গত পরশু রাতের একটি অভিজ্ঞতা থেকে এ লেখা মাথায় এলো। অভিজ্ঞতাটির কথা এ লেখার শেষের দিকে বলব। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পনের-বিশ বছর ধরে কাজ করছেন এমন অনেকেই তাঁদের একটি দুশ্চিন্তার ব্যাপারে read more
১) কয়েকদিন আগে একজন এইচএসসি পরীক্ষার্থী মারা গেছেন! চিকিৎসকরা বলছেন, তিনি ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিসের কারণে মারা গেছেন। এই পরীক্ষার্থী আগে থেকেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলেন—যা তিনি কিংবা তাঁর পরিবার জানত না। চিকিৎসকদের
চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান বা এর মালিক কিংবা বস কর্মীদের উদ্দেশ্যে যা বলেন, সব কি সত্য? মনে হয় না। নিচে এ রকম ১০টি প্রচলিত বক্তব্য ও বাস্তবতা তুলে ধরা হলো। বলাবাহুল্য, সব
আমার ফুপা শ্বশুর ছিলেন স্কুল শিক্ষক। আশ্চর্য ব্যাপার হলো, ব্রিটিশ আমলে আইনে উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়ার পর তিনি হাই প্রোফাইল ক্যারিয়ার বেছে না নিয়ে নিজ গ্রামের স্কুলে শিক্ষকতায় ফিরে গিয়েছিলেন! তাঁর
কয়েকদিন আগে টিন এজ ছেলেমেয়েদের তিনটি সমস্যা নিয়ে লিখেছিলাম। পরদিন তাবাসসুম নামে এক সহকর্মী বলল, ‘স্যার, আপনার টিনএজারদের নিয়ে লেখাটি পড়েছি। সে প্রেক্ষিতে বলছি, আমার এ বয়সের দুটো ছেলে আছে।
১) লক ঠিকমতো হয়েছে তো? আমরা বন্ধুরা মাঝে মাঝে এদিক-সেদিক বেড়াতে যাই। এর মধ্যে একজন আছে সে গাড়িতে উঠে লাফ দিয়ে আবার নেমে যায়। বলে, ‘ঘরের দরজা ঠিকমতো লক হয়েছে
বুড়ো বয়সেও পান খেয়ে মায়া মাসির ঠোঁট সবসময় টুকটুকে লাল থাকত। ধবধবে ফর্সা মুখে সে লাল ঠোঁটগুলো গোলাপ ফুলের মতো ফুটে থাকত। তিনি হেসে বলতেন, ‘বিয়ের পর আমার শাশুড়ি ভাত