• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
Headline
বাই দ্য রিভারস অব ব্যাবিলন – ৮ এসআরবির মহাপরিচালকসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৭ কর্মকর্তাকে বদলি সরকার বিরোধী দল দমনে তৎপর, ফ্যাসিস্ট দমনে নমনীয়: নাহিদ জুলাই সনদ বাস্তবায়নে এবার আলাদা কমিটি গঠনের চিন্তা ১১ দলীয় ঐক্যের সরকারের অদক্ষতার দায় বিরোধী দলের ওপর চাপানো হচ্ছে: জামায়াত আমির ‘রাইট ট্র্যাকে’ রূপপুর প্রকল্প, দ্রুতই মিলবে বিদ্যুৎ: প্রযুক্তিমন্ত্রী ধর্মের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির চট্টগ্রাম কাস্টমসে চার মাসে ২৮ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খুলনায় শুরু হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মজুত আছে, তবুও তেল পাচ্ছে না গ্রাহক: রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা / ২১১ Time View
Update : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬

দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত থাকার সরকারি দাবির বিপরীতে রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে দেখা দিয়েছে চরম অস্থিরতা। শুক্রবার ও শনিবার দিনভর তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের পর শনিবার রাতে রাজধানীর বেশ কয়েকটি পাম্প তেল বিক্রি বন্ধ করে দেওয়ায় জনমনে আতঙ্ক ও ভোগান্তি বেড়েছে।

শনিবার সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত নামার সাথে সাথে চিত্রটি আরও প্রকট হয়ে ওঠে। রাজধানীর কয়েকটি ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকায় সচল থাকা স্টেশনগুলোতে যানবাহনের সারি ছিল কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকে জ্বালানি না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

ভুক্তভোগী চালকদের অভিযোগ, অধিকাংশ পাম্পে পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও তারা তেল বিক্রি করছে না। অনেক ক্ষেত্রে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ চালকরা। রাইড শেয়ারিং সেবায় নিয়োজিত বাইকাররা বলছেন, দৈনিক আয়ের জন্য তাদের বেশি তেলের প্রয়োজন হয়, কিন্তু সরকারি রেশনিং বা পাম্পগুলোর কঠোর নীতির কারণে তারা পেশাগত দায়িত্ব পালনে হিমশিম খাচ্ছেন।

অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, তারা জ্বালানির কোনো সংকট অনুভব করছে না। মেঘনা ফিলিং স্টেশনের ইনচার্জ এস এম হাবিবুল্লাহ বলেন, “আমাদের কাছে পর্যাপ্ত জ্বালানি রয়েছে এবং গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করার মতো সক্ষমতা আমাদের আছে।” তবে সোনার বাংলা সার্ভিস স্টেশনের ম্যানেজার হিমালয় মন্ডল পরিস্থিতির ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে জানান, সকাল থেকে অসংখ্য গাড়ি সার্ভিস দেওয়ার পরও লাইনের দৈর্ঘ্য কমছে না, যা অস্বাভাবিক।

বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট অনিশ্চয়তা সামাল দিতে সরকার জ্বালানি ব্যবহারে রেশনিং ও কঠোর তদারকির নীতি গ্রহণ করেছে। সরকারের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বস্ত করা হচ্ছে যে দেশে তেলের অভাব নেই, বরং কৃত্রিম সংকট রোধেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবুও রাজধানীর রাস্তায় দেখা দেওয়া দীর্ঘ সারি এবং পাম্পগুলোতে তেল না পাওয়ার ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

জ্বালানি সংকট কাটাতে সরকার এখন বিকল্প উৎস থেকে আমদানির পথ খুঁজছে। তবে দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে রাজধানীর গণপরিবহন ও জরুরি সেবাসমূহে বড় ধরনের অচলাবস্থার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category