(পুরোটা না পড়লে বিভ্রান্ত হতে পারেন) ১ )বিভ্রান্তি পর্ব- ১৯৮৪ সাল । কুমিল্লায় বড়মামার বাড়ি গিয়েছি। তিনি সেখানে একটি ব্যাংকের আঞ্চলিক প্রধান ছিলেন। কয়েকদিন খুব মজা করলাম। তারপর একদিন সকালে read more
আমার মেয়ে যখন টিনএজে পড়ল, তখন তার মধ্যে কিছু ব্যাপার খেয়াল করলাম, যেগুলো আমাকে কিছুটা চিন্তিত করে তুলল। যেমন দেখলাম— ১। আগে আমরা যা বলতাম, সে তা-ই মেনে নিত। এখন
১ ) তাঁর কথা- ‘তখন সকাল সাতটা। আমি ছেলেকে নিয়ে নিয়ে স্কুলে গেছি। হঠাৎ এক ভাবির ফোন পেলাম। তিনি আমার সহকর্মীর স্ত্রী। তিনি জানতে চাইলেন, ‘আপনি কোথায়?’ আমি বললাম- ‘
আমার বন্ধু এবং সহকর্মী ইকবাল হোসেন তাঁর মেয়ের মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য নিজেই একটি চমৎকার খেলা আবিষ্কার করেছিলেন। মেয়ের বয়স তখন চার-পাঁচ। তিনি আর্ট পেপার কেটে ছোটো ছোটো কার্ড বানাতেন। তারপর
দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে আমার মধ্যে একটি অ্যালার্ম সিস্টেম তৈরি হয়েছে। যা আমাকে আগেভাগেই সতর্ক করে। কে যেন ভেতর থেকে বলে- ‘থামো। এটি তোমার ক্ষতি করবে।’ প্রথম প্রথম এসব সতর্কতা পাত্তা
১৯৭৫- ৭৬ সাল। আমার বয়স তখন সাত- আট। আব্বা একদিন হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেললেন। তাঁকে দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো। সেদিনই প্রথম আবিষ্কৃত হলো, আব্বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। তখন
১) ইলেকট্রিসিটি এবং কেমেস্ট্রি পঁচিশে প্রেম হচ্ছে বিদ্যুৎ। হাতে হাত রাখলেই স্পার্ক করে। চল্লিশে প্রেম হচ্ছে,শান্ত, কিছুটা পরিশ্রান্তও। ছুটির দিনে অলস দুপুরে দুজন পাশাপাশি শুয়ে বিশ্রাম নেওয়া হয়- কথা তেমন