• মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন
Headline
ছাত্রদলের ক্যাম্পাস, ছাত্রদলের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে: জবি ভিসিকে শাসালেন ছাত্রদল নেতা ১০টি পর্যবেক্ষণ বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিরাপদ পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: তথ্য উপদেষ্টা শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন নিয়ে অবস্থান জানাল দিল্লি ৬ গিগাহার্জ ব্যান্ডের ৭০০ মেগাহার্জ ওয়াই-ফাইয় উন্মুক্তে আপত্তি বিটিআরসির ১৩ বছরের সর্বনিম্ন: বিদেশি ঋণের প্রতিশ্রুতি ৩৭% হ্রাস নাগরিক সেবায় কোটা ব্যবস্থার অমীমাংসিত বিতর্ক: দুই বছর পরো সংস্কার নিয়ে স্থবিরতা রাজনৈতিক বিবেচনায় ২৬৫ ডিএজি-এএজি নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জে রিট

জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও পাচার রোধে সঠিক তথ্য দিলে লাখ টাকা পুরস্কার

Reporter Name / ১১৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬

দেশের জ্বালানি তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি এবং পাচার রোধে এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতকারী এবং পাচারকারীদের ধরতে সাধারণ জনগণের সরাসরি সহায়তা চেয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। অসাধু এসব কারবারিদের সম্পর্কে স্থানীয় প্রশাসনকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহায়তা করলে, তথ্যদাতাকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার যুগান্তকারী ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার (৩০ মার্চ) মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়।

জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি ও কৃত্রিম সংকট রোধ

সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের স্বাভাবিক সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও কিছু অসাধু চক্র অবৈধভাবে তেল মজুত করে বাজারে একটি কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। অনেকেই আবার তেলের মতো এই অতিপ্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সম্পদ পাচারের মতো দেশবিরোধী অপরাধের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ছেন। অসাধু এই চক্রটিকে দ্রুততম সময়ে শনাক্ত করতে এবং তাদের আইনের আওতায় এনে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার সাধারণ নাগরিকদের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চায়। আর সেই লক্ষ্যেই নাগরিকদের উৎসাহিত করতে এই আর্থিক পুরস্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

তথ্য যাচাই ও দ্রুততম সময়ে পুরস্কার প্রদান

জ্বালানি বিভাগের ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যেকোনো সচেতন নাগরিক যদি তাঁর আশেপাশের কোনো অবৈধ তেলের গুদাম, মজুতদার বা পাচারকারী চক্রের সন্ধান পান, তবে তিনি স্থানীয় প্রশাসনকে সেই তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে পারবেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সত্যতা ও বস্তুনিষ্ঠতা কঠোরভাবে যাচাই করা হবে। যাচাই-বাছাই শেষে দেওয়া তথ্যটি সঠিক প্রমাণিত হলে, ওই সহায়তাকারীকে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক পুরস্কার দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রদান করা হবে। সরকারের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে জ্বালানি খাতে অবৈধ মজুতদারি ও কালোবাজারি অনেকাংশেই কমে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category