• বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৮:২২ পূর্বাহ্ন
Headline

এক-এগারোর দোর্দণ্ড প্রতাপশালী জেনারেল মাসুদ রিমান্ডে: কেবলই অপরাধের বিচার নাকি রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ?

Reporter Name / ৮৫ Time View
Update : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম ঘটনাবহুল ও বিতর্কিত অধ্যায় ‘ওয়ান-ইলেভেন’ বা এক-এগারো। আজ থেকে প্রায় উনিশ বছর আগে দেশের রাজনীতিতে যে আকস্মিক পটপরিবর্তন ঘটেছিল, তার অন্যতম প্রধান রূপকার হিসেবে বিবেচনা করা হয় তৎকালীন প্রভাবশালী সেনা কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে। দীর্ঘ সময় পর সেই ক্ষমতাধর ব্যক্তিটি আবারও খবরের শিরোনামে এসেছেন, তবে এবার কোনো ক্ষমতার মঞ্চে নয়, বরং কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে। রাজধানীর বারিধারার নিজ বাসভবন থেকে রাতে আটকের পর মানবপাচারের মতো গুরুতর অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার দেখিয়েছে এবং আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। এই গ্রেফতারের ঘটনা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গনে, বিশেষ করে নতুন করে ক্ষমতায় আসা দলটির ভেতরে এক ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। সাধারণ মানুষের মনেও প্রশ্ন জেগেছে, এই গ্রেফতার কি নিছকই মানবপাচারের তদন্ত, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে উনিশ বছর ধরে জমিয়ে রাখা কোনো রাজনৈতিক প্রতিশোধের স্পৃহা?

রিমান্ড ও মামলার আদ্যোপান্ত

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমের সামনে এই গ্রেফতারের বিষয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেছেন। তার দেওয়া তথ্যমতে, সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কেবল রাজধানী ঢাকাতেই পাঁচটি মামলা রয়েছে। এর বাইরে ফেনী জেলাতেও তার বিরুদ্ধে অন্তত ছয়টি সুনির্দিষ্ট মামলার তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ফেনীর মামলাগুলোর মধ্যে তিনটি ইতিমধ্যেই বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি পলাতক থাকায় বা আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় সেখানকার আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করেছিল। ডিবি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মানবপাচারের নির্দিষ্ট মামলাটিতে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হলেও, তার বিরুদ্ধে থাকা অন্যান্য মামলাগুলোরও গভীর তদন্ত চলছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সমুন্নত রাখা এবং সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই তারা এই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

রাজনীতিতে পুরনো ক্ষতের পুনরুত্থান

মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর গ্রেফতারের খবরটি ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন, বিশেষ করে সদ্য ক্ষমতায় ফেরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে এক ভিন্ন মাত্রার প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে দলটির সমর্থক ও নেতারা এক-এগারোর দুঃসহ স্মৃতিগুলো নতুন করে সামনে নিয়ে আসছেন। তাদের অনেকেরই সুস্পষ্ট অভিযোগ, ২০০৭ সালে সেনা-সমর্থিত সরকারের আমলে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির অসংখ্য শীর্ষ নেতাকে যে নির্মমভাবে আটক ও নির্যাতন করা হয়েছিল, তার অন্যতম প্রধান নির্দেশদাতা ছিলেন এই মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী।

দীর্ঘ উনিশ বছর পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি যখন পুনরায় রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরে এসেছে, তখন এই গ্রেফতার দলটির তৃণমূল থেকে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত এক ধরনের স্বস্তির জন্ম দিয়েছে। এই অনুভূতির প্রতিফলন দেখা গেছে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুর একটি ফেসবুক পোস্টে। তিনি তার ভেরিফায়েড পেজে লিখেছেন যে, এক-এগারোতে যারা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল, তাদের গ্রেফতার শুরু করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তিনি ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। এই ধরনের প্রকাশ্য উল্লাস স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মনে এই প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে যে, বর্তমান সরকার কি তাহলে এক-এগারোর কুশীলবদের বিরুদ্ধে একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশোধের পথে হাঁটতে শুরু করেছে?

