• সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
Headline
ব্যয় মেটাতে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রাইজমানি আরও বাড়াচ্ছে ফিফা এসি ঘরে বসে কাজ করলেও হতে পারে ডিহাইড্রেশন! কীভাবে সতর্ক থাকবেন? মুকুটে নতুন পালক: ‘গ্লোবাল ভ্যানগার্ড অনার’ পাচ্ছেন গ্লোবাল আইকন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থী হত্যা: লাশ গুমের উপায় চ্যাটজিপিটিতে খুঁজেন ঘাতক, বৃষ্টির সন্ধানে নেমে মানবদেহের খণ্ডিতাংশ উদ্ধার এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখল ইসি, যাবেন হাইকোর্টে বাবার স্মৃতিবিজড়িত যশোরের সেই উলাসী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রান্নার কষ্ট লাঘবে নারীদের এলপিজি কার্ড দেওয়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর হামের টিকা দ্রুত নিশ্চিত করার নির্দেশ হাইকোর্টের আগামী সপ্তাহ থেকেই লোডশেডিং কমার আশ্বাস বিদ্যুৎমন্ত্রীর ফিলিস্তিনের পৌর নির্বাচনে আব্বাসপন্থিদের বড় জয়: দুই দশক পর গাজায় ভোট

মার্কিন নৌ-অবরোধ ব্যর্থ! হরমুজ প্রণালি বন্ধ সত্ত্বেও তেলের আয় ৪০ শতাংশ বাড়ল ইরানের

Reporter Name / ০ Time View
Update : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধের কারণে ইরান প্রতিদিন কোটি কোটি ডলারের লোকসান গুনছে। তবে বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। বেলজিয়ামভিত্তিক ট্রেড ইন্টেলিজেন্স প্রতিষ্ঠান ক্লেপারের তথ্য অনুযায়ী, অবরোধের মুখেও ইরান তেল বাণিজ্য থেকে युद्ध-পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে ৪০ শতাংশ বেশি আয় করেছে।

বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান ধমনী হলো হরমুজ প্রণালি, যেখান দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের ২০ শতাংশই যাতায়াত করে। ইরান যুদ্ধের কারণে এই পথটি বর্তমানে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে, যার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেন যে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে আরোপিত এই অবরোধের কারণে ইরান প্রতিদিন ৫০০ মিলিয়ন ডলার লোকসান গুনছে।

তবে ক্লেপার (Kpler)-এর তথ্য ট্রাম্পের এই দাবিকে ভুল প্রমাণ করেছে। ইন্টেলিজেন্স প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর আগে ইরান যেখানে দৈনিক প্রায় ১১৫ মিলিয়ন ডলারের তেল রফতানি করত, সেখানে গত এক মাসে অবরোধের মধ্যেও জ্বালানি রফতানি থেকে তাদের আয় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইরানের প্রস্তুতি ও বিশ্ববাজারের পরিস্থিতি

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এই ধরনের চাপের জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল। অবরোধ চাপ তৈরি করলেও ইরানকে আর্থিকভাবে তাৎক্ষণিকভাবে বিপর্যস্ত করতে পারেনি এবং ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্যও পূরণ হয়নি। তেলের প্রতি ব্যারেলের দাম গত এক মাসে একদিনের জন্যও ৯০ ডলারের নিচে নামেনি, এবং অনেক দিন তা ১০০ ডলারের উপরে ছিল।

ট্রাম্পের রাজনৈতিক চাপ ও কংগ্রেসের শর্ত

এদিকে, ইরানে যুদ্ধ শুরু করার কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজ দেশেও রাজনৈতিক চাপের মুখে আছেন। বিরোধী দল সংঘাত পরিচালনার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা কমাতে উঠেপড়ে লেগেছে। মার্কিন আইন অনুযায়ী, কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া ৬০ দিনের বেশি কোনো দেশে সামরিক অভিযান চালাতে পারেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ফলে আগামী ১ মে’র মধ্যে ট্রাম্পকে কংগ্রেসের কাছে এই অভিযানের বৈধতা প্রমাণ করতে হবে।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরানের নতুন প্রস্তাব

যুদ্ধের অবসান ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার বিষয়ে পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। রোববার (২৬ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস (Axios)-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনটিতে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা ও দুটি সূত্রের বরাত দেওয়া হয়েছে। ইরানের এই প্রস্তাবে পারমাণবিক আলোচনা পরবর্তী পর্যায়ে জন্য স্থগিত রাখার কথা বলা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category