Husband Things! সেটা আবার কী? আমার এক বন্ধু। চমৎকার একজন মানুষ। উচ্ছল, প্রাণবন্ত। দুর্দান্ত মেধাবী। সে পড়ত ঢাকায়, আমি চট্টগ্রাম। পত্রমিতালীসূত্রে তার সাথে আমার পরিচয় হয়েছিল। তারপর তা ধীরে ধীরে read more
যারা সম্পর্কে আছে, তাঁরা নিচের ব্যাপারগুলো ভাবতে পারেন। পরে পস্তানোর চাইতে আগে পস্তানো ভালো। ১) তিনি কি আপনাকে খুব বেশি ডোমিনেট করেন? নিজের ইচ্ছা চাপিয়ে দেন? মতামত দেওয়া খারাপ না,
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে এক রাতে বেশ দেরি করে বাড়ি ফিরছি। কারণ টিউশনিতে দেরি হয়েছে। কলোনিতে ঢুকতেই দেখি, শিউলি হনহন করে কোথায় যেন যাচ্ছে। ও আমাদের সামনের বিল্ডিংয়ে থাকত। আমি জিজ্ঞেস করলাম,
আমরা যখন খুব ছোটো, তখন ক্লাসমেট নিপ্পনকে তার নানা স্কুলে নিয়ে আসতেন—স্কুল শেষে বাড়ি ফিরিয়ে নিতেন। নানাকে দেখলেই নিপ্পন একগাল হেসে তাঁর কোলে ঝাঁপ দিত। নানাও নাতিকে আদরে আদরে ভরিয়ে
মেয়ে বড় হচ্ছে? তা হলে, রাখডাক না করে তাকে কিছু কথা বলুন। কথাগুলো বলা জরুরি। ১) সবচেয়ে ভয়ংকর মূল্যপতন হলো, মেয়েদের মূল্যপতন। যেন সে কখনোই নিজ দামের পতন না ঘটায়।
আমার ভারি ভারি লেখা পড়ে বিরক্ত? আমার নিজেরই তো বিরক্ত লাগে মাঝে মাঝে। তাই চলুন, আজ মজার গল্প করি। বিয়েতে মাঝে মাঝে কিছু কাণ্ড ঘটে। সাধারণত এগুলো ঘটান জামাই শ্রেণির
মা বাবা দুজনেই যদি চাকরি করেন তবে বাচ্চারা প্রায়ই বাসায় একা থাকে। তাই তাদের মধ্যে একদিকে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয় অন্যদিকে তৈরি হয় এক ধরনের অভিমান। এ থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েকটি
আমাদের বন্ধু মিতার মাধ্যমে তাঁর সাথে পরিচয়। পনেরো বছর বয়সে গৃহত্যাগী হয়েছিলেন। তারপর কেটে গেছে যুগের পর যুগ। কেন আমি এ পৃথিবীতে? কী কাজ আমার? কোথায় আমার গন্তব্য?—এ প্রশ্নের সন্ধানে