এক-এগারোর নেপথ্য কারিগর এবং ক্ষমতার রদবদল

এই গ্রেফতারের রাজনৈতিক তাৎপর্য বুঝতে হলে আমাদের ফিরে তাকাতে হবে ২০০৬ সালের শেষের দিকের এবং ২০০৭ সালের শুরুর দিকের চরম রাজনৈতিক অস্থিরতার দিনগুলোতে। তৎকালীন বিএনপি সরকারের মেয়াদ শেষে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কে হবেন, তা নিয়ে দেশে এক চরম অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। সে সময়কার নিয়ম অনুযায়ী সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কে এম হাসানের এই দায়িত্ব নেওয়ার কথা থাকলেও, রাজনৈতিক বিরোধিতার মুখে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর অনেকটা বিতর্কিতভাবেই তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ নিজেই প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন। এর প্রতিবাদে বিরোধী দলগুলো রাজপথে তীব্র আন্দোলন ও সহিংসতা শুরু করলে দেশে এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থার সৃষ্টি হয়।

ঠিক এমন একটি খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি দেশের সশস্ত্র বাহিনী হস্তক্ষেপ করে এবং রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে জরুরি অবস্থা জারি করে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়। এই পটপরিবর্তনের দিনটিকে তৎকালীন সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ যুক্তরাষ্ট্রের ‘নাইন-ইলেভেন’-এর অনুকরণে ‘ওয়ান-ইলেভেন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। এই পুরো প্রক্রিয়ার নেপথ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী ভূমিকা পালনকারী সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে তৎকালীন নাইন ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ছিলেন অন্যতম। সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ তার ‘শান্তির স্বপ্নে’ নামক বইতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হতে অস্বীকৃতি জানানোর পর ড. ফখরুদ্দীন আহমদকে রাজি করানোর কঠিন কাজটি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীই করেছিলেন। গভীর রাতে ফখরুদ্দীনের বাসায় গিয়ে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে তাকে দায়িত্ব নেওয়ার অনুরোধটি জেনারেল মাসুদই পৌঁছে দিয়েছিলেন।

ত্রাস সৃষ্টিকারী ‘গুরুতর অপরাধ দমন অভিযান’

নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ২০০৭ সালের ৮ মার্চ দেশের দুর্নীতি ও অনিয়ম দূর করার ঘোষণা দিয়ে ‘গুরুতর অপরাধ দমন অভিযান সংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটি’ নামের একটি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী সেল গঠন করা হয়। এই কমিটির চেয়ারম্যান করা হয় তৎকালীন উপদেষ্টা এম এ মতিনকে এবং প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে। এই কমিটির ইশারাতেই সে সময় শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়াসহ দেশের প্রায় সব শীর্ষ রাজনীতিবিদ, রথী-মহারথী ব্যবসায়ী এবং আমলাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। দেশব্যাপী যৌথ বাহিনীর যত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়েছিল, তার মূল নির্দেশক ছিল এই কমিটি। রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং ‘এক-এগারো’ বইয়ের লেখক মহিউদ্দিন আহমদের মতে, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ছিলেন ওই সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং শক্তিশালী খেলোয়াড়দের একজন। যেহেতু বিএনপি নিজেদেরকে সেই সময়ের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী মনে করে, তাই স্বাভাবিকভাবেই তার গ্রেফতারকে দলটির নেতাকর্মীরা নিজেদের প্রতি হওয়া অন্যায়ের বিচার হিসেবেই দেখছেন।

ক্ষমতার মনস্তাত্ত্বিক লড়াই ও ডানা ছাঁটা

ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকলেও সেনা কর্মকর্তাদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব থেকে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী মুক্ত ছিলেন না। সে সময় ডিজিএফআইয়ের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক চৌধুরী ফজলুল বারী এবং আরেক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল এ টি এম আমিনের মতো ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের সঙ্গে তার এবং সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদের এক মনস্তাত্ত্বিক স্নায়ুযুদ্ধ চলছিল। ফজলুল বারীর একটি সাক্ষাৎকারে উঠে আসে যে, দেশ যখন চরম অস্থিতিশীল, তখন বেগম জিয়ার আত্মীয় হওয়ার সুবাদে তিনি জেনারেল মাসুদকে দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হস্তক্ষেপ করার জন্য প্ররোচিত করেছিলেন।

