• বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন
Headline
ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশ একক ভ্যাট হার চালুর লক্ষ্য আসামে দুই দিনে ১,১০০ মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ; গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো বাড়িঘর ও ১০ মসজিদ নতুন অধ্যাদেশে সৌরবিদ্যুৎ চুরির দায়ে সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ডের বিধান ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযানে আপত্তি নেই, তবে অস্ত্র হাতে নেওয়া ঠিক হয়নি: জামায়াত আমির রাজনীতিবিদদের রাজনীতি হতে হবে জনকল্যাণমুখী : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বেইজিংয়ে ‘বাংলাদেশ ডে’ অনুষ্ঠিত: চীনা ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর আহ্বান টোকিওতে ২৭ অক্টোবর তারেক-তাকাইচি বৈঠক বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি ও সহিংসতা হ্রাস পেয়েছে: যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিবেদন অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সচেতনতা ও স্ক্রিনিং কার্যক্রমের আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

৩০০ বার নাম লেখার অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে মুখ খুললেন ববির শিক্ষক

Reporter Name / ৫৫ Time View
Update : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষক মরিয়ম হাসনার দেওয়া ‘কোর্স টিচারের নাম ৩০০ বার সঠিকভাবে লিখে আনার’ নির্দেশনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা উঠেছে। এর মধ্যে এ বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন তিনি।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি তার ব্যাখ্যা দেন।

তিনি জানান, বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের তৃতীয় বর্ষের ‘Entrepreneurship and Small Business Development’ কোর্সের অ্যাসাইনমেন্ট জমা নেওয়ার সময় তিনি দেখতে পান, ৫৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩২ জন কভার পেজে কোর্স শিক্ষকের নামের বানান ভুল লিখেছেন।

তিনি লেখেন, ‘কোর্স টিচার হিসেবে আমার দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের খুঁটিনাটি সব ভুলভ্রান্তি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা। কারণ কোর্স অ্যাসাইনমেন্টের মতো একটি ফরমাল একাডেমিক পেপারে কোর্স টিচারের নামের বানান ভুল এক ধরনের দায়িত্বে অবহেলা।’

তিনি আরও বলেন, ‘তার শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করবেন কিংবা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাবেন। সেখানে নামের বানানে একটি অক্ষরের ভুলও অনেক সময় জটিলতার কারণ হতে পারে। তাই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে যারা ভুল করেছেন, তাদের ৩০০ বার সঠিক বানানে নাম লিখে আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়।’

শিক্ষক মরিয়ম হাসনা বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি বিশেষ কেউ নই। আমার নামের বানান ভুল বা শুদ্ধ লিখলে আমার কিছু যাবে-আসবে না। কিন্তু একটি ফরমাল একাডেমিক পেপারে শিক্ষার্থীদের এমন ভুল সম্পর্কে সতর্ক করা আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে এবং সেটা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।’

তিনি জানান, ‘শুরুতে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা হলেও পরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও পেজ তার ছবি ব্যবহার করে পোস্ট করতে শুরু করেন। এর ফলে বিভিন্ন অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন আসছে, যা তার ব্যক্তিগত জীবনকে ব্যাহত করছে।’

স্ট্যাটাসের শেষদিকে তিনি লেখেন, ‘একটা ক্লাসরুমের বিষয় যে এমন আকার ধারণ করতে পারে, সেটা আমার কল্পনাতেও ছিল না। যারা এসব করছেন, তাদের প্রতি কোনো অভিযোগ নেই। শুধু আক্ষেপ একটাই—শিক্ষার্থীদের বড় ক্যারিয়ার গঠনে শিক্ষক হিসেবে আমরা হয়তো কিছুটা ভূমিকা রাখতে পারছি, কিন্তু অনেককেই দায়িত্বশীলতা শেখাতে পারছি না। শিক্ষক হিসেবে সেই ব্যর্থতা আমাদেরই।’

সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের ৩০০ বার কোর্স শিক্ষকের নাম সঠিকভাবে লিখে আনার নির্দেশনার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নিজের ব্যাখ্যা তুলে ধরেন ওই শিক্ষক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category