• বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ১২:৩৭ অপরাহ্ন
/ সম্পাদকীয়
-রিন্টু আনোয়ার বিচারের আগে বিচার করে ফেলার একটি সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতি বাংলাদেশে রয়েছে। সেই বিচারে দোষী সাব্যস্ত করার ঘটনাই বেশি। সেটি পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলাবাহিনী নিয়মিতই করছে। মাঝেমধ্যে গণমাধ্যমও কম যায় বিস্তারিত...
-রিন্টু আনোয়ার পিঠ দেখানো নয়, দিল্লির চোখে চোখ রেখে কথা বলছে এখন ঢাকা। কখনো ঘৃণায়, কখনো কৌশলী কূটনীতিতে ভারতেকে অবিরাম চপেটাঘাত করেই চলছে বাংলাদেশ। ভারতের খাস পছন্দের এবং নিয়োগকৃত প্রধানমন্ত্রী
-রিন্টু আনোয়ার যে কোনোভাবে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে নৃশংস গণহত্যার হেন পদক্ষেপ নেই যা শেখ হাসিনা নেননি। সেসবের কিছু ফ্যাক্ট অ্যান্ড ফাইন্ডিং উঠে এসেছে জাতিসংঘের তদন্তেও। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, বাংলাদেশের
-রিন্টু আনোয়ার জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের দেশকে ৪টি প্রদেশে ভাগ করার সুপারিশ সব মহলে আলোচিত। এর সঙ্গে কুমিল্লা ও ফরিদপুরকে আলাদা বিভাগ করার সুপারিশও করা হয়েছে। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ নিয়ে গ্রেটার
-রিন্টু আনোয়ার কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলছে না।  বলতে গিয়ে কথার মাঝে সম্মান-স্নেহের লেশও থাকছে না কখনো কখনো। সেইসঙ্গে কারো কারো বডি ল্যাঙ্গুয়েজও আপত্তিজনক। কখনো কখনো সরকারকেও পক্ষ করে ফেলা
-রিন্টু আনোয়ার ভারতের সীমানা শুধু বাংলাদেশ নয়, অন্য দেশের সঙ্গেও রয়েছে। পাকিস্তান সীমান্তে তাদের দেশের সদস্যকে ভারত হত্যার সাহস পায় না। চীন-মিয়ানমারের সাথে মাঝেমধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। ধাওয়া খেয়ে ফিরে
-রিন্টু আনোয়ার শেষতক সংস্কার কতোটুকু হবে, না হবে-তা এখনো ভবিষ্যৎ। প্রস্তাব বা সুপারিশ মোটেই সিদ্ধান্ত নয়। তবে, প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা পড়া সংস্কার প্রস্তাবগুলো জাতির কাছে মংদলিল বা সনদ হয়ে
-রিন্টু আনোয়ার দেশের চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি,বৈদেশিক মুদ্রার সংকট, বিনিয়োগের স্থবিরতা এবং শ্রমবাজারে অস্থিরতাসহ বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতাগুলোকে গভীরভাবে মূল্যায়ন করার প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মূল্যায়ন