রাশিয়ার একটি আবাসন ও নির্মাণ সংস্থায় ভালো বেতনে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে ৩০ জন বাংলাদেশী রেমিট্যান্স যোদ্ধাকে ইউক্রেন সীমান্তের চরম যুদ্ধকবলিত অঞ্চলে নিয়ে যাওয়ার এক ভয়াবহ তথ্য সামনে এসেছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর read more
দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক মানচিত্রে ভারত একটি বিশাল এবং অপ্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্র। ভৌগোলিক অবস্থান, বিপুল জনসংখ্যা, চার ট্রিলিয়ন ডলারের শক্তিশালী অর্থনীতি এবং বিশাল সামরিক শক্তির কারণে এই অঞ্চলে ভারতের প্রভাব অনস্বীকার্য। ভারতের
জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াল থাবায় বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল যখন তীব্র পানিসংকট এবং পরিবেশগত বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে, ঠিক তখনই আশার এক বিশাল আলোকবর্তিকা হয়ে সামনে এসেছে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প। এটি কেবল একটি সাধারণ
বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকাকে অবিশ্বাস্য গতিতে এগিয়ে নেওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান তৈরি পোশাক খাতের। তবে দীর্ঘ সময় ধরে অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকরা রপ্তানি বহুমুখীকরণের ওপর জোর দিয়ে আসছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায়
১৯৭৬ সালের ১৬ মে। রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠ থেকে শুরু হয়েছিল এক অবিস্মরণীয় গণমিছিল। মিছিলের অগ্রভাগে ছিলেন নব্বই বছর পেরোনো এক অকুতোভয় প্রবীণ জননেতা, যিনি সদ্য হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গত দুই বছর ধরে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হলো সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ভবিষ্যৎ। তিনি কি আর কখনো দেশে ফিরবেন? সম্প্রতি ভারতের প্রভাবশালী
বাংলাদেশের কর্পোরেট ইতিহাস এবং রাজস্ব খাতের অন্যতম বড় নাম বহুজাতিক তামাক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বা সংক্ষেপে ব্যাট। সরকার প্রতি বছর এই প্রতিষ্ঠানটি থেকে হাজার হাজার কোটি টাকার বিশাল
ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গত বছর শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর যখন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল, তখন দেশবাসীর প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বী। মানুষের আশা ছিল,