আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের চেষ্টা করছে সরকার। কিন্তু বিএনপি পরিবেশ বিঘ্নিত করছে। আর একটা বিশেষ দল অংশ নিলেই কি নির্বাচন read more
বৈশ্বিক মন্দা এবং দেশে ডলারের তীব্র সংকটে অর্থনীতি এমনিতেই নাজুক। ইতোমধ্যে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে পড়েছে দেশ। এ অবস্থায় অস্থিরতা আরও বাড়লে অর্থনীতিতে ধস নামার আশঙ্কা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। সরকার পতনের একদফা দাবি আদায়ে হার্ডলাইনে মাঠের বিরোধী দল বিএনপি। এ দাবিতে আগামী সপ্তাহে দেশব্যাপী লাগাতার কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার নীতিগত
বাংলাদেশে অক্টোবর মাসে রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। গত মাসে দেশে বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন বাড়িয়েছে সরকার। এছাড়া অর্থনৈতিক টানাপোড়েনও অব্যাহত ছিল। দেশে প্রতিমাসে ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলার হিসাবে
নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আগামী ৪ নভেম্বর ফের দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এজন্য অন্য নিবন্ধিত দলের পাশাপাশি বিএনপিকেও আলোচনায় অংশ নিতে চিঠি দিয়েছে
রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই সংঘাতময়ের দিকে মোড় নিচ্ছে। রাজপথে দুই প্রধান দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মুখোমুখি অনড় অবস্থান বিষয়টিকে আরও উসকে দিচ্ছে। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশস্থলের কাছে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ‘মামলা মাত্র শুরু হয়েছে। আরও মামলা হবে। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তারা সবাই মামলা করবে। কতজন গ্রেফতার হয়েছে, সেটি এখনই বলতে পারছি না। পরে জানাব।’ রোববার
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর ও চরমোনাই পির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, সরকারের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করার সময় হয়ে গেছে। দেশ ও জাতির সঙ্গে প্রতারণার কুফল সরকারকে ভোগ করতেই হবে।