• শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৬ অপরাহ্ন
Headline
“ফিলিস্তিন, লেবানন ও ইরানে ইসরাইলের যুদ্ধাপরাধ, যুদ্ধবিরতির উদ্দেশ্য নিয়ে ধোঁয়াশা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের জোর প্রস্তুতি জামায়াতের ‘লাফিং গ্যাস’: যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রে এটি মারাত্মক আসক্তির কারণ হয়ে উঠেছে টিকার মজুত নিয়ে ধোঁয়াশা: বাফার স্টক শূন্য, সংকটে মরণব্যাধি জলাতঙ্কের টিকা যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক পরিণতি পারমাণবিক প্রান্তসীমায় তেহরান: ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের গোলকধাঁধা এবং একটি বোমার বৈজ্ঞানিক ও ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ আলোকিত মানুষ নাকি সিআইএ’র গোপন এজেন্ডা: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র নিয়ে বিতর্কের নেপথ্যে কী? মার্কিন চুক্তির গোপন বেড়াজালে বাংলাদেশ লোডশেডিং ও দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন: জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী বিএনপি সরকারের জন্য চরম রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরীক্ষা এনসিপির পালে নতুন হাওয়া: নাগরিক পার্টিতে নাম লেখালেন ইসহাক, রনি ও কাফি
/ অর্থনীতি
বিক্রির সময় ওজনে কম দেওয়া, ভেজাল বন্ধ ও পুষ্টির মান বজায় রাখতে চলতি বছরের ১ আগস্ট থেকে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রির অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার read more
দেশের আট বিভাগের মধ্যে তিনটিতে প্রতি মাসে মানুষের মাথাপিছু গড়ে খাদ্য উপকরণ কেনার খরচ বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। বিভাগগুলো হলো-চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল। ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগে গড়ে মাথাপিছু খাদ্য উপকরণের
২০২৩-২৪ অর্থবছরের শুরুতে রেমিট্যান্সের পালে সুবাতাস লেগেছে। চলতি মাসের প্রথম ১৪ দিনেই দেশে ৯৯ কোটি ৫৫ লাখ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ হাজার ৮০১ কোটি ১৭ লাখ টাকা) রেমিট্যান্স
বিদায়ি অর্থবছরে সরকারের নিট ব্যাংক ঋণের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৪ হাজার ১২৩ কোটি টাকা, যা বাজেটের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৭ হাজার ৭৮৯ কোটি এবং সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ৮ হাজার ৬৯৮
দেশে-বিদেশে সৃষ্ট নেতিবাচক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অর্থনীতি চার ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এগুলো হচ্ছে-ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পণ্যের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাট-বাজারে সব ধরনের পণ্য বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। অসাধু সিন্ডিকেটের কারসাজিতে প্রতি সপ্তাহে কোনো না কোনো পণ্যের দাম বাড়িয়ে ভোক্তাদের ঠকাচ্ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও পেঁয়াজের দাম
দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমছে। উন্নতি হয়েছে চলতি হিসাবের ঘাটতি পরিস্থিতিতেও। তবে আর্থিক হিসাব এবং পুঁজিবাজারে নেতিবাচক ধারা অব্যাহত। এছাড়া আগে নেওয়া ঋণ পরিশোধের তুলনায় নতুন ঋণ কম আসছে। ফলে সামগ্রিকভাবে
কুরবানির ঈদ ঘিরে মসলাজাতীয় পণ্যের বাজারে অস্থিরতা চলছে। বাড়তি মুনাফা করতে ধাপে ধাপে বাড়ানো হয়েছে দাম। পরিস্থিতি এমন-কেজি প্রতি ৩৩৫ টাকায় আমদানি করা জিরা খুচরা বাজারে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকায়