• সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৯ অপরাহ্ন
Headline
গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজে আয়নার দায়িত্ব পালন করে : তথ্যমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী সিআইডি-ডিএমপিসহ বিভিন্ন ইউনিটে ৯৩ শিক্ষানবিশ এএসপির পদায়ন শাপলা চত্বরে ‘গণহত্যা’ হয়েছে: চিফ প্রসিকিউটর ২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্তে হাইকোর্টে রিট ধর্ষণ মামলায় মাগুরার সাবেক এসপি জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা খেলাপি ঋণের দুই মামলায় রিজেন্ট সাহেদ ফের গ্রেপ্তার চট্টগ্রামে পিস্তল-গুলিসহ ডেভিড ইমনের ২ সহযোগী গ্রেপ্তার প্রশাসনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ঘিরে কর্মকর্তাদের মাঝে অসন্তোষ নিজের বেতন নিজেই মেটান ভিনি!

ধর্ষণ মামলায় মাগুরার সাবেক এসপি জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

Reporter Name / ১ Time View
Update : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

ধর্ষণ মামলায় বর্তমানে (ওএসডিপ্রাপ্ত) অতিরিক্ত ডিআইজি ও মাগুরার সাবেক এসপি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুনতাসির আহমেদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আজমত হোসাইন।

মামলার নথী সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি আসামির বিরুদ্ধে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন মর্মে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। এদিন আসামির উপস্থিতিতে তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ বিষয়ে শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ ছিল। শুনানির সময় আসামি অনুপস্থিত থাকায় ওই প্রতিবেদন আমলে গ্রহণ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে আসামি মাগুরার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বাদীর সঙ্গে পরিচয় গড়ে তোলেন। আসামিকে বাদী বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে তার অফিসে ডেকে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে সাবেক স্ত্রীকে তালাক দিয়ে বাদীকে বিয়ে করার আশ্বাস ও প্রতিশ্রুতি দেন।

মামলার অভিযোগে আরো বলা হয়, ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মাগুরায় সরকারি বাংলোয় বাদীকে নাকফুল পরিয়ে সম্পর্কের আনুষ্ঠানিকতা প্রকাশ করেন।

পরে একই বছরের ৮ মার্চ ঢাকার একটি হাসপাতালে বাদী অসুস্থ হয়ে ভর্তি হলে আসামি নিজেকে বাদীর স্বামী পরিচয় দিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ওই সময় এবং পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রলোভন ও মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে মাগুরার সরকারি বাংলো, অফিস রেস্টরুম এবং ঢাকায় বাদীর বাসায় একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।

পরবর্তীতে আসামি ঢাকা পুলিশ সদর দপ্তরে বদলি হওয়ার পরও স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর বাদীকে বিয়ে করবেন বলে আশ্বাস দিয়ে সম্পর্ক চালিয়ে যান। ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই বাদী বিয়ের বিষয়ে চাপ দিলে আসামি বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান এবং বিষয়টি নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নিলে ক্ষতির হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

ওই ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৫ জুলাই ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয় এবং একই সময় পুলিশ সদর দপ্তরে আইজিপির কাছেও লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে আত্মীয় স্বজনের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা ব্যর্থ হলে গত ১৫ মার্চ ঢাকার জজ আদালতের সামনে আসামি পুনরায় বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ওই ঘটনায় গত ২০ মে ঢাকার নারী ও শিশু দমন আইন ট্রাইব্যুনাল মামলাটি করেন ভুক্তভোগী নারী।

এ সময় ট্রাইব্যুনাল মামলাটি আমলে গ্রহণ করে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। গত ১৪ জুলাই ওই ঘটনায় সত্য পেয়েছেন মর্মে আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category