। কিন্তু ১৯৬৮ সালে পাশ হয় ‘শত্রু সম্পত্তি আইন’ অনুযায়ী, ১৯৪৭-এ দেশ ভাগের পর অনেক মানুষই পাকিস্তান ও চীনে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের জমি, বাড়ি এবং শেয়ারের মতো সম্পত্তি এখনও এ দেশে রয়ে গিয়েছে। সেই সম্পত্তিগুলোকেই ‘শত্রুর সম্পত্তি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। অর্থাৎ, স্থায়ী ভাবে পাকিস্তান ও চীনে চলে যাওয়া ভারতীয়দের সম্পত্তিতে তাঁদের বংশধরদের আর কোনও অধিকার থাকবে না। সরকার সেই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে বিক্রিও করতে পারবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category