• শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ১১:৪৫ অপরাহ্ন
/ অর্থনীতি
রোজা যত ঘনিয়ে আসছে, ভোজ্যতেলের বাজারে অসাধু চক্রের কারসাজি তত বাড়ছে। কোমর বেঁধে সক্রিয় হচ্ছে সেই পুরোনো সিন্ডিকেট। পরিস্থিতি এমন-রোজা শুরুর চার মাস আগেই কোম্পানিগুলো মিল পর্যায় থেকে তেলের কৃত্রিম বিস্তারিত...
বাংলাদেশের অন্যতম সমস্যা অর্থ পাচার। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মোটা অঙ্কের অর্থ পাচার হয়েছে। আর পাচারের অর্থ ফেরানো নতুন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিশ্বব্যাংক।
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক লাখ টন বাসমতি চাল এবং ৫০ হাজার টন গম আমদানি করবে সরকার। এছাড়া কৃষকের জন্য ৩০ হাজার টন সার ও টিসিবির মাধ্যমে বিক্রির জন্য ৫
এস আলম গ্রুপের কাছে আটকে থাকা খেলাপি ঋণ আদায়ের উদ্যোগ নিয়েছে সরকারি খাতের জনতা ব্যাংক। ব্যাংকটি এস আলম গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেডের বন্ধকি সম্পদ নিলামে তোলার পদক্ষেপ
দীর্ঘ পাঁচ বছর পর দেশের আমদানি বাণিজ্য আবার সচল হওয়ার পথে। ২০২০ সাল থেকে করোনার সংক্রমণ, বৈশ্বিক মন্দা, দেশে ডলার সংকট, অর্থনৈতিক মন্দার কারণে আমদানি বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। টানা পাঁচ
সরবরাহ বাড়াতে পেঁয়াজ ও চাল আমদানি পর্যায়ে শুল্ক কমিয়েছে সরকার। বাজারেও সরবরাহ পর্যাপ্ত। কিন্তু প্রতিবছরের মতো এবারও সরবরাহ সংকটের অজুহাত দেখানো হচ্ছে। হুহু করে বাড়ানো হচ্ছে দাম। কারসাজি করে সপ্তাহের
অক্টোবর মাসের প্রথম ১৯ দিনে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স দেশে এসেছে ১৫৩ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় দাঁড়ায় ১৮ হাজার ৩১০ কোটি ৬৮ লাখ ৯০
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, গত ১৫ বছরে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হয়েছে। পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে টাস্কফোর্স কাজ করছে। এজন্য কারিগরি কিছু সহায়তা লাগবে। এ