• সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
/ ফিচার
জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে যখন সাধারণ মানুষ দিশেহারা, তখন রাষ্ট্রায়ত্ত তিন তেল কোম্পানির কর্মকর্তাদের মদদে প্রায় পৌনে দুই লাখ টন জ্বালানি তেল কালোবাজারে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি read more
২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশের রাজপথ কাঁপানো জেন-জি প্রজন্মের আন্দোলন বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। সেই আন্দোলনের রেশ কাটতে না কাটতেই প্রতিবেশী দেশ নেপালে তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক উত্থান বাংলাদেশের আন্দোলনকারীদের মনে একইসাথে
রাজধানীর চিরচেনা যানজটের অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হয় ব্যক্তিগত গাড়ি বা প্রাইভেট কারকে। তবে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সেই চেনা দৃশ্যে ভিন্নতা দেখা দিচ্ছে। তীব্র জ্বালানি সংকট ও পাম্পগুলোতে দীর্ঘ
দেশজুড়ে যখন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, ঠিক তখনই জাতীয় গ্রিডের বিশাল একটি অংশ ‘চুরি’ করে নিচ্ছে অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর তথ্যমতে, প্রতিদিন
ভোর চারটায় যখন পুরো শহর ঘুমে বিভোর, তখন এক বুক আশা নিয়ে মোটরসাইকেল বা প্রাইভেট কার নিয়ে বের হন হাজার হাজার রাইড শেয়ারিং চালক। কিন্তু সেই আশা এখন রূপ নিয়েছে
বাংলাদেশের অর্থনীতির হৃদপিণ্ড বলা হয় ব্যাংকিং খাতকে। কিন্তু সেই হৃদপিণ্ড এখন তীব্র ‘রক্তশূন্যতা’ বা তারল্য সংকটে ভুগছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পর্যালোচনায় উঠে এসেছে এক পিলে চমকানো তথ্য: ২০২৪ সালে দেশের
২০২৬ সালের এপ্রিল মাস বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাসের শাসনামলে জারিকৃত ১৩৩টি অধ্যাদেশ এখন জাতীয় সংসদে আইনি বৈধতা পাওয়ার অপেক্ষায়। কিন্তু সংসদের ভেতরে ও
সারাদেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হামের প্রাদুর্ভাব। কিন্তু এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও রোগ শনাক্তকরণের পুরো প্রক্রিয়াটি আটকে আছে মাত্র একটি ল্যাবে। ঢাকার জাতীয় জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের (IPH) ওপর পুরো দেশের নির্ভরতা একদিকে