এমনকি ১১ জানুয়ারির সেই চরম নাটকীয় দিনটিতে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সামনে যখন তিন বাহিনী প্রধান উপস্থিত ছিলেন, সেখানেও মাসুদের নামের দাপট ব্যবহার করা হয়েছিল। তৎকালীন বিমানবাহিনী প্রধানের ভাষ্যমতে, রাষ্ট্রপতি যখন সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলেন, তখন সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ সরাসরি হুমকি দিয়ে বলেছিলেন যে রাষ্ট্রপতি যদি সিদ্ধান্ত নিতে না পারেন, তবে তিনি মাসুদকে ট্যাংক নিয়ে বঙ্গভবনে চলে আসতে বলবেন। এ থেকেই বোঝা যায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর সামরিক শক্তি সে সময় কতটা প্রবল ছিল। তবে, ক্ষমতার এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ নিজের অবস্থান শক্ত করে নেন এবং কৌশলে জেনারেল মাসুদের ক্ষমতা খর্ব করে দেন। ২০০৮ সালের জুনে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় থাকাকালেই তাকে সেনাবাহিনী থেকে সরিয়ে সুদূর অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

কূটনীতি থেকে ব্যবসায় এবং রাজনীতির নতুন ইনিংস

অস্ট্রেলিয়ায় হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে আরও দুই দফায় তার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়। ২০১২ সালের ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং সম্পূর্ণ নতুন রূপে আবির্ভূত হন। ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু থেকে সরে এসে তিনি নিজেকে রেস্তোরাঁ ও জনশক্তি রফতানির মতো ব্যবসায়িক কার্যক্রমে যুক্ত করেন। একই সঙ্গে তিনি তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সঙ্গেও সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন। তবে চমকপ্রদ বিষয় হলো, ২০১৮ সালে তিনি হঠাৎ করেই প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন।

রাজনীতিতে নেমেই তিনি সফলতা পান এবং ২০১৮ সালের বিতর্কিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত একতরফা নির্বাচনেও তিনি একই দল থেকে পুনরায় সংসদ সদস্য হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। কিন্তু রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তার এই সুরক্ষিত জীবনে ছেদ পড়ে। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি আলোচিত মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের স্ত্রী ও কন্যার পাশাপাশি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকেও আসামি করা হয়। তার বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়।

বিচারের মুখোমুখি নাকি নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ?

বর্তমানে মানবপাচারের মামলায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া হলেও, বিষয়টি যে কেবল একটি সাধারণ ফৌজদারি অপরাধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তা দেশের সচেতন মহল বেশ ভালোভাবেই অনুধাবন করতে পারছেন। লেখক মহিউদ্দিন আহমদ বিবিসি বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যথার্থই বলেছেন যে, এক-এগারোর পর শেখ হাসিনা সরকার মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে বিভিন্নভাবে পুরস্কৃত করেছিল, কিন্তু এখন তাকে আটক করার পেছনে বর্তমান সরকারের প্রতিশোধস্পৃহা কাজ করছে কি না, তা চূড়ান্তভাবে বলার সময় হয়তো এখনও আসেনি। তবে এই গ্রেফতারের সূত্র ধরে যে এক-এগারোর অন্ধকার অধ্যায়গুলো নিয়ে নতুন করে বিস্তর অনুসন্ধান শুরু হতে পারে, তা অনেকটাই নিশ্চিত। তার বিরুদ্ধে যেহেতু সুনির্দিষ্ট অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, সরকার যদি একটি স্বচ্ছ তদন্ত প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে পারে, তবে হয়তো গত দুই দশকের অনেক অজানা রাজনৈতিক রহস্য উন্মোচিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category