মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশে আজ রবিবার (৫ এপ্রিল) থেকে সরকারি, বেসরকারি অফিস ও ব্যাংকগুলোতে নতুন সময়সূচি কার্যকর হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত read more
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থা এবং বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারের অস্থিরতার ঢেউ এখন আছড়ে পড়েছে বাংলাদেশের উপকূলে। সরকারের পক্ষ থেকে একে ‘কৃত্রিম সংকট’ বলা হলেও বাস্তবে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষ
তীব্র গরম আর রোজা শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে বাংলাদেশের জ্বালানি তেলের বাজার এক অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ঢাকার আসাদগেট থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রোল ও অকটেনের
দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা ও উচ্চমূল্যের চাপ সামলাতে শিগগিরই দাম সমন্বয়ের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় একগুচ্ছ জরুরি ও কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি অফিসের
ভোক্তাপর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম একলাফে বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি এপ্রিল মাসের জন্য ১২ কেজি ওজনের প্রতিটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ
চলমান বৈশ্বিক অস্থিরতা ও পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের উদ্বেগের মাঝে স্বস্তির খবর দিয়েছে সরকারের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। সংস্থাটির পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, চলতি এপ্রিল মাসে দেশে জ্বালানি
সরকারের নানামুখী উদ্যোগ ও আশ্বাসের পরও রাজধানীসহ সারা দেশে জ্বালানি তেলের সংকট কিছুতেই কাটছে না। বৈধ পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের তীব্র আকাল দেখা দিলেও, অসাধু চক্রের মাধ্যমে খোলা বাজারে ঠিকই চড়া