একটি শিশুর জন্ম যেকোনো পরিবারের জন্যই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আনন্দের বিষয়। কিন্তু সেই নবজাতক যখন রাষ্ট্রের নীতিগত ত্রুটি ও অব্যবস্থাপনার শিকার হয়ে মায়ের কোলেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে, তখন সেই
দেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৬০ শতাংশই আসে বোরো মৌসুম থেকে। এই ধান কাটার মৌসুম মানেই গ্রামবাংলায় একসময় উৎসবের আমেজ বিরাজ করত। তবে এবারের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। উৎসবের বদলে কৃষকের
প্রথমবার নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের বারবার কার্যপ্রণালী বিধি লঙ্ঘন এবং অনভিজ্ঞতার কারণে নবগঠিত ত্রয়োদশ সংসদ ক্রমবর্ধমান সমালোচনার মুখে পড়েছে। এর ফলে আইন প্রণয়নের দক্ষতা, শৃঙ্খলা এবং সরকারি তহবিলের ব্যবহার নিয়ে বড়
রাজা হারিয়েছেন রাজ্য, ব্যবসায়ী হারিয়েছেন জাহাজ, আর কৃষক হারিয়েছেন ফসল—এমন নজির বাংলার ইতিহাসে অনেক আছে। কিন্তু এমন সময় খুব কমই এসেছে, যখন একটি রাষ্ট্র নিজেই বুঝতে পারে তার ভেতরে বছরের
রাজনীতি বড় বিচিত্র এক খেলা। এখানে যেমন আছে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও তীব্র ঘৃণা, তেমনি আছে এক বিশেষ প্রজাতির রাজনৈতিক পাখির বিচরণ—যাদের আমরা আদর করে বলি ‘সুদিনের কোকিল’। প্রকৃতির কোকিল যেমন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকেই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ ছড়াচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। বিশেষ করে, রাজধানী ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি ও ডিএসসিসি)
বাংলাদেশের মাদক পরিস্থিতি এখন আর কেবল অলিগলির খুচরা বিক্রেতা বা সাধারণ চোরাকারবারিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি রূপ নিয়েছে এক সুসংগঠিত, করপোরেট ধাঁচের আন্ডারওয়ার্ল্ড সিন্ডিকেটে। দেশের সীমান্ত এলাকা থেকে শুরু